ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বরফের পানিতে সাঁতারের রেকর্ড, অংশ নিলো ৯ বছরের শিশু (ভিডিও)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:১৯ পিএম
বরফের পানিতে সাঁতারের রেকর্ড, অংশ নিলো ৯ বছরের শিশু

চলছে শীতের মৌসুম। শীতে ঠান্ডা পানির কথা শুনলেই শরীরে এক ধরনের শীত অনুভব হয়। আর এ শীতেই বরফের পানিতে সাঁতার কেটে নতুন রেকর্ড গড়েছেন এক সাঁতারু। মজার বিষয় হচ্ছে, বড়দের সঙ্গে ৯ বছরের বয়সী এক অ্যাথলেট অংশ গ্রহণ করেন প্রতিযোগিতায়।

উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশ এস্তোনিয়ার সাঁতারুরা বরফের ঠাণ্ডা পানিতে সাঁতার কেটে রেকর্ড গড়লেন। রেকর্ডময় এই সাঁতারে ৫০৫ জন প্রতিযোগিতা অংশ নেন। তারা সবাই মিলে ১২.৫ কিলোমিটার সাঁতার কাটেন। প্রত্যেকে গড়ে ২৫ মিটার সাঁতার কাটেন।

এস্তোনিয়ার রয় ভিসারস নামে এক সাঁতারু বলেছেন, আমি নিজের শরীর সুস্থ রাখতেই সাঁতার কাটি। শুধু সাঁতার কাটাই নয়, সাইকেলও চালাই। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই আমি এসব করে থাকি। করোনা সংক্রমণের ভয়ে মাস্ক পরে ঘরে বসে থাকলে হবে না। বাইরে বেরিয়ে নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

ভিসারস আরও বলেছেন, ডায়েটের জন্য আমরা প্রতিদিনের খাবারে রসুন অবশ্যই রাখি। তাছাড়া খোলা বাতাসে না বের হলে নিজেকে সুস্থ রাখা সম্ভব না।

ইয়াহু নিউজ সূত্রে জানা যায়, রাশিয়ার সাবমেরিন শিপইয়ার্ডের বরফের ঠাণ্ডা পানিতে আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় পাঁচ শতাধিক অ্যাথলেট অংশ নেন। চার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পানিতে আয়োজিত সাঁতার প্রতিযোগিতাটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল- ওই প্রতিযোগিতায় সর্বকনিষ্ঠ ৯ বছর বয়সী এক অ্যাথলেট অংশ নেয়। বয়স্কদের মধ্যে ৮০ বছর বয়সী এক সাঁতারু অংশ নেন।

সাঁতারের ভিডিও দেখুন

এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অন্তর্বাসের রঙে বর্ষবরণ করে যে দেশ
মহামারি করোনা ভাইরাসকে সাথে করেই পেছনে ফেলতে হচ্ছে আরও একটি বছর। শুরু হবে নতুন বছর। ইংরেজি নতুন বছরকে বরণ করার জন্য বিভিন্ন রকম রীতি রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। অবাক করার বিষয় হল, বিশ্বে এমন কিছু দেশ রয়েছে যাদের বর্ষবরণ উদযাপনের রীতি একদমই ব্যতিক্রম। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য ব্যতিক্রমী বর্ষবরণ উদযাপনের রীতিনীতি তুলে ধরা হল নিচে- ১. কলম্বিয়ায় খালি স্যুটকেস নিয়ে বেরিয়ে পড়া: দেশটির মানুষ ঘুরতে অনেক ভালোবাসেন। তাদের কাছে ভ্রমণ এতটাই পছন্দ যে, নতুন বছর উদযাপনেও তাদের প্রত্যাশা থাকে ঘুরতে যাওয়া। থার্টি ফাস্ট নাইটে রাত ১২টা বাজলে কলম্বিয়ার মানুষ একটি খালি স্যুটকেস হাতে নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন। বাড়ির চারপাশে হাঁটাহাঁটি করেন তারা। নতুন বছরের কোনো এক সময় এই খালি স্যুটকেস পূর্ণ হবে- এ আশাতেই পালন করেন এই রীতি। ২. জাপানে প্রাকৃতিক সাজসজ্জা : জাপানে নতুন বর্ষবরণ করাকে বলা হয় ‘ওশোগাতসু’। দেশটিতে এই উৎসবটি পরিবারের সাথে উদযাপন করা হয়। সেখানে পরিবারের সবাই একসাথে ঘরকে পরিষ্কার এবং সজ্জিত করে। এরপর তারা নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়ার জন্য  প্রাকৃতিক সাজসজ্জা যেমন পাইন শাখা, বরই ফুল এবং বাঁশগুলি প্রস্তুত করতে থাকে। ৩. ইকুয়েডরে বিখ্যাতদের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো : ইকুয়েডরের মানুষরা বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর রাতে রাস্তায় বের হয়ে ‘কুশপুত্তলিকা’ পুড়িয়ে থাকে। দেশের রাজনীতিবিদ, খেলোয়াড় এবং অভিনয়শিল্পীসহ বিখ্যাত সকল ব্যক্তিদের কুশপুত্তলিকা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে উল্লাস করা হয়। আগামী বছর এ উদযাপন ভাগ্য ফেরাবে বলে বিশ্বাস তাদের। ৪. চীনে প্রবেশ দরজা লাল রঙ করা : দেশটিতে নতুন বছরে সুখ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে প্রবেশ দরজা লাল রঙ করা হয়ে থাকে। দেশটিতে লাল রঙকে সুখ এবং সৌভাগ্যের প্রতীক হিসাবে ধরা হয়। আর এভাবেই দেশটিতে বরণ করা হয় নতুন বছর। ৫. জার্মানিতে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা হয় সিসার টুকরায় : জার্মানিতে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য বছরের শেষ মুহূর্তে সবাই ভাগ্য পরীক্ষার খেলায় মেতে উঠেন। ভাগ্য পরীক্ষার এই প্রক্রিয়াটিও ব্যতিক্রম। শুরুতে সিসার টুকরা গরম করে গলিয়ে তাতে পানি ঢেলে ঠাণ্ডা করা হয়। পরে সিসার আকৃতি অনুযায়ী ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে বিশ্বাস জার্মানদের। সিসা হৃদয়ের মত হলে ভালোবাসা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর মুকুটের মত হলে প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক হবেন- এমনটাই বিশ্বাস করেন তারা। ৬. সুইজারল্যান্ডে মেঝেতে ক্রিম ফেলে রাখা : দেশটির মানুষজনের নতুন বছর উদযাপন এক অদ্ভুত সাংস্কৃতির। তারা নতুন বছর উপলক্ষে না খেয়ে মেঝেতে ক্রিম ফেলে রেখে দেয় এবং তাদের বিশ্বাস নতুন বছরে ঐশ্বর্য আসবে। ৭. লাতিন আমেরিকায় অন্তর্বাসের রঙের ওপর ভাগ্য নির্ধারণ : লাতিন আমেরিকার দেশ অর্থাৎ মেক্সিকো, ব্রাজিল, বলিভিয়া ইত্যাদি দেশগুলোয় বছরের শেষ মুহূর্তে নতুন অন্তর্বাস কেনার জন্য সবাই মার্কেটে ভিড় জমায়। তাদের বিশ্বাস, বর্ষ বরণে নতুন অন্তর্বাস পড়নে থাকলে নতুন বছরে ভালো কিছু আসবে। তবে এই অন্তর্বাসের জন্য নির্দিষ্ট দুটি রঙও রয়েছে- লাল ও হলুদ রঙ। লাল পড়লে ভালোবাসা পাবে এবং হলুদ বয়ে আনবে সফলতা। ৮. ফিলিপাইনে অদ্ভুত খাবার খাওয়া : ফিলিপাইনে নতুন বর্ষবরণে সকল বয়সী মানুষ গোলাকার খাবার খায়। এছাড়াও তারা এদিন পকেটে মুদ্রা রাখে এবং প্রচুর পোশাক পড়েন। গোলাকার আকৃতি মূলত নতুন বছরে আর্থিক উৎসাহ বৃদ্ধি করবে বলে বিশ্বাস তাদের। ৯. ইতালিতে ঘরের আসবাব ছুড়ে ফেলা: ইতালিতে নববর্ষে দেশটির নেপলস শহরবাসীরা উদ্ভটভাবে নতুন বর্ষকে বরণ করেন। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য যে, তারা বছরের শেষ দিন ঘরের আসবাব, রান্নাঘরের থালা-বাসনসহ বিভিন্ন তৈজসপত্র বাইরে ছুড়ে ফেলেন। পুরাতন সব কিছু ফেলে দিয়ে নতুন কিছু বরণ করে নেওয়ার প্রতীকী অর্থে এসব করেন ওই শহরের বাসিন্দারা। ১০. স্পেনে আঙুর খেয়ে বর্ষবরণ: স্পেনের নাগরিকদের বর্ষবরণ বলা যেতে পারে অনেক স্বাস্থ্যসম্মত। ৩১ ডিসেম্বর রাতে ১২টি করে আঙুর খেয়ে থাকেন স্প্যানিশরা। নতুন বছরে উন্নতি হবে এমন আশায় নির্দিষ্ট-সংখ্যক আঙুর খাওয়ার রীতি পালন করে থাকেন তারা। ১৯০৯ সাল থেকে দেশটির আলিকান্তে শহরের ওয়াইন প্রস্তুতকারীরা ব্যতিক্রমী এই রীতি চালু করেন। যা এখনো প্রচলিত রয়েছে দেশটিতে। এসআর/এমকে
অন্তর্বাসের রঙে বর্ষবরণ করে যে দেশ
ফ্রান্সে নতুন বছরের উদযাপন ঠেকাতে এক লাখ পুলিশ মোতায়েন
করোনাভাইরাসে নাকাল ফ্রান্স এবার বছরের শেষরাতে মানুষজনকে পার্টি করা ঠেকাতে এবং কারফিউ কার্যকর করতে এক লাখ পুলিশ ও সামরিক পুলিশ মোতায়েন করেছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশটির বিভিন্ন শহরে রাত্রিকালীন কারফিউ বলবৎ রয়েছে। খবর বিবিসির। এছাড়া গাড়িতে যাতে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা না ঘটে সেজন্যও বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। দেশটির বছরের শেষ রাতে সাধারণত গাড়িতে আগুন দেয়ার মতো ঘটনা ঘটে থাকে। ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত ২৬ লাখ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, যা আক্রান্তের দিকে দিয়ে বিশ্বে পঞ্চম। এসময় দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৬৪ হাজারের বেশি মানুষের। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ইউরোপের অধিকাংশ দেশই অনেকটা নিরিবিলিভাবে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়ার উদযাপন করছে। এমন সাদামাটা উদযাপনের তালিকায় রয়েছে ফ্রান্সও। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন সিটি সেন্টারগুলোতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দৃশ্যমান উপস্থিতির নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় রাত ৮টা থেকে থেকেই তাদের সেখানে থাকতে বলা হয়েছে। এসময় রাত্রিকালীন কারফিউ শুরু হয়। সন্ধ্যা থেকে প্যারিসের মেট্রো লাইনের অর্ধেক বন্ধ করে দেয়া হবে। এছাড়া দেশজুড়েও গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন ডারমানিন। এদিকে করোনার নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ার পরও এখনও স্থানীয় পর্যায়ে লকডাউনের প্রয়োজনীয়তা নেই বলে জানিয়েছেন সরকারের একজন মুখপাত্র। এর আগে ফ্রান্সে দুটি জাতীয় লকডাউন দেয়া হয়েছিল। এ
ফ্রান্সে নতুন বছরের উদযাপন ঠেকাতে এক লাখ পুলিশ মোতায়েন
তুরস্কে বিপুল মজুদের স্বর্ণখনির সন্ধান
তুরস্ক ৯৯ টন স্বর্ণ মজুদ থাকা একটি খনির সন্ধান পেয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৬০০ কোটি ডলার, যা কোনও কোনও দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়েও বেশি। দেশটির বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, সার উৎপাদনকারী একটি কোম্পানি গুবেরতাস এবং এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট কোঅপারেটিভসের প্রধান ফাহরেত্তিন পয়রাজ যৌথভাবে এই স্বর্ণখনির সন্ধান পেয়েছে। স্বর্ণখনি খুঁজে পাওয়ার পর তুরস্কের স্টক এক্সচেঞ্জ বরসা ইস্তাম্বুলে গুবেরতাসের শেয়ার দাম ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে। পয়রাজ আনাদোলুকে বলেছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে খনিটি থেকে স্বর্ণ তোলা শুরু হবে। এর আগে স্বর্ণ উত্তোলনেও রেকর্ড গড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি ও প্রাকৃতিক সম্পদমন্ত্রী ফেইথ ডনমেজ। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও বছর শেষে স্বর্ণের উৎপাদন ৪৪ টন লক্ষ্যমাত্রার পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে তুরস্ক। ডনমেজ আরও বলেন, আমরা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে স্বর্ণের উৎপাদন ১০০ টন করতে চাই, ইনশাআল্লাহ। এদিকে তুরস্কের স্বর্ণখনি এসোসিয়েশন জানিয়েছে, ২০১৯ সালে দেশটিতে ৩৮ টন স্বর্ণ উৎপাদিত হয়েছে। তুরস্কের অন্যতম বড় ব্যবসা হচ্ছে স্বর্ণ। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এই ধাতুটি। মুদ্রার মান পতন এবং মূল্যস্ফীতিসহ বিভিন্ন কারণে বিকল্প মুদ্রা হিসেবে স্থান করে নেয় স্বর্ণ। এ
তুরস্কে বিপুল মজুদের স্বর্ণখনির সন্ধান
ফ্রান্সে মুসলিমদের মূল্যবোধ রক্ষায় কাজ করছে তুরস্ক
ফ্রান্স যখন মুসলমানদের লক্ষ্য করে একটি বিল অনুমোদনের এবং তাদের স্বাধীনতার উপর একাধিক বিধিনিষেধ আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন তুর্কি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় মূল্যবোধ রক্ষায় তৎপর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টার্কিশ-ইসলামিক ইউনিয়ন ফর ধর্ম রেলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স (ডিআইটিআইবি)। এমন এক সময় তারা এই তৎপরতা চালাচ্ছে যখন মুসলিম প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর চাপ বাড়ছে। খবর ডেইলি সাবাহ’র। রাজধানী প্যারিস, বোর্দো, লিঁও, স্ট্র্যাসবুর্গ এবং লিমোজেসসহ তুরস্কের বিশাল জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত অঞ্চল এবং প্রদেশগুলোতে ডিআইটিআইবি তার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছে। নিজেদের তৈরি করা সমিতি এবং মসজিদের মাধ্যমে তারা সামাজিক, ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক কাজগুলো সম্পাদন করছে। তুরস্ক থেকে আসা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পাশাপাশি ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠাদের ধর্মীয় কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সংরক্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করছে ডিআইটিআইবি। ফ্রান্স এই বিলটি অনুমোদনের আগে থেকেই এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছিল। ২০২০ সালে ফ্রান্স মুসলিম সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আরও একটি বিতর্কে জড়িয়েছে। এই ইস্যুটি দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগজনক হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং ফ্রান্সের ইতিহাসে একটি দাগ কেটে গেছে। তারা তাদের উপনিবেশ বিশেষ করে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকার স্বাধীনতার সংগ্রামের এসব দেশ থেকে ফ্রান্সে পাড়ি জমানোদের ব্যাপারে উত্সাহ দেয় না। গত অক্টোবরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক ঘোষণায় বলেন, তার দেশ ‘ইসলামিস্ট সেপারেটিজমের’ বিরুদ্ধে লড়াই করবে। এসময় যাতে ‘মুসলিমরা স্টিগমার’ শিকার না সেটাও নিশ্চিত করার কথা বলেছেন। কিন্তু এরপরই মূলত মুসলিম বিরোধী অভিযান শুরু করে দেশটি। বন্ধ করে দেয়া হয় কালেক্টিভ অ্যাগেনেস্ট ইসলামোফোবিয়া ইন ফ্রান্স (সিসিআইএফ) নামের একটি প্রতিষ্ঠানসহ বহু সংস্থা। এ
ফ্রান্সে মুসলিমদের মূল্যবোধ রক্ষায় কাজ করছে তুরস্ক
জার্মান কর্মকর্তাদের ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা
জার্মানির শীর্ষ পর্যায়ের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেছে রাশিয়ার সরকার। এই নির্দেশের কারণে জার্মানির এসব কর্মকর্তা রাশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। জার্মানির পক্ষ থেকে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞামূলক পদক্ষেপ নেয়ার কারণে মস্কো এই ব্যবস্থা নিয়েছে। রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে বিষ প্রয়োগ এবং জার্মানির ওপর সাইবার হামলার অভিযোগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বার্লিন। এরপরই পাল্টা পদক্ষেপ নেয় মস্কো। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেছে, মস্কো এ ধরনের জবাব দেয়ার অধিকার রাখে এবং জার্মানি যদি ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপ অব্যাহত রাখে তাহলে রাশিয়াও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জার্মানির ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের কারণে রাশিয়া জার্মান নাগরিকদের কালো তালিকাভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছে এবং রাশিয়ার অভ্যন্তরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জার্মানির যেসব কর্মকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে তারা দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অংশ। জার্মানির জাতীয় সংসদে ২০১৫ সালে মস্কো সাইবার হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ এনে বার্লিন সম্প্রতি রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ
জার্মান কর্মকর্তাদের ওপর রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা
আরও পড়ুন
খাগড়াছড়ির রিসাং ঝর্ণায় পানিতে ডুবে দুই পর্যটকের মৃত্যু
এশিয়ার শীর্ষ ধনী হলেন পানি ব্যবসায়ী
চুয়াডাঙ্গায়  সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
আরও বড় মহামারি আসতে পারে: ডব্লিউএইচও