ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মুসলমানদের নিরাপত্তায় নতুন পদক্ষেপ নিলো ইউরোপের এক দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:২৬ পিএম
ফাইল ছবি

মুসলমানদের নিরাপত্তায় এবার নতুন এক পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপের দেশ নরওয়ে। ইসলামভীতি ও মুসলিমবিরোধী ঘৃণা-অপরাধ প্রতিরোধে একটি জাতীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) দ্য ইসলামিক ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, নরওয়ের রাজধানী ওসলোতে অনুষ্ঠিত ‘স্টপ ইসলামোফোবিয়া’ সম্মেলনে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করা হয় গত রোববার (১৯ অক্টোবর)।

নতুন এই ডিজিটাল পোর্টালের মাধ্যমে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা বা বৈষম্যমূলক ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করা হবে, যা থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ডাটাবেস তৈরি করা হবে। এর লক্ষ্য হলো, ইসলামভীতি প্রতিরোধে প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত করা।

সম্মেলনের আয়োজন করে ইসলামিক ডায়ালগ নেটওয়ার্ক, যেখানে নরওয়ের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ইমাম, গবেষক, রাজনীতিক, তরুণ নেতা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

ওসলোর মেয়র অ্যান লিন্ডবোয়ে প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ভাষণে তিনি বলেন, একটি ন্যায্য ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ঘৃণা ও বৈষম্য মোকাবিলায় ধর্মীয় সংগঠন, নাগরিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারি সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো সময়ের দাবি।

আরও পড়ুন

ইসলামিক ডায়ালগ নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইসলামভীতি কেবল একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমস্যা নয়, এটি গোটা সমাজের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও পারস্পরিক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষেত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুসলিমদের নিয়ে নেতিবাচক ধারণা ও গৎবাঁধা চিন্তাভাবনা ভয় ও বিভাজনকে আরও গভীর করছে।

সংগঠনটি জানায়, নতুন এই প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে ইসলামভীতির বিরুদ্ধে জাতীয় পর্যায়ে নতুন করে এক অঙ্গীকারের সূচনা হলো। ঘৃণাবাদ মোকাবিলায় শিক্ষা, সংলাপ ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হবে। আগামীতে মসজিদ, সরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজ সংগঠনের কার্যক্রমেও সহযোগিতা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ধর্মীয় বৈষম্য মোকাবিলায় একটি প্রমাণনির্ভর ও সমন্বিত জাতীয় কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে নরওয়ের নতুন এই উদ্যোগকে, যা দেশটির সামাজিক সম্প্রীতি ও ন্যায়বিচারের সংস্কৃতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূর্ণাঙ্গ আক্রমণে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না সুইজারল্যান্ড: সেনাপ্রধান
সুইজারল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান টমাস সুয়েসলি বলেছেন, সুইজারল্যান্ড পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের মুখে পরে, তবে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না। তাই রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির কারণে সামরিক ব্যয় বাড়াতে হবে।   লন্ডনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানায়, সুইস এনজেডজেড সংবাদপত্রকে টমাস সুয়েসলি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিহতে প্রস্তুত থাকলে সামরিক বাহিনী এখনো বড় ধরণের সরঞ্জাম ঘাটতির মুখোমুখি। তিনি আরও বলেন, আমরা যা করতে পারি না তা হলো, দূর থেকে আসা হুমকি বা এমনকি আমাদের দেশের ওপর পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা করা। এটা জানা কষ্টকর যে, প্রকৃত জরুরি পরিস্থিতিতে সমস্ত সৈন্যের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ সম্পূর্ণরূপে সজ্জিত থাকতে পারবে থাকবে (সরঞ্জাম ঘাটতির কারণে)।  রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইজারল্যান্ড সম্প্রতি প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধি করছে- আর্টিলারি এবং স্থলব্যবস্থা আধুনিকীকরণ করছে। পুরনো যুদ্ধবিমানগুলোকে এফ-৩৬এ যুদ্ধবিমান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। কিন্তু পরিকল্পনাটি ব্যয় বৃদ্ধি করে দিচ্ছে। সমালোচকরা কঠোর ফেডারেল অর্থায়নের মধ্যে কামান এবং যুদ্ধাস্ত্রের ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সুয়েসলি বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং ইউরোপকে অস্থিতিশীল করার রাশিয়ার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও সামরিক বাহিনীর প্রতি মনোভাব পরিবর্তিত হয়নি। তিনি সংঘাত থেকে সুইজারল্যান্ডের দূরত্ব, সাম্প্রতিক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার অভাব এবং ‘নিরপেক্ষতা সুরক্ষা প্রদান করে’- এমন ভ্রান্ত বিশ্বাসকে দায়ী করেন। আরটিভি/কেএইচ
পূর্ণাঙ্গ আক্রমণে নিজেকে রক্ষা করতে পারবে না সুইজারল্যান্ড: সেনাপ্রধান
গ্রিস উপকূল থেকে ৫২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার
ইউরোপের উন্নত জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্র পাড়ি দিতে গিয়ে আবারও ট্র্যাজেডির মুখে পড়েছেন এক দল অভিবাসনপ্রত্যাশী। গ্রিসের ফার্মাকোনিসি দ্বীপের অদূরে ৫২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হলেও এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে একটি শিশু। বৃহস্পতিবার(২৫ ডিসেম্বর) উত্তাল সমুদ্রে ওই শিশুটির সন্ধানে বড় ধরনের তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে গ্রিক কোস্টগার্ড। খবর আল আরাবিয়ার।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এএনএ নিউজ জানিয়েছে, জনমানবহীন ক্ষুদ্র দ্বীপ ফার্মাকোনিসিতে ১৩ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী পৌঁছাতে সক্ষম হন। তবে সেখানে পৌঁছানোর পরই দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের সঙ্গে থাকা এক কিশোর মাঝ সমুদ্রে নিখোঁজ হয়েছে। তুরস্কের উপকূলের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত এই দ্বীপটির চারপাশে এখন কোস্টগার্ডের দুটি জাহাজ এবং বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার শিশুটির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। আরও পড়ুন গ্রিসের উপকূলে ভাসমান নৌকায় মিলল ১৭ অভিবাসীর মরদেহ অন্যদিকে দক্ষিণ গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে একটি রাবার বোট থেকে আরও ৩৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে কর্তৃপক্ষ। তাদের উদ্ধার করে নিরাপদে ক্রিটের কালোই লিমেনেস গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।  উল্লেখ্য, উন্নত জীবনের খোঁজে লিবিয়া বা তুরস্ক থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ এই মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দেন। চলতি মাসের শুরুতেই ক্রিট উপকূলে ভাসমান একটি নৌকা থেকে ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, যেখানে নিখোঁজ ছিলেন আরও ১৫ জন। লিবিয়ার তবরুক বন্দর থেকে রওনা হওয়া ওই নৌকার যাত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন সুদান ও মিশরের নাগরিক।  জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৭৭০ জনেরও বেশি আশ্রয়প্রার্থী ক্রিট দ্বীপে পৌঁছেছেন, যা এজিয়ান সাগরের অন্য যেকোনো দ্বীপের তুলনায় অনেক বেশি। আরটিভি/এআর 
গ্রিস উপকূল থেকে ৫২ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার
তুরস্কে কৃষি জমিতে বাড়ছে রহস্যময় সিঙ্কহোল, ঘটনা কী
তুরস্কের  মধ্যাঞ্চলের দিগন্তজোড়া ফসলি মাঠ এখন যেন কোনো এক অপার্থিব যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত রণক্ষেত্র। সেখানে শান্ত মাটির বুক চিরে হঠাৎ করেই জেগে উঠছে দানবীয় সব গহ্বর বা সিঙ্কহোল। কোথাও গভীর অতল খাদের মতো, আবার কোথাও ফসলি জমির মাঝখানে বিশালাকার গর্ত। প্রকৃতির এই রহস্যময় আচরণ স্থানীয় কৃষক ও পরিবেশবিদদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের এক ভয়াবহ সংকেত হয়ে দাঁড়িয়েছে। খবর রয়টার্সের।   কোনিয়া প্রদেশের কারাপিনার অঞ্চলে এখন মাইজ, গম আর চিনি বিটের ক্ষেতে পা ফেলার আগে শতবার ভাবছেন কৃষকরা। পাহাড়ি এলাকায় যেসব প্রাচীন সিঙ্কহোল একসময় টলটলে পানিতে ভরা থাকত, আজ সেগুলো ধূ ধূ মরুভূমি। কোনিয়া টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ফেতুল্লাহ আরিক জানান, এই অববাহিকায় সিঙ্কহোলের সংখ্যা এখন ৭০০ এর কাছাকাছি। আরও পড়ুন তুরস্কের পার্লামেন্টে এমপিদের মধ্যে তুমুল মারামারি অধ্যাপক আরিকের মতে, ২০০০ সালের পর থেকে বিশ্বজুড়ে যে খরা ও জলবায়ু পরিবর্তন শুরু হয়েছে, তারই চরম মূল্য দিচ্ছে এই অঞ্চল। তিনি বলেন, “বৃষ্টির অভাব আর তীব্র খরার কারণে প্রতি বছর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নেমে যাচ্ছে।” আগে যেখানে প্রতি বছর পানির স্তর মাত্র আধা মিটার নামত, এখন তা ৪ থেকে ৫ মিটারে গিয়ে ঠেকেছে। পানির এই তীব্র সংকট মেটাতে কৃষকরা বাধ্য হয়ে হাজার হাজার অবৈধ গভীর নলকূপ খুঁড়ছেন। বর্তমানে এই অববাহিকায় মাত্র ৪০ হাজার বৈধ কূপের বিপরীতে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার অবৈধ নলকূপ রয়েছে। পানির এই অতিরিক্ত উত্তোলন মাটির ভেতরের ভারসাম্য নষ্ট করে বিশাল গহ্বর তৈরির পথ প্রশস্ত করছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই গহ্বরগুলো কোনো প্রাণহানি ঘটায়নি, তবে এদের হঠাৎ আবির্ভাব বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পদকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।  কারাপিনারের কৃষক মুস্তাফা সিকের ফসলি জমিতে গত দুই বছরে দুটি বিশাল সিঙ্কহোল তৈরি হয়েছে। মুস্তাফা জানান, ২০২৪ সালের আগস্টে যখন দ্বিতীয় গহ্বরটি তৈরি হয়, তখন কাছেই কাজ করছিলেন তার ভাই। হঠাৎ এক বিকট গগনবিদারী শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো মাঠ, যেন মাটি নিজেই কিছু গিলে খাওয়ার জন্য মুখ হা করেছে। ভূতাত্ত্বিক জরিপে দেখা গেছে, মুস্তাফার জমিতে আরও দুটি স্থান সিঙ্কহোল তৈরির অপেক্ষায় রয়েছে। তবে মাটির নিচের এই মরণফাঁদ ঠিক কখন উন্মুক্ত হবে, তা পৃথিবীর কোনো বিজ্ঞানের পক্ষেই আগে থেকে বলা সম্ভব নয়।  তুরস্কের এই সবুজ ভূখণ্ড এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে আছে, যেখানে পায়ের নিচের মাটিই হয়ে উঠছে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক। আরটিভি/এআর 
তুরস্কে কৃষি জমিতে বাড়ছে রহস্যময় সিঙ্কহোল, ঘটনা কী
তুরস্কের পার্লামেন্টে এমপিদের মধ্যে তুমুল মারামারি
তুরস্কের জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের শেষ দিনে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গত রোববার (২১ ডিসেম্বর) রাতে বাজেট আলোচনা চলাকালীন ক্ষমতাসীন একে পার্টি এবং প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি-র এমপিরা একে অপরের ওপর চড়াও হন। প্রায় ১০ মিনিট ধরে চলা এই ধস্তাধস্তি ও মারামারির জেরে এক পর্যায়ে অধিবেশন স্থগিত করতে বাধ্য হন স্পিকার নুমান কুরতুলমুশ। খবর আলজাজিরার।  তুর্কি টুডে’র খবর অনুযায়ী, বিতর্কের সূত্রপাত হয় একে পার্টির এমপি মুস্তাফা ভারাঙ্কের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি বিরোধী দলীয় চেয়ারম্যান ওজগুর ওজেলকে লক্ষ্য করে কটাক্ষ করেন যে, সিএইচপি পরিচালিত শহরের কৃষকরা আজও তাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিনামূল্যের ট্রাক্টরের অপেক্ষায় আছে। এর জবাবে বিরোধী দল থেকে সরকারকে ‘রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ির তলানিতে’ থাকা দল হিসেবে অভিহিত করলে উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। মুহূর্তেই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ধাক্কাধাক্কি ও সরাসরি ঘুষাঘুষিতে রূপ নেয়। আরও পড়ুন তুরস্কে লরির সঙ্গে বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষ, নিহত কমপক্ষে ৭ সংসদের কেন্দ্রীয় চেম্বারে উভয় দলের একাধিক এমপি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের দমনে হিমশিম খান। বিরতির সময়ও ধস্তাধস্তি অব্যাহত ছিল বলে জানা গেছে। তবে এই রণক্ষেত্রের মতো পরিস্থিতির মাঝেও শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটি সম্পন্ন হয়। বিশৃঙ্খলা সত্ত্বেও ৩২০-২৪৯ ভোটে ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট আইন এবং ৩১৬-২৪৭ ভোটে ২০২৪ সালের চূড়ান্ত হিসাব আইন অনুমোদিত হয়েছে। তুরস্কের সংসদে এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন বিতর্কিত ইস্যু ও নেতাদের কারাদণ্ড দেওয়া নিয়ে দেশটির আইনপ্রণেতারা হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন। তবে বাজেট অধিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এমন দৃশ্য বিশ্ব গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তুরস্কের পার্লামেন্টে এমপিদের মধ্যে তুমুল মারামারি
পুতিনের লাইভ ভাষণে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব সাংবাদিকের, অতঃপর...
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বার্ষিক লাইভ টেলিভিশন ভাষণ চলাকালে ঘটে গেল এক অভাবনীয় ও রোমান্টিক ঘটনা। ইউক্রেন যুদ্ধ আর বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনার মাঝেই সরাসরি সম্প্রচারে নিজের প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন এক রুশ সাংবাদিক। ‘পুতিনস টিভি ম্যারাথন’ নামে পরিচিত এই অনুষ্ঠানে এমন নাটকীয় ঘটনা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে স্থানীয় সাংবাদিক কিরিল বাজানভ লাল রঙের বো-টাই পরে হাতে একটি পোস্টার নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন। সেই পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল— ‘আমি বিয়ে করতে চাই’। বিষয়টি খোদ প্রেসিডেন্টের নজরে এলে পুতিন নিজেই তাকে কথা বলার সুযোগ দেন। সবাই ভেবেছিলেন তিনি হয়তো জনগুরুত্বপূর্ণ কোনো প্রশ্ন করবেন, কিন্তু বাজানভ মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সবাইকে চমকে দেন। আরও পড়ুন এবার ইউক্রেনকে কড়া হুঁশিয়ারি রমজান কাদিরভের বাজানভ সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বলেন, তার বান্ধবী ওলেচকাও এই অনুষ্ঠানটি টেলিভিশনে দেখছেন। এরপর আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘ওলেচকা, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?’ মুহূর্তেই পুরো সম্মেলনকক্ষ সাংবাদিকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। তবে মজার ব্যাপার হলো, প্রস্তাব দেওয়ার পর বাজানভ আবার পেশাদার সাংবাদিকের ভূমিকায় ফিরে যান এবং রাশিয়ায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে পুতিনকে প্রশ্ন করেন। প্রেমিকার উত্তর পেতে বাজানভকে প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় উৎকণ্ঠায় কাটাতে হয়। পরে অনুষ্ঠানের সঞ্চালকেরা নিশ্চিত করেন যে, ওলেচকা প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন। এই খবর শোনার পর পুতিন মজা করে বলেন, নতুন দম্পতির বিয়ের খরচ জোগাতে একটি তহবিল গঠন করা যেতে পারে। যদিও বাজানভ পুতিনকে বিয়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন, তবে প্রেসিডেন্ট তাতে সরাসরি সাড়া না দিলেও নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। আরটিভি/এআর
পুতিনের লাইভ ভাষণে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব সাংবাদিকের, অতঃপর...
আরও পড়ুন
ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে সারাবছর উদ্বেগে ছিল তরুণরা
খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা
এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
নয়াপল্টনে যাচ্ছেন তারেক রহমান, কড়া নিরাপত্তা