ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মদ্যপানের প্রবণতা বাড়ছে কেন ভারতে

ডয়চে ভেলে

প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৪৬ এএম
প্রতীকী ছবি

ভারতে ক্রমশ বাড়ছে মদ্যপানের প্রবণতা। যদিও বিশ্বজুড়ে এই ট্রেন্ড বিপরীতমুখী বলে দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ব্লুমবার্গ সম্প্রতি একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এই রিপোর্টে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে মদ্যপানের প্রবণতা সম্পর্কে একটা ছবি উঠে এসেছে।

ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশ অতীতে মদ বিক্রির নিরিখে উন্নত দেশগুলির তুলনায় পিছিয়ে ছিল। কিন্তু এখন ইউরোপ ও আমেরিকার তুলনায় এদেশে বেশি মদ বিক্রি হচ্ছে। সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মাথাপিছু মদ্যপানের হার বাড়ছে। ২০০৫ সালে সারা বছরে ভারতীয়রা গড়ে প্রায় আড়াই লিটার মদ খেতেন। এক দশক পরে, ২০১৬ সালে এই পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৫.৭ লিটারে। এই বৃদ্ধির হার যদি ভবিষ্যতে একই থাকে, তাহলে ২০৩০ সালে ভারতে মাথাপিছু বার্ষিক মদ্যপানের গড় পরিমাণ হবে ৬.৭ লিটার। ভারতে মদ ও এই জাতীয় সামগ্রীর বাজার ফুলেফেঁপে উঠেছে। আর্থিক অংকে পাঁচ লক্ষ কোটি টাকার বাজার।

এটা থেকেই স্পষ্ট, এদেশে মদের চাহিদা ও মদ্যপানের প্রবণতা বাড়ছে। এর ফলে মদ ব্যবসায় যুক্ত শীর্ষস্থানীয় সংস্থাগুলির শেয়ারের দাম বেড়েছে তড়তড় করে। ভারতীয় সমাজে অতীতে মদ্যপান সীমাবদ্ধ ছিল। মূলত অর্থবান মানুষরাই উচ্চমূল্যের বিদেশি মদ কিনতে পারতেন। একেবারে দরিদ্রদের জন্য ছিল সস্তার দেশি মদ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ ও নিম্ন মধ্যবিত্ত ক্রমশ মদ্যপানের অভ্যাস গড়ে তোলায় ব্যবসা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। শুধু আর্থিক সামর্থ্যের নিরিখে নয়, মদ্যপানের ক্ষেত্রে বয়সের বেড়াজাল ভেঙে গিয়েছে। ক্রমশ তরুণরা মদের প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছেন। ভারতে সদ্য তরুণ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা এখন মদের মূল ক্রেতা। চাহিদা কমছে বিশ্বে গত কয়েক বছর ধরে ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলিতে মদের চাহিদা কমছে, এমনটাই দাবি করা হয়েছে ব্লুমবার্গের রিপোর্টে। গত চার বছরে বিশ্বের অগ্রণী সংস্থাগুলির মদ বিক্রির পরিমাণ কমে গিয়েছে। এর ফলে এদের ব্যবসা ধাক্কা খেয়েছে, কমে গিয়েছে শেয়ারের দাম।

সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ৫০টি মদ কোম্পানির শেয়ারের দাম ২০২১ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। চাহিদা কমে যাওয়ার ফলে বিক্রি কমে গিয়েছে। অনেক বেশি ঋণের বোঝা চেপে বসেছে মদ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির উপরে। এই লোকসান সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে তারা।

এর পিছনে রয়েছে স্বাস্থ্য সচেতনতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অতিরিক্ত মদ্যপান নিয়ে আগেই সতর্কবার্তা দিয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মদ্যপানের কুফল নিয়ে মানুষকে সজাগ করছেন। ক্রমশ বাড়তে থাকা লাইফস্টাইল ব্যাধি সম্পর্কে সচেতন থাকতে বলছেন। এর ফলে শুধু মধ্যবয়সী বা প্রৌঢ়রা নন, তরুণ প্রজন্ম মদ খাওয়ার দিকে ঝুঁকছে না। এই পরিস্থিতিতে লোকসান সামাল দিতে একাধিক সংস্থা অ্যালকোহল মুক্ত পানীয় বাজারে ছেড়েছে। এতে মদের স্বাদ পাওয়া যাবে, কিন্তু অ্যালকোহলজনিত শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। ভারতের বাজারেও এ ধরনের পানীয় বিক্রি হচ্ছে।

আবগারি বিভাগের সূত্র অনুযায়ী ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে রাজ্যে ২২ হাজার কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে এই অংক ছিল ১৮ হাজার কোটি টাকা। গত এক দশকে মদ্যপানের প্রবণতা অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে, এটা বোঝা যাচ্ছে বিক্রি দেখে। ২০১৪-১৫ সালে মদ বিক্রি থেকে রাজ্য সরকার সাড়ে তিন হাজার হাজার কোটির কিছু বেশি রাজস্ব পেয়েছিল। ২০২২ ২৩ অর্থবর্ষে এই অংক গিয়ে পৌঁছেছেন ১৬ হাজার কোটিতে। প্রতি বছর উৎসবের মরশুমে মদের বিক্রি বেড়ে যায়। ৩১ ডিসেম্বর ও পয়লা জানুয়ারি বিপুল চাহিদা থাকে। একই ছবি দেখা যায় দুর্গাপুজোর কয়েকটি দিনে।

শুধু কলকাতায় নয়, পশ্চিমবঙ্গের জেলায় জেলায় উৎসব উপলক্ষে বিপুল পরিমাণ মদ বিক্রি হয়। এই তালিকার শীর্ষে ছিল পূর্ব মেদিনীপুর। কেন্দ্রীয়স্বাস্থ্য মন্ত্রকের জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় অন্যান্য রাজ্যে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষ মদ্যপান করেন।

গত জানুয়ারিতে রাজ্যসভায় দেয়া প্রশ্নের জবাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের মন্ত্রী জানান, ২০১৯-২১ সালের পঞ্চম তথা সর্বশেষ সমীক্ষা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মদ্যপান করেন ২৫.৭ শতাংশ পুরুষ। এই তালিকায় শীর্ষে গোয়া, প্রায় ৬০ শতাংশ পুরুষ সুরাপান করেন। অরুণাচল প্রদেশে ৫৬, তেলেঙ্গানায় ৫০, মণিপুরে ৪৮, ঝাড়খণ্ডে ৪০ শতাংশ পুরুষ মদ্যপান করেন। কিন্তু পাশের রাজ্য বিহারে মদে নিষেধাজ্ঞা থাকায় সেখানে মাত্র ১৭ শতাংশ পুরুষের মদ্যপানের কথা উঠে এসেছে জাতীয় সমীক্ষায়। দেশের সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশে এই হার ১৭ শতাংশের নীচে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমীক্ষার পরে পরিস্থিতি বদলেছে, মদ্যপানের প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন মদ্যপানের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা জনস্বাস্থ্য ও সমাজে কী প্রভাব ফেলছে, সেটা বিশ্লেষণ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

মনো সমাজকর্মী মোহিত রণদীপ বলেন, আমাদের এখানে কখনোই হাই রিস্ক বিহেভিয়ার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা হয় না। শিক্ষাতে কোথাও সেই কারিকুলাম তৈরি করা হয়নি। মদ্যপানকে ট্যাবু হিসেবে দেখা হয়। ট্যাবু হিসেবে দেখার বদলে যদি স্বাস্থ্যে এর ঝুঁকির দিকটা দেখা হত, তাহলে মানুষ অনেক বেশি সচেতন করা যেতে পারত। এ জন্য দরকার খোলামেলা, বিজ্ঞানমনস্ক আলোচনা। ছোট থেকেই পড়ুয়াদের এ সম্পর্কে সচেতন করা দরকার।

তিনি বলেন, মদ্যপান একটা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে গিয়েছে। এখন সরকার মদ্যপানকে উৎসাহিত করছে নানাভাবে রাজস্ব আদায়ের জন্য। উৎসবের উদযাপন এখন মদ্যপান করেই হয়। আইনের তোয়াক্কা না করে কম বয়সীরা মদ্যপান করছেন। তার কারণ, এ বিষয়ে কোনো নজরদারি নেই। যে আইন আছে, মদ আটকাতে সে আইন প্রয়োগ হয় না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা সুবর্ণ গোস্বামী বলেন, মদ্যপানের ঝোঁক বেড়ে যাওয়ার ফলে আমাদের দেশে ফ্যাটি লিভার, সিরোসিস অফ লিভার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে লিভার ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যাও। মদ খেলে ওজন বাড়ে, তাতে হৃদযন্ত্রের সমস্যা বাড়তে পারে। এছাড়া একাধিক অসংক্রামক রোগ আছে, যে ক্ষেত্রে রিস্ক ফ্যাক্টর মদ্যপান। এখন স্কুল কলেজের ছেলেমেয়েদের মধ্যে মদ্যপানের ঝোঁক বাড়ছে। এর ফলে ৩০ বছরের নীচে অনেকে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হার্টের সমস্যা নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন।

তার মতে, আমাদের দেশের শীতপ্রধান যেসব এলাকা আছে, সেখানে মদ্যপানের প্রবণতা বেশি ছিল। কিন্তু অধিকাংশ এলাকা গ্রীষ্মপ্রধান, সেখানেও এই প্রবণতা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করছে। সরকার এটাকে রাজস্ব সংগ্রহের পথ হিসেবে দেখছে, মদকে সহজলভ্য করে তোলা হচ্ছে। এতে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিদ্যা বিভাগের প্রধান সুহৃতা সাহা বলেন, পাশ্চাত্যের অনুকরণে যে আধুনিকীকরণ হয়েছে, তাতে সমস্যা রয়েছে। সিগারেট বা মদ্যপানের কুফল ইউরোপের মানুষরা বুঝতে পেরে ছেড়ে দিচ্ছেন। কিন্তু একই সময়ে আমাদের দেশে মেয়েদের সিগারেট খাওয়া বাড়ছে। যেটা পাশ্চাত্যে ছিল, সেটা এখন আমাদের দেশে এসেছে। নেশার সামগ্রী একইসঙ্গে রাজস্বের উৎস। স্বাধীন সমাজের দোহাই দিয়ে এই ব্যবসা চলতে থাকে। রাষ্ট্রের প্রচ্ছন্ন মদত থাকে এগুলি বিক্রি করায়।
পশ্চিমবঙ্গে বিপুল আয় মদ বিক্রি করে। ১৮ এর বেশি বয়স হলে কেউ অনলাইনে মদ কিনতে পারেন। আগে একটা রাখঢাক ছিল, এত সহজে মদ পাওয়া যেত না। এখন সহজেই কেনা যায়।

তার বক্তব্য, মানুষের হাতে টাকা বেড়েছে। এর ফলে লাইফস্টাইলে পরিবর্তন এসেছে। ক্লাব, পাব, ডিস্কোতে যাওয়া উঁচু দরের রুচি হিসেবে ধরা হয়। মধ্যবিত্তরা উচ্চবিত্তদের অনুকরণ করছেন। ঠিক যে ভাবে আমরা সাহেবদের অনুকরণ করছি একটা দেশ হিসেবে, মহিলারা পুরুষদের করছেন, এ ভাবে বৃত্তটা সম্পূর্ণ হচ্ছে। শরীরে কী প্রভাব পড়ছে, সেটা সাহেবরা দীর্ঘ সময়ে বুঝতে পেরেছেন। ওরা নেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। আমাদের সেই পর্যায়ে যেতে সময় লাগবে।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চলন্ত গাড়িতে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ছুড়ে ফেলা হলো রাস্তায়
ভারতে নারী নিরাপত্তার কঙ্কালসার রূপটি আবারও উন্মোচিত হলো হরিয়ানার ফরিদাবাদে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে এক ২৮ বছর বয়সী নারীকে চলন্ত গাড়িতে তুলে নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেছে দুই যুবক। পৈশাচিক এই নির্যাতনের পর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে চলন্ত গাড়ি থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। বর্বরোচিত এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। খবর এনডিটিভির।  পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী রাতে বাড়ি ফেরার জন্য যানবাহনের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় দুই যুবক তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একটি ভ্যানগাড়িতে তোলে। কিন্তু গাড়িটি গন্তব্যে না গিয়ে গুরগাঁও সড়কের নির্জন পথে চলতে শুরু করে। চলন্ত গাড়ির ভেতর আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে পাশবিক নির্যাতন। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। আরও পড়ুন ‘হিন্দুরা ৩ সন্তান নিন, মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে’, আসামের মুখ্যমন্ত্রী রাত ৩টার দিকে ফরিদাবাদের এসজিএম নগরের কাছে চলন্ত গাড়ি থেকে তাকে ছুড়ে ফেলে দেয় অভিযুক্তরা। এতে ওই নারীর মুখ ও শরীরে গুরুতর আঘাত লাগে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। ওই অবস্থায় তিনি কোনোমতে তার বোনকে ফোন করলে পরিবারের সদস্যরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুরুতর জখম হওয়ায় তার মুখে ১০-১২টি সেলাই দিতে হয়েছে। শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তিনি প্রচণ্ড মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ওই নারী তিন সন্তানের জননী এবং পারিবারিক কলহের কারণে বর্তমানে স্বামীর থেকে আলাদা থাকছেন। ঘটনার রাতে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে এক বান্ধবীর বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন তিনি। পথে এই ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়েন তিনি। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুই যুবককে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের ব্যবহৃত গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। হরিয়ানা পুলিশ জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুত জবানবন্দি গ্রহণ ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর অভিযোগপত্র দাখিলের প্রস্তুতি চলছে। ভারতে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেও দেশটির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে। বিশেষ করে দিল্লির নির্ভয়া কাণ্ডের স্মৃতি মনে করিয়ে দেওয়া এই ঘটনাটি আবারও প্রমাণ করল যে, রাতের রাস্তায় নারীরা এখনো কতটা অসুরক্ষিত। আরটিভি/এআর 
চলন্ত গাড়িতে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ছুড়ে ফেলা হলো রাস্তায়
‘হিন্দুরা ৩ সন্তান নিন, মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে’, আসামের মুখ্যমন্ত্রী
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে এক বিস্ফোরক ও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তিনি হিন্দু দম্পতিদের কেবল একটি সন্তানে সীমাবদ্ধ না থেকে অন্তত দুই অথবা তিন সন্তান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যদিকে, সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি তার বার্তা হলো—তারা যেন সাত-আট সন্তান না নেয়। মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্য ভারতের ধর্মীয় ও সামাজিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে বিতর্কের আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। খবর এনডিটিভির।  মঙ্গলবার(৩০ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হিমন্ত শর্মা দাবি করেন, রাজ্যে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় জন্মহার অস্বাভাবিক বেশি, বিপরীতে হিন্দুদের মধ্যে এই হার আশঙ্কাজনকভাবে কমছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হিন্দুরা যদি সন্তান সংখ্যা না বাড়ায়, তবে ভবিষ্যতে তাদের ঘর ও সম্পদ দেখভাল করার মতো কেউ অবশিষ্ট থাকবে না। আসামের জনমিতি বা জনসংখ্যার ভারসাম্য দ্রুত বদলে যাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।  আরও পড়ুন নতুন বছরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ লাগতে পারে মুখ্যমন্ত্রী পরিসংখ্যান তুলে ধরে দাবি করেন, ২০২৭ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলমানদের জনসংখ্যা ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তিনি তার ছাত্র রাজনীতির সময়কার কথা উল্লেখ করে বলেন, এক সময় তাদের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ২১ শতাংশ, যা ২০১১ সালে ৩১ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। হিমন্ত শর্মার আশঙ্কা, অদূর ভবিষ্যতে ভূমিপুত্র অসমীয়াদের জনসংখ্যা ৩৫ শতাংশের নিচে নেমে যাবে এবং বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষের প্রভাব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির এই প্রবণতাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ওরা (বাংলাদেশ) প্রায়ই বলে উত্তর-পূর্ব ভারত আলাদা করে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হওয়া উচিত। এর জন্য যুদ্ধ করার দরকার নেই, জনসংখ্যা ৫০ শতাংশ পেরোলে তা আপনা-আপনি হয়ে যাবে।  হিমন্ত শর্মা তার বক্তব্যে বিরোধী দল কংগ্রেসকেও একহাত নেন। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেসের ভেতর থেকে মুসলমানদের জন্য ৪৮টি আসন সংরক্ষণের দাবি তোলা হচ্ছে এবং দলটির ‘ইকোসিস্টেম’ পুরোপুরি সংখ্যালঘু ভোটের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।  আরটিভি/এআর 
‘হিন্দুরা ৩ সন্তান নিন, মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে’, আসামের মুখ্যমন্ত্রী
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল বুধবার রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ এই নেতার অংশগ্রহণকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল ভারত নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের জন্য তার সংগ্রামের স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক সুসম্পর্কের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও মন্ত্রীরা তাকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকায় আসছেন। ইতোমধ্যেই তাদের আগমনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠেয় এই জানাজায় দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিশ্বমঞ্চে যে শোকের ছায়া নেমেছে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর তারই এক জোরালো প্রতিফলন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে প্রটোকল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।  বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
এবার ‘চীনা সন্দেহে’ ভারতে বিএসএফ সদস্যের ছেলেকে হত্যা
ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের রাজধানী দেহরাদুনে এবার ‘চীনা সন্দেহে’ হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ত্রিপুরার এক মেধাবী শিক্ষার্থী। গত ৯ ডিসেম্বর কেনাকাটা করতে গিয়ে একদল যুবকের বর্ণবিদ্বেষী গালিগালাজের প্রতিবাদ করায় নির্মমভাবে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করা হয় ২৪ বছর বয়সী অ্যাঞ্জেল চাকমাকে। টানা ১৪ দিন ভেন্টিলেটরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকার পর অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। মর্মান্তিক বিষয় হলো, নিহত অ্যাঞ্জেলের বাবা একজন বিএসএফ জওয়ান; যিনি সীমান্তে দেশের সুরক্ষায় নিয়োজিত। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।  নিহত অ্যাঞ্জেল চাকমা (২৪) দেহরাদুনের জিজ্ঞাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ এর শিক্ষার্থী ছিলেন।  আরও পড়ুন ভারতীয়দের বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও এগিয়ে সৌদি আরব শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) অ্যাঞ্জেলের মরদেহ তার নিজ শহর আগরতলায় আনা হলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে উত্তর-পূর্ব ভারতসহ পুরো দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। পরিবারের অভিযোগ, শুধুমাত্র চেহারার কারণে তাদের সন্তানদের ‘চীনা’ বলে অপমান করা হয়েছে এবং প্রতিবাদ করায় তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে একদল উগ্র যুবক। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অ্যাঞ্জেল তার ছোট ভাই মাইকেল দোজের সাথে স্থানীয় বাজারে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন যুবক তাদের গতিরোধ করে এবং ‘চীনা’ বলে গালিগালাজ শুরু করে। অ্যাঞ্জেল শান্তভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা চীনা নই, আমরা ভারতীয়। আমাদের ভারতীয়ত্ব প্রমাণ করার জন্য কি কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে হবে? এই তর্কের মাঝেই অভিযুক্তরা ধারালো ছুরি দিয়ে অ্যাঞ্জেলের ঘাড় ও মেরুদণ্ডে আঘাত করে। মাইকেলকেও গুরুতর জখম করা হয়।  এই ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে দুইজন নাবালক। তবে মূল অভিযুক্ত যজ্ঞ অবাস্থি এখনও পলাতক। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নেপালে পালিয়ে গেছেন। পুলিশ তার সন্ধান দিতে পারলে ২৫ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা ও সম্মিলিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর ত্রিপুরাসহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ছাত্র সংগঠনগুলো রাজপথে নেমে এসেছে। তারা জাতিগত ঘৃণামূলক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর জাতীয় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।  তিপ্রা মোথা পার্টির প্রধান প্রদ্যুৎ বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, উত্তর-পূর্বের মানুষ দেশের সীমান্ত রক্ষা করে, অথচ তাদেরই নিজ দেশে ‘চীনা’ বলে অপমানিত হতে হয়। এটি কেবল একটি পরিবারের ক্ষতি নয় বরং দেশের ঐক্যের ওপর বড় আঘাত। উল্লেখ্য, অ্যাঞ্জেল চাকমার এই হত্যাকাণ্ড সম্প্রতি ভারতে ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে শ্রমিকদের ওপর চলা নির্যাতনের বীভৎস স্মৃতিকে পুনরায় সামনে এনেছে। এর আগে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে স্রেফ সন্দেহের বশে অনেককে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ তকমা দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।   আরটিভি/এআর 
এবার ‘চীনা সন্দেহে’ ভারতে বিএসএফ সদস্যের ছেলেকে হত্যা
ভারতীয়দের বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও এগিয়ে সৌদি আরব
বিশ্বজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানের কথা বারবার আলোচনায় এলেও, ভারত সরকার প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্য এক চাঞ্চল্যকর চিত্র তুলে ধরেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র নয় বরং সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভিসা জালিয়াতি এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের কারণেই এই বহিষ্কারের ঘটনা বেশি ঘটেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। খবর এনডিটিভির।  রিয়াদের ভারতীয় মিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চার বছরে সৌদি আরব থেকে কয়েক হাজার ভারতীয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে। ২০২১ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ জন, ২০২২ সালে ১০ হাজার ২৭৭ জন, ২০২৩ সালে ১১ হাজার ৪৮৬ জন এবং ২০২৪ সালে ৯ হাজার ২০৬ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়। চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৯ জনে। মূলত ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া, কাজের অনুমতি ছাড়া চাকুরি করা এবং নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতো কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। আরও পড়ুন তাজমহল নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ভারতীয় মন্ত্রীর সৌদি আরবের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয়দের বহিষ্কারের হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। ওয়াশিংটন ডিসি মিশনের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৪১৪ জন ভারতীয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় বাড়লেও সৌদি আরবের সংখ্যার ধারেকাছে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য শহর যেমন সান ফ্রান্সিসকো, নিউ ইয়র্ক বা শিকাগো থেকে বহিষ্কারের সংখ্যা ছিল মাত্র দুই বা তিন অংকের ঘরে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লিখিত জবাবে আরও দেখা যায় যে, শুধুমাত্র সৌদি আরব বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, অন্যান্য দেশ থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভারতীয়কে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে মিয়ানমার থেকে ১ হাজার ৫৯১ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ১ হাজার ৪৬৯ জন, মালয়েশিয়া থেকে ১ হাজার ৪৮৫ জন এবং বাহরাইন থেকে ৭৬৪ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়া থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া থেকেও কয়েকশ ভারতীয় নাগরিক বহিষ্কৃত হয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও স্পষ্ট করেছে যে, বিদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের উদ্ধার এবং নিজ দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের সঙ্গে ভারতীয় মিশনগুলো নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে শ্রম আইন নিয়ে ভারতীয় কর্মীদের সচেতনতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও ভাবছে নয়াদিল্লি। আরটিভি/এআর 
ভারতীয়দের বহিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও এগিয়ে সৌদি আরব
আরও পড়ুন
নাবালিকাকে মদ্যপান করিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, ব্যাংককর্মী গ্রেপ্তার
ছুটিতে মদ্যপান দোষের নয়, আমি নিজেও একই কাজ করেছি: মাইকেল ভন
ইংলিশ ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগ
মদের নেশায় প্রেমিকের সঙ্গে তুলকালাম কাণ্ড ঘটালেন তরুণী!