
ভারতের উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে মোবাইল ফোনের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারায় এক যুবককে জোর করে তুলে নিয়ে রক্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক দোকানমালিকের বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, ওই যুবককে একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে এক ইউনিট রক্ত নেওয়ার পর পাঁচ দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে মারধর ও জোর করে কাজ করানো হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে লখনউয়ের নিগোহা এলাকায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ওই বাড়ি থেকে যুবককে উদ্ধার করা হয়।
পরিবারের দাবি, প্রায় এক বছর আগে নিগোহার একটি দোকান থেকে ২১ হাজার ৫০০ রুপিতে একটি মোবাইল ফোন কেনেন ওই যুবক। ২ হাজার ৭৯৯ রুপি করে ১২টি কিস্তিতে ফোনটির দাম পরিশোধ করার কথা ছিল। তবে প্রথম মাসের কিস্তি বাকি পড়ার পরই দোকানমালিক কয়েকজন লোককে তার বাড়িতে পাঠান। তারা যুবকের মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায় বলে অভিযোগ।
এরপর গত ৮ সেপ্টেম্বর দুজন ব্যক্তি যুবকের বাড়িতে গিয়ে তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যান বলে পরিবারের অভিযোগ। যুবকের দাবি, তাকে লখনউয়ের একটি ব্লাড ব্যাংকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জোর করে তার শরীর থেকে এক ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হয়। পরে তাকে সদর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয়।
যুবকের অভিযোগ, ওই বাড়িতে তাকে মারধর করা হতো এবং জোর করে বিভিন্ন কাজ করানো হতো। এমনকি তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে পরিবারের দাবি।
পরে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। একপর্যায়ে লখনউয়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ দিন পর ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
আরটিভি/এসকে


