ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

স্রোতে ভেসে যাওয়া হাতিশাবককে বাঁচাতে ৩ কিলোমিটার ছুটলেন জেলেরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া একটি হাতিশাবককে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার ধাওয়া করে উদ্ধার করেছেন দুই জেলে। ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের মালবাজার মহকুমার তিস্তা নদীতে। উদ্ধারের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তিস্তা নদীর ১২ নম্বর স্পার সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরছিলেন দুই জেলে। এ সময় তারা দেখতে পান, একটি হাতির শাবক নদীর প্রবল স্রোতে ভেসে যাচ্ছে।

হাতিশাবকটিকে বিপদে দেখে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবে দ্রুত নৌকা ঘুরিয়ে তার পিছু নেন জেলেরা। তীব্র স্রোতের মধ্যেই প্রায় তিন কিলোমিটার পথ অনুসরণ করার পর তারা শাবকটির কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হন।

পরে শাবকটিকে পানি থেকে তুলে নৌকায় নিরাপদে নিয়ে আসেন তারা। এরপর তাকে নদীর পাড়ে নিয়ে গিয়ে স্থানীয় বন বিভাগকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাতিশাবকটির দায়িত্ব নেয়। পরে বনকর্মীদের সহায়তায় শাবকটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

জেলেদের সাহসিকতায় প্রাণে বেঁচে যায় তিস্তার স্রোতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতিশাবকটি। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করছেন অনেকেই।

সূত্র: এনডিটিভি

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পুলিশ পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কিশোরীকে ৩ ব্যক্তির ধর্ষণ
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিল্লির কালকাজি মন্দিরের কাছে একটি পার্কে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় ওই কিশোরী এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে গিয়েছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তারা মন্দিরের কাছের একটি পার্কে গেলে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। তারা নিজেদের পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কিশোরী ও তার বন্ধুকে হুমকি দেয়। এ সময় তাদের একজন আগ্নেয়াস্ত্র ও ছুরি দেখিয়ে কিশোরীকে ভয় দেখায় এবং যৌন নির্যাতন করে। পরে অপর দুই অভিযুক্তও তাকে যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে এ বিষয়ে কাউকে জানালে পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার বিষয়ে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ফোন আসে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। তার বক্তব্যের ভিত্তিতে মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে পার্ক ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার সময় ওই এলাকায় থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্তদের একজন আমর কলোনির ডিএম অফিস রোডের কাছে অবস্থান করছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করার চেষ্টা করা হয়। পুলিশের দাবি, আটকের সময় ওই ব্যক্তি পুলিশের দিকে গুলি চালায়। আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও সে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। পরে পুলিশ তার ডান পায়ে গুলি করে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম আসিফ। তিনি ওখলা মান্ডিতে কাজ করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্য দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় পকসো আইনসহ প্রাসঙ্গিক আইনের ধারায় মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাকি দুই অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এদিকে, দিল্লিতে গত ১০ দিনের মধ্যে নাবালিকাদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ১৩ সেপ্টেম্বর স্বরূপ নগরে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ওঠে চারজনের বিরুদ্ধে। ১৬ সেপ্টেম্বর সদর বাজার এলাকায় একটি দোকানের ভেতর ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। এর পর ২১ সেপ্টেম্বর মধ্য দিল্লির কিশানগঞ্জ এলাকায় ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে ৩৪ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়। কালকাজির এই ঘটনাটিও সেই ধারাবাহিকতায় দিল্লিতে নাবালিকাদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। আরটিভি/এসকে
পুলিশ পরিচয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কিশোরীকে ৩ ব্যক্তির ধর্ষণ
স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা, পাসপোর্টেই সব ফাঁস
স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে বিদেশে ছুটি কাটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন ভারতের পুনের ৪৬ বছর বয়সী এক ব্যবসায়ী। ব্যবসার কাজে বিদেশ যাওয়া তার নিয়মিত বিষয় হওয়ায় স্ত্রীও তার কথায় সন্দেহ করেননি। কিন্তু প্রেমিকার পাসপোর্টের জটিলতায় শেষ পর্যন্ত ফাঁস হয়ে যায় পুরো পরিকল্পনা।
স্ত্রীকে না জানিয়ে প্রেমিকার সঙ্গে বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনা, পাসপোর্টেই সব ফাঁস
বিপরীতমুখী দুই জাহাজে মুখোমুখি নাবিক বাবা-ছেলে, অতঃপর...
মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দেখা হয়ে গেল নাবিক বাবা ও ছেলের। বিপরীতমুখী দুটি জাহাজে করে ভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার সময় ভারতীয় এই বাবা-ছেলের দেখা হওয়ার মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
বিপরীতমুখী দুই জাহাজে মুখোমুখি নাবিক বাবা-ছেলে, অতঃপর...
মায়ের নিথর দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদছিল দেড় বছরের শিশু
ভারতের কর্ণাটকের রায়চুর জেলায় এক নারীকে পাথর দিয়ে মেরে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। পাথর মারার পর তার দেড় বছরের মেয়েকে নিথর দেহের ওপর রেখে যায় অভিযুক্তরা। শিশুটিকে পরে মায়ের শরীর আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখা যায়। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির খবরে বলা হয়, সিন্ধানুর উপবিভাগের আরএইচ ক্যাম্প-৫ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম স্নেহা। ২৫ বছর বয়সী স্নেহা আরএইচ ক্যাম্প-৪ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। গ্রামের উপকণ্ঠের একটি মাঠ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার স্বামী ও প্রেমিক- দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ধারণা করছে, ভারী পাথর দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তার দেড় বছরের কন্যাসন্তানটিকে রক্তাক্ত মরদেহের ওপর বসিয়ে রেখে চলে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে স্নেহার দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। তখনো শিশুটি তার নিথর মাকে জড়িয়ে ধরে আহাজারি করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, নারীর দেহে তখনও মৃদু শ্বাস বইছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পরপরই সিন্ধনুর গ্রামীণ থানা-পুলিশ বিষয়টি নিয়ে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন নিহত নারীর স্বামী অমিত এবং তার কথিত প্রেমিক শুভম। পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে অমিতের সঙ্গে স্নেহার বিয়ে হয়। তবে বিগত চার মাস ধরে শুভম নামের এক যুবকের সঙ্গে তিনি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে এবং প্রকৃত অপরাধী কে—তা নিশ্চিত করতে আটক স্বামী ও কথিত প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য নিহত নারীর মরদেহ সিন্ধনুর তালুক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসআর
মায়ের নিথর দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদছিল দেড় বছরের শিশু
সেতু থেকে পড়ে গেল বিএমডব্লিউ, নিহত ৩ তরুণ
পথে একটি সেতুতে ওঠার পর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি রেলিংয়ে ধাক্কা দিয়ে নিচে পড়ে যায়।
সেতু থেকে পড়ে গেল বিএমডব্লিউ, নিহত ৩ তরুণ
আরও পড়ুন
‘এখন কোথায় যায়া ঠাঁই নিমু! শেষ সম্বলটুকুও কাড়ি নিল রাক্ষসী’