ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

১৭ হাজার ফুট উঁচুতে বজ্রপাত, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীবাহী বিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত

১৭ হাজার ফুট উঁচুতে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের ইনডিগো এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান। তবে শেষ পর্যন্ত নিরাপদেই জরুরি অবতরণ করেছে বিমানটি। এতে থাকা ১০৪ যাত্রী ও ছয় ক্রু সদস্যের সবাই অক্ষত রয়েছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) পাটনা থেকে লখনৌ যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। ইনডিগোর ৬ই ৬২৫ ফ্লাইটটি প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে পড়লে অবতরণের সময় শিলাবৃষ্টিতে বিমানের সামনের রাডোম অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বিমানের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়।

তবে পরিস্থিতি সামলে নির্ধারিত সময়ের আট মিনিট আগেই লখনৌয়ের চৌধুরী চরণ সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে বিমানটি। পরে সব যাত্রীকে নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়।

ইনডিগোর এক মুখপাত্র জানান, অবতরণের সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরকারি ছাড়পত্র পাওয়ার পরই বিমানটি আবার ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবে।

ঘটনার পর ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদপ্তর-ডিজিসিএ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং নিয়ামক সংস্থার ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি আকাশে উড়তে পারবে না।

এর আগে গত মাসেও ইনডিগোর আরেকটি ফ্লাইট বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পায়। গুয়াহাটি থেকে বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে যাওয়া এ৩২১নিও উড়োজাহাজটি কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় ‘টেইল স্ট্রাইক’-এর শিকার হয়।

এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের সময় প্রবল বাতাসের কারণে বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে রানওয়ে স্পর্শ করেছিল। ঘটনার পর বিমানটি গ্রাউন্ডেড করা হয় এবং পরবর্তী পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শাড়ি পরে খালি পায়ে ১৬০০ মিটার দৌড়, লড়াকু মায়ের জেদে মুগ্ধ নেটিজেনরা
গায়ে শাড়ি, পায়ে কোনো জুতা নেই। তবু থামেননি ২৭ বছর বয়সী কবিতা কুমারী। মেঠোপথ পেরিয়ে খালি পায়ে মাত্র ছয় মিনিটে ১ হাজার ৬০০ মিটার দৌড় শেষ করে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই লড়াকু মা।
শাড়ি পরে খালি পায়ে ১৬০০ মিটার দৌড়, লড়াকু মায়ের জেদে মুগ্ধ নেটিজেনরা
দিল্লিতে বহুতলা ভবন ধস, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৩
ভারতের রাজধানী দিল্লির উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সীমাপুরি এলাকায় একটি বহুতলা ভবন ধসে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন পর্যন্ত ১১ জনকে উদ্ধার করেছে দিল্লি ফায়ার সার্ভিস।
দিল্লিতে বহুতলা ভবন ধস, অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ৩
ঘেউ ঘেউ করে পিছু নেওয়া কুকুরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, ভিডিও ভাইরাল
ভারতের উত্তর প্রদেশের লখনৌতে মোটরসাইকেলের পেছনে ঘেউ ঘেউ করায় একটি পথকুকুরকে প্রকাশ্যে রাইফেল দিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। 
ঘেউ ঘেউ করে পিছু নেওয়া কুকুরকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, ভিডিও ভাইরাল
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত
বাংলাদেশের সাবেক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত
ভারতের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী আর নেই
ভারতের প্রখ্যাত আলেম, সাহিত্যিক ও দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা লখনৌর মুহতামিম মাওলানা ড. সাঈদুর রহমান আজমি নদভী ইন্তেকাল করেছেন। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগে তিনি মারা যান। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতসহ উপমহাদেশের ধর্মীয় ও শিক্ষাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে দ্বীনি শিক্ষা, আরবি ভাষা ও সাহিত্য এবং ধর্মীয়-সাহিত্যিক সাংবাদিকতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী দীর্ঘদিন দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার শিক্ষা ও প্রশাসনিক বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাধারা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তা এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। আনুমানিক ১৯৩৫ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের মউ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন মাওলানা সাঈদুর রহমান। ১৯৫২ সালে দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামায় ভর্তি হন তিনি। সেখানে মাওলানা সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলী হাসানি নদভী (রহ.)-সহ সে সময়ের খ্যাতিমান আলেমদের সান্নিধ্যে শিক্ষা লাভ করেন। আরবি ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান। শিক্ষকতা ও ধর্মীয় শিক্ষাদানের পাশাপাশি লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বক্তা হিসেবেও তিনি পরিচিতি লাভ করেন। নদওয়াতুল উলামার ঐতিহ্যবাহী আরবি মাসিক ‘আল-বায়সুল ইসলামী’ পত্রিকার সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। লেখালেখি ও সম্পাদনার মাধ্যমে আরবি ভাষা, ইসলামি জ্ঞান এবং নদওয়াতুল উলামার চিন্তাধারা পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শিক্ষা ও দ্বীনি সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে সম্মাননাও পেয়েছেন তিনি। ২০১৯ সালে খাজা মঈনুদ্দিন চিশতি ভাষা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান করে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের মে মাসে দীর্ঘদিনের শিক্ষা, দ্বীনি ও সাহিত্যিক অবদানের জন্য জয়পুরের জামিয়া হিদায়া তাকে আজীবন সম্মাননা দেয়। তার ইন্তেকালে আলেম, শিক্ষক, লেখক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন অনেকে। একই সঙ্গে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন তারা। আরটিভি/এসকে  
ভারতের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী আর নেই