ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে তারকাদের সংহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলন ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এই আন্দোলন এখন শিক্ষা খাতের অনিয়ম, তরুণদের ভবিষ্যৎ এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে প্রতিবাদের মঞ্চ হয়ে উঠেছে। আর দেখা গেছে বিভিন্ন আন্দোলন কেন্দ্র করে কথা বলেছেন দেশটির তারকারা।

ভারতে ভোটাধিকার, শিক্ষার্থীদের দাবি ও গণতন্ত্র নিয়ে প্রতিবাদের মঞ্চে একের পর এক যুক্ত হচ্ছেন চলচ্চিত্র ও বিনোদনজগতের পরিচিত মুখেরা। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিভিন্ন কর্মসূচিতে কখনো সরাসরি বিক্ষোভে, কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংহতি জানাচ্ছেন তারা। শাবানা আজমি, নাসিরউদ্দিন শাহ, প্রকাশ রাজ থেকে শুরু করে ধ্রুব রাঠি তারকাদের এমন অংশগ্রহণে আলোচনায় এসেছে আন্দোলনটি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে দেওয়া হয়েছে বিক্ষোভের ডাক।

আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে সরব হয়েছেন চলচ্চিত্রজগতের একাধিক পরিচিত মুখ। কেউ সরাসরি বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন, কেউ আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমের টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনটির কর্মসূচি এখন শুধু শিক্ষার্থীদের দাবি কিংবা শিক্ষা খাতের অনিয়মের অভিযোগে সীমাবদ্ধ নেই। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর), ভোটাধিকার ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।

গত ২ অক্টোবর মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে সিজেপির আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে নাগরিকদের সচেতন থাকার বিষয়টি উঠে আসে তার অংশগ্রহণে। একই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহ। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে তার আলিঙ্গনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করে আসছেন শাবানা আজমি ও নাসিরউদ্দিন শাহ। তাদের উপস্থিতিকে আন্দোলনকারীদের প্রতি সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংহতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। মুম্বাইয়ের ওই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা বিশাল ভরদ্বাজ, সংগীতশিল্পী বিশাল দাদলানি ও অভিনেতা অতুল কুলকার্নি।

আন্দোলনের সাম্প্রতিক আলোচিত কর্মসূচিগুলোর একটি অনুষ্ঠিত হয় ৮ অক্টোবর বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে। সেখানে অভিনেতা প্রকাশ রাজ ও ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে বিক্ষোভে অংশ নেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে জানা যায়, কর্মসূচিটির মূল দাবি ছিল ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর বাতিল এবং ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। প্রকাশ রাজের বক্তব্য, এসআইআর কেবল ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার বিষয় নয় এর সঙ্গে নাগরিকের মর্যাদা ও ভোটাধিকার জড়িত। তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগই তাদের একমাত্র লক্ষ্য নয়, পুরো এসআইআর প্রক্রিয়াটি বাতিল করতে হবে।

অন্যদিকে, ধ্রুব রাঠি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাবের অভিযোগ তোলেন। তার বক্তব্য, এই আন্দোলনে অংশ নেয়ার উদ্দেশ্য সরকার পরিবর্তন নয়। তবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়া এবং এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকার বিষয়ে আন্দোলনকারীদের অভিযোগগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাতে সব তারকাকে রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি। কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ভিডিও শেয়ার করে বা তাতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। দিয়া মির্জা ও কঙ্কনা সেনশর্মা শাবানা আজমির শেয়ার করা প্রতিবাদের ভিডিও পুনরায় পোস্ট করেন। রিচা চাড্ডা, টুইঙ্কল খান্না, জোয়া আখতার, শিবানী আখতার, তারা শর্মা সালুজা ও সাবা পাতৌদিও ওই ভিডিওর মন্তব্য বিভাগে প্রতিক্রিয়া জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন অংশগ্রহণের ফলে আন্দোলনসংক্রান্ত বক্তব্য ও কর্মসূচি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সিজেপির কর্মসূচিগুলোতেও সেই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি থেকে ভোটার তালিকা সংশোধন বিভিন্ন ইস্যুতে তারকাদের অংশগ্রহণ আন্দোলনটিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। তবে তারকাদের উপস্থিতি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন কোনো আন্দোলনের সব অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না। আন্দোলনকারীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণ যাচাই করেই বিষয়গুলো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া সম্ভব। উত্তাল দিল্লির পরিস্থিতি এখন কোন দিকে যায় সেটি দেখার বিষয়। কারণ সময়ের সঙ্গে আন্দলন চলছেই।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার আটক মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী
মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। তার মেয়ে কস্তুরী গান্ধী জানিয়েছেন, তুষার গান্ধীকে আটক করে মুম্বাইয়ের আন্ধেরি পশ্চিমের ডিএন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এবার আটক মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী
‘তেলাপোকা পার্টির’ আন্দোলনের নতুন নেতা অজিঙ্কা শিন্ডের পরিচয়
ভারতে নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেসহ শীর্ষ নেতারা আটক হয়েছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও দলের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পেয়েছেন মহারাষ্ট্রের ৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্কা শিন্ডে। দায়িত্ব পেয়েই সমর্থকদের দিল্লির যন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যেতে এবং পুলিশ যেখানে বাধা দেবে, সেখানেই প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। এক বিবৃতিতে শিন্ডে বলেন, আমাদের ঐক্য দেখে সরকার ভয় পাচ্ছে। দয়া করে যন্তর মন্তরে আসুন। পুলিশ যদি আপনাদের বাধা দেয়, সেই জায়গাকেই যন্তর মন্তরে পরিণত করুন। এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্কা শিন্ডে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে তিনি পুনেতে একটি আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পরে চাকরি ছেড়ে আম আদমি পার্টিতে (এএপি) কর্মী হিসেবে যোগ দেন। তার বাবা-মা আলিবাগে কৃষিকাজ করতেন। পরে তারা লাতুরে বসতি গড়েন। অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে শিন্ডের পরিচয় দীর্ঘদিনের। তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০১৬ সালে গোয়ায়। এরপর থেকে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। এএপিতে যোগ দেওয়ার পর শিন্ডে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় অঞ্চলে দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। পরে চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে পুরোপুরি যুক্ত হন। এরপর এক বছর গোয়ার নির্বাচনি প্রচারে কাজ করেন।  তবে সেখানে এএপির জন্য কোনো আসন নিশ্চিত করতে পারেননি। পরে তিনি এএপির মহারাষ্ট্র শাখায় যোগ দেন। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমবিষয়ক সমন্বয়ক এবং দলের যুব শাখার মহারাষ্ট্র আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের আগস্টে অভিজিৎ দীপকে শিন্ডেকে সিজেপির জাতীয় পর্যায়ের দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। তাকে দলের জাতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রমের দায়িত্বও দেওয়া হয়। তবে সিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে শিন্ডের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।  গুজরাটের দুই স্বেচ্ছাসেবক দীপকের বিরুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। দলের নেতৃত্বের ক্রমে দীপক, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের পরেই শিন্ডের অবস্থান। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে এই তিন নেতা দলের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন। শীর্ষ তিন নেতার আটকের পর শিন্ডেকে আন্দোলনের দায়িত্ব দেওয়াকে তার সাংগঠনিক অবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। আরটিভি/এসআর
‘তেলাপোকা পার্টির’ আন্দোলনের নতুন নেতা অজিঙ্কা শিন্ডের পরিচয়
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের পতন ঘটানোর পর ভারতে গণতন্ত্রের মেরামত শুরু হবে বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।  শনিবার (১০ অক্টোবর) সামাজিক মাধ্যম এক্সে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের এমপিদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ভিডিও বক্তব্য শেয়ার করে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমার ও এই সরকার উভয়কেই বিদায় নিতে হবে, তবেই দেশে গণতন্ত্র আবার ফিরে আসবে।’ এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও সংকটটি অনেক বড় এবং এর মূল সমাধান লুকিয়ে আছে বর্তমান সরকারের পতনের মধ্যে। বিরোধী দলগুলো যদি গত কয়েক দিনের মতো ঐক্যবদ্ধ চাপ ধরে রাখতে পারে, তবে এ সরকারের বিদায় নিশ্চিত। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘জ্ঞানেশ কুমারের চেয়েও অনেক গভীর সমস্যা আছে। এর জন্য বর্তমান সরকারের পতন প্রয়োজন।’  এটি এমন বিষয় যার জন্য লড়াই করা যায়, জীবন দেওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গত তিন-চার দিনে যেভাবে চাপ সৃষ্টি করেছি, তা বজায় রাখি, তাহলে আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি এই সরকার পড়ে যাবে।’ তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের এই প্রতিবাদ সরকারের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। সরকার এখন ভীতসন্ত্রস্ত। এদিকে ভোটার তালিকার এসআইআর কার্যক্রমসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও আদেশের বিরুদ্ধে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশির আপত্তি জানানোর বিষয়ে ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছে।  দুই কমিশনারের এই আপত্তির মুখে নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, যেকোনো প্রতিষ্ঠানে ভিন্নমত ও পর্যবেক্ষণ স্বাভাবিক আলোচনার অংশ। তাদের সব আদেশের পূর্ণ আইনি বৈধতা রয়েছে এবং তা প্রতিষ্ঠিত সংবিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সরকারের কড়া নিরাপত্তা ও দিল্লিজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের তীব্র সমালোচনা করে কংগ্রেস নেতা কে সি ভেনুগোপাল এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।’ ভেনুগোপাল আরও বলেন, ‘সব ট্রেন বন্ধ, ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ, গণগ্রেপ্তার, লকডাউনে পরিণত হয়েছে দিল্লি, মোতায়েন করা হয়েছে সিআরপিএফ। মোদি-শাহ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নিজস্ব জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। একজন একনায়কের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ অহিংস আন্দোলন ও সত্যাগ্রহকে অত্যন্ত নির্মম ও দমনমূলক কায়দায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ আরটিভি/এসআর
মোদি সরকারের পতন অনিবার্য: রাহুল গান্ধী
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষাবিদ এবং পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চলছে: সোনম ওয়াংচুক
দিল্লিতে বিক্ষোভ / মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আটক করেছে পুলিশ।  শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির লোধি এস্টেট এলাকায় তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে দলের অন্য নেতারাও ছিলেন। আটক হওয়ার আগে একটি বাস থেকে ভিডিও শেয়ার করেন কেজরিওয়াল।  ভিডিওতে তিনি জানান, দিল্লি পুলিশ তাকে এবং আপের নেতা সঞ্জয় সিংসহ দলের অন্য নেতাদের আটক করেছে। বাসে থাকা বিক্ষোভকারীদের ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিতে শোনা যায়। যন্তর মন্তরে সিইসির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিতে ‘দিল্লি চলো’ আহ্বান জানানোর কয়েক মিনিট পরই কেজরিওয়ালকে আটক করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আটকের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, ‘এই স্বৈরাচারকে আমরা ভয় পাব না।’ দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে বিক্ষোভকারীরা। দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের আটক ও কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।  ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকে পাঁচ হাজার বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। সকালে বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লিতে পৌঁছনো মাত্রই আটক করা হয় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে, ছাত্রসংগঠন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) কেন্দ্রীয় সভাপতি নেহা বোরা, জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালসহ সহস্রাধিক বিক্ষোভকারীকে। আরটিভি/এসআর
মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আরও পড়ুন
মমতার পর এবার আটক দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল
দিল্লিতে এবার আটক তরুণদের মুখপাত্র নেহা বোরা
দিল্লিতে আটক ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার 
দিল্লিতে আটক অভিজিৎ দীপকে, গ্রামে মারা গেলেন দাদি