ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন চাম্পি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সুপার টাইফুন চাম্পির প্রভাবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তাইওয়ান। ঝড়টির আশঙ্কায় বাতিল করা হয়েছে ১২৫টি ফ্লাইট। উপকূলীয় এলাকায় উচ্চ ঢেউ ও ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া সংস্থাগুলো।

প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্ট শক্তিশালী টাইফুন চাম্পি তাইওয়ান ও চীনের উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) থেকে তাইওয়ান ও চীনের উপকূলীয় এলাকায় এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া সংস্থাগুলো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টাইফুন চাম্পির আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার তাইওয়ানে স্থলভাগে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়ের কারণে দেশটিতে ১২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যার বেশির ভাগই অভ্যন্তরীণ রুটের। তবে এখন পর্যন্ত দেশটির রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।

তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন (সিডব্লিউএ) জানিয়েছে, একপর্যায়ে সুপার টাইফুনে পরিণত হওয়া চাম্পি চলতি বছরের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী ঝড়। বৃহস্পতিবার কিছুটা দুর্বল হলেও ঝড়টির কেন্দ্রে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি ছিল।

বর্তমানে টাইফুনটি তাইওয়ানের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি উত্তর-পূর্ব তাইওয়ানের কাছ দিয়ে অতিক্রম করে চীনের উপকূলের দিকে উত্তরে মোড় নিতে পারে। পরে ঝড়টি দক্ষিণ জাপানের দিকে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টাইফুনটির বিস্তৃতি বেড়ে প্রায় ৩২০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে। ফলে তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ এলাকা ঝড়টির প্রভাবে পড়তে পারে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, এর প্রভাব প্রায় দুই দিন স্থায়ী হতে পারে।

টাইফুনের প্রভাবে তাইওয়ানের উপকূলীয় এলাকায় ছয় মিটারের বেশি উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টি হতে পারে। এ আশঙ্কায় মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী তাইপের কাছাকাছি পাহাড়ি অঞ্চলসহ দেশটির উত্তরের পার্বত্য এলাকাগুলোতে প্রায় এক মিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দিনের শেষভাগে চাম্পি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব উপকূলের সবচেয়ে কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। এরপর এটি সাংহাইয়ের উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রাঞ্চলের দিকে উত্তরে অগ্রসর হতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

টাইফুন মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে। একই সঙ্গে পাহাড়ি ও উপকূলীয় এলাকায় যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

নিজের ফেসবুক পেজে লাই চিং-তে লিখেছেন, ‘একটু বাড়তি প্রস্তুতি মানে ঝুঁকি কম।’

তাইওয়ানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দেশটি সাধারণত টাইফুন মোকাবিলায় ভালো প্রস্তুতি নিয়ে থাকে, ফলে এ ধরনের দুর্যোগে হতাহতের সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকে।

টাইফুন চাম্পির প্রভাবে জাপানেও বিমান চলাচলে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। দেশটির প্রধান বিমান সংস্থা জাপান এয়ারলাইনস, এএনএ ও স্কাইমার্ক বৃহস্পতিবার থেকে রোববারের মধ্যে ১০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করেছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর বেশির ভাগই অভ্যন্তরীণ রুটের। এতে ১১ হাজারের বেশি যাত্রীর ভ্রমণ ব্যাহত হয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, টাইফুনটি জাপানের পশ্চিমতম জনবসতিপূর্ণ দ্বীপ ইয়োনাগুনির ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে। দ্বীপটি ওকিনাওয়া প্রিফেকচারের অন্তর্ভুক্ত।

গ্রীষ্মকালে টাইফুনের প্রকোপ বেশি থাকলেও শরৎকালেও এ ধরনের শক্তিশালী ঝড় আঘাত হানতে পারে। এসব ঝড়ের সঙ্গে প্রবল বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও উপকূলীয় এলাকায় বিপজ্জনক ঢেউয়ের আশঙ্কা থাকে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে হামলা ও সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম।
বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তাঝুঁকি, হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলার খবর এবং সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোকে ঘিরে হুমকির কারণে বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশ্ববাজারে বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম
কলম্বিয়ায় সোনার খনি ধসে নিহত ১৪
কলম্বিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি অবৈধ সোনার খনি ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন। দুর্ঘটনার পর নিখোঁজ রয়েছেন ১২ থেকে ১৫ জন শ্রমিক। সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
কলম্বিয়ায় সোনার খনি ধসে নিহত ১৪
খ্রিস্টধর্ম প্রচারে সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প
ক্যাথলিক পরিবারে জন্ম, বোন সন্ন্যাসিনী, পরিবারের অন্য সদস্যরাও যুক্ত গির্জার সঙ্গে। শৈশব থেকেই খ্রিস্টীয় ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা সেই নারী একসময় খ্রিস্টধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে যান সৌদি আরবে। কিন্তু সেখানে মুসলমানদের ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.)-এর প্রতি শ্রদ্ধা, পবিত্র কুরআনের শিক্ষা এবং আজানের ধ্বনি তার চিন্তাজগতে পরিবর্তন আনে। দীর্ঘ সাত বছরের প্রশ্ন, অনুসন্ধান ও পারিবারিক বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ইসলাম গ্রহণ করেন সিস্টার ডেইজি। সিস্টার ডেইজির ইসলাম গ্রহণের ঘটনাটি তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও সত্য অনুসন্ধানের দীর্ঘ যাত্রার গল্প হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ধর্মপ্রাণ আইরিশ ক্যাথলিক পরিবারে বেড়ে ওঠেন তিনি। তার বোন ছিলেন কারমেলাইট সন্ন্যাসিনী। পরিবারের অন্য সদস্যদেরও গির্জার সঙ্গে সম্পৃক্ততা ছিল। শৈশব থেকেই গির্জা, প্রার্থনা ও খ্রিস্টীয় ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে বেড়ে ওঠেন ডেইজি। তবে খ্রিস্টধর্মের কিছু মৌলিক বিশ্বাস নিয়ে তার মনে প্রশ্ন ছিল। বিশেষ করে ত্রিত্ববাদ এবং যিশুর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তাকে ভাবিয়ে তুলত। ঈশ্বর সর্বশক্তিমান হলে তার মৃত্যুবরণের ধারণা কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেন তিনি। পরবর্তী সময়ে গির্জার সংশ্লিষ্টতা এবং মার্কিন দূতাবাসে চাকরির সুবাদে সৌদি আরবে যাওয়ার সুযোগ পান ডেইজি। সেখানে খ্রিস্টধর্ম প্রচারের পরিকল্পনা ছিল তার। তার ধারণা ছিল, আরবের মানুষ যিশু ও মরিয়ম সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না। কিন্তু সৌদি আরবে গিয়ে তার সেই ধারণায় পরিবর্তন আসে। তিনি দেখতে পান, মুসলমানেরা ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.)-কে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পবিত্র কুরআনেও তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। বিষয়টি ডেইজির মনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করে এবং ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ বাড়িয়ে দেয়। সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলের পাহাড়ি পরিবেশ ও আজানের ধ্বনিও তার মনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলমানদের ইবাদত, আল্লাহর প্রতি নিবেদন এবং ধর্মীয় জীবনযাপন তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে উদ্বুদ্ধ করে। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার পরও সৌদি আরবের অভিজ্ঞতা তাকে তাড়িত করত। বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনীনির্ভর চলচ্চিত্র ‘দ্য মেসেজ’-এর একটি অংশ দেখার পর ইসলাম সম্পর্কে জানার আগ্রহ আরও বাড়ে। এরপর তিনি ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং নিজের দীর্ঘদিনের প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে থাকেন। তবে তার এই পরিবর্তন পরিবার সহজভাবে মেনে নেয়নি। বিশেষ করে সন্ন্যাসিনী বোনসহ পরিবারের সদস্যরা তার সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাকে বিভিন্ন যাজক, সন্ন্যাসী ও বিশপের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় সাত বছর ধরে তাকে নানা প্রশ্ন, সমালোচনা ও বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে বর্ণনায় বলা হয়েছে। এ সময় এক সন্ন্যাসী তার দেওয়া ইংরেজি কুরআন রাগ করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিলেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ওই সন্ন্যাসী ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুশয্যায় নিজের আচরণের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন এবং ডেইজির কাছে ক্ষমা চান বলে বর্ণনায় দাবি করা হয়েছে। দীর্ঘ এই সময়ের মধ্যে ডেইজির সঙ্গে ফাদার টম নামের এক যাজকেরও আলোচনা হয়। পরিবারের প্রত্যাশা ছিল, তার বক্তব্যে ডেইজি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন। তবে বর্ণনা অনুযায়ী, ফাদার টম তাকে নিজের বিবেক ও সত্য অনুসন্ধানের গুরুত্ব বোঝান। এতে নিজের বিশ্বাস নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সুযোগ পান ডেইজি। একপর্যায়ে ছোট দুই পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফিলিস্তিনি মসজিদে যান তিনি। সেখানে এক ফিলিস্তিনি নারী তাকে নামাজের নিয়ম শেখান। এরপর জীবনে প্রথমবারের মতো মুসলমানদের মতো নামাজ আদায় করেন ডেইজি এবং আল্লাহর সামনে সিজদায় অবনত হন। বর্ণনা অনুযায়ী, প্রথম সিজদার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। দীর্ঘদিনের প্রশ্ন, দ্বিধা ও অনুসন্ধানের পর এই অভিজ্ঞতাকে তিনি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে অনুভব করেন। ডেইজির ইসলাম গ্রহণের পেছনে ঈসা (আ.) ও মরিয়ম (আ.) সম্পর্কে ইসলামের শিক্ষা বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল বলে বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলামের বিশ্বাস অনুযায়ী, আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। ঈসা (আ.) আল্লাহর সম্মানিত নবী ও রাসুল এবং মরিয়ম (আ.) পবিত্র ও মর্যাদাবান নারী। পবিত্র কুরআনে তাদের জীবন ও ঈসা (আ.)-এর অলৌকিক জন্মের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। বর্ণনায় আরও বলা হয়েছে, পরবর্তী সময়ে ডেইজির জীবনযাপনে পরিবর্তন দেখে তার মেয়েও ইসলাম গ্রহণ করেন। সিস্টার ডেইজির এই কাহিনি ধর্মীয় বিশ্বাস, ব্যক্তিগত অনুসন্ধান ও পারিবারিক বাধার মধ্য দিয়ে একটি নতুন জীবনদর্শন গ্রহণের গল্প হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে তার ইসলাম গ্রহণের ঘটনা, জীবনের বিভিন্ন পর্যায় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সূত্র এখানে উল্লেখ নেই। তাই ঘটনাগুলোকে নিশ্চিত ঐতিহাসিক তথ্য হিসেবে উপস্থাপনের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করা প্রয়োজন। আরটিভি/এসকে
খ্রিস্টধর্ম প্রচারে সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প
লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজকের মৃত্যু
ইকুয়েডরে গির্জায় প্রার্থনার অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচারের সময় বড় একটি কাঠের ক্রুশ পড়ে এক যাজকের মৃত্যু হয়েছে।
লাইভ সম্প্রচারে প্রার্থনার সময় ক্রুশ পড়ে যাজকের মৃত্যু
আরও পড়ুন
সারা দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা, নতুন লঘুচাপের আভাস
বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে সুখবর
বৃষ্টি হতে পারে যেসব এলাকায়, জানাল আবহাওয়া অফিস
আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানাল অধিদপ্তর