ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্টুডেন্ট ভিসায় কি পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া যায়, কী আছে নিয়মে?

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৬ পিএম
ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে পছন্দের দেশ হিসেবে প্রথম স্থানেই থাকে যুক্তরাষ্ট্র। অনেক শিক্ষার্থীই চার বছর পর্যন্ত চলা কোর্সের সময় পরিবারকে সঙ্গে রাখতে চান।

তবে, শিক্ষাজীবন চলাকালীন শিক্ষার্থীরা কি তাদের পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে পারেন? উত্তরটি হচ্ছে হ্যাঁ, পারেন। তবে এজন্য শিক্ষার্থীদের কিছু শর্ত মানতে হয়। এ ছাড়া, মার্কিন ভিসা আইনে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতাও আছে।

যদি শিক্ষার্থী হিসেবে কারও এফ-১ ভিসা থাকে তবে, তার স্ত্রী বা স্বামী এবং ২১ বছরের নিচের অবিবাহত কন্যা বা পুত্র যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। কিন্তু, এর জন্য তাদেরকে কনস্যুলার বা ইমিগ্রেশন অফিসারদের কাছে প্রমাণ জমা দিতে হয়। অর্থাৎ, স্বামী বা স্ত্রীকে নেওয়ার ক্ষেত্রে বৈবাহিক সনদ এবং সন্তানের ক্ষেত্রে জন্ম সনদ দেখাতে হবে, যেন তারা আপনার বৈধ নির্ভরশীল হিসেবে প্রমাণিত হয়।

শিক্ষার্থীদের যেখানে এফ-১ ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়, সেখানে তার স্ত্রী বা স্বামী এবং ২১ বছরের নিচের অবিবাহিত সন্তানরা এফ-২ ভিসা স্ট্যাটাস নিয়ে দেশে প্রবেশের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

শিক্ষার্থীর ওপর নির্ভরশীল পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে নিতে চাইলে অবশ্যই আগে শিক্ষার্থীর ডেজিগনেটেড স্কুল অফিসিয়াল (ডিএসও)–কে জানাতে হবে যে তিনি পরিবারকে সঙ্গে নিতে চান। তারপর তারা প্রত্যেক নির্ভরশীল সদস্যের জন্য আলাদা ফর্ম আই-২০ ইস্যু করবে।

এ ছাড়া, এফ-২ ভিসার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর জন্য কমপক্ষে ১৪ হাজার ২৫৩ ডলার এবং প্রতিটি সন্তানের জন্য কমপক্ষে ৭ হাজার ১২৭ ডলার দেখাতে হবে।

এই এফ-২ ভিসার আবার কিছু উল্লেখযোগ্য সীমাবদ্ধতা আছে। যেমন, এই ভিসাধারীরা যুক্তরাষ্ট্রে কাজের অনুমতি পান না। তবে, প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চবিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন পড়াশোনার সুযোগ রাখা হয়েছে তাদের জন্য। এছাড়া, পরবর্তীতে এফ-২ ভিসাধারীরা এফ-১ ভিসায় পরিবর্তন করতে পারেন।

এফ-২ ভিসাধারীদের প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো আর্থিক স্বনির্ভরতা অর্জন। এফ-১ শিক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রমাণ দেখাতে হয় যে তাদের কাছে যথেষ্ট তহবিল আছে যাতে তারা শুধু নিজের খরচ নয়, বরং স্ত্রী বা স্বামী ও অবিবাহিত সন্তানদের খরচও বহন করতে পারেন। এ কারণে তাদের ব্যাংকে উচ্চ তহবিলের প্রমাণ দেখাতে হয়।

এফ-২ নির্ভরশীলরা কোনো পূর্ণকালীন চাকরি করতে পারেন না। এই সীমিত স্বাধীনতা পরিবারে আয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলে। স্বাস্থ্য বীমা এবং শিশু পরিচর্যার খরচও অত্যন্ত বেশি এবং বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণত নির্ভরশীলদের জন্য কোনো সাবসিডি দেয় না। এছাড়া, এফ-১ শিক্ষার্থীর কোনো নিয়মভঙ্গ বা অসদাচরণ সামনে আসে, তবে তার ওপর নির্ভরশীল এফ-২ ভিসাধারীর বৈধতা নিয়েও ঝুঁকি তৈরি হয়।

এফ-২ নির্ভরশীলরা তাদের বৈধ ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস বজায় রাখতে পারেন, যতক্ষণ মূল এফ-১ শিক্ষার্থী তাদের স্ট্যাটাস ধরে রাখেন। এতে শিক্ষার্থীর পড়াশোনা শেষ হওয়ার পর অনুমোদিত অপশনাল প্র্যাক্টিক্যাল ট্রেইনিং (ওপিটি) সময়কালও অন্তর্ভুক্ত। এফ-২ নির্ভরশীলদের সাধারণত এফ-১ শিক্ষার্থীর স্ট্যাটাসের মেয়াদ অনুযায়ী একইসঙ্গে অনুমোদন দেওয়া হয়।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও রহস্যঘেরা রাজনৈতিক পরিবার হিসেবে পরিচিত কেনেডি পরিবারে আবারও নেমে এল শোকের ছায়া। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নাতনি এবং প্রথিতযশা পরিবেশ সাংবাদিক তাতিয়ানা শ্লোসবার্গ মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছে জন এফ কেনেডি লাইব্রেরি ফাউন্ডেশন। দীর্ঘ রোগভোগের পর তার এই অকাল প্রয়াণ কেনেডি পরিবারের পুরনো ক্ষতগুলোকে যেন আবারও সতেজ করে তুলল। খবর বিবিসির।  পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আমাদের প্রিয় তাতিয়ানা আর নেই। সে আমাদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবে। তাতিয়ানা ছিলেন বিশিষ্ট ডিজাইনার এডউইন শ্লোসবার্গ এবং বর্তমান মার্কিন কূটনীতিক ক্যারোলিন কেনেডির মেয়ে। তার এই মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে। আরও পড়ুন ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা ট্রাম্পের তাতিয়ানার জীবনের শেষ সময়টা ছিল চরম যন্ত্রণাদায়ক। গত নভেম্বরে তিনি নিজেই এক নিবন্ধে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বিরল এক ক্যানসারে আক্রান্ত। ২০২৪ সালের মে মাসে তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের ঠিক পরেই চিকিৎসকরা তার শরীরে ‘অ্যাকিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া’ শনাক্ত করেন। এটি রক্ত ও অস্থিমজ্জার একটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্যানসার। ‘এ ব্যাটল উইথ মাই ব্লাড’ শীর্ষক এক লেখায় তিনি লিখেছিলেন, চিকিৎসকরা তাকে এক বছরেরও কম সময় দিয়েছিলেন। শ্লোসবার্গের মৃত্যু কেনেডি পরিবারের জন্য এক নতুন ট্র্যাজেডি। এই পরিবারটি দশকের পর দশক ধরে রহস্যময় সব মৃত্যুর শিকার হয়েছে। ১৯৬৩ সালে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। ১৯৯৯ সালে তার নাতনি তাতিয়ানার চাচা জন এফ কেনেডি জুনিয়র বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। নিজের অকাল মৃত্যুর আগে তাতিয়ানা লিখেছিলেন, তার সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো সন্তানদের নিয়ে, কারণ তার ছোট সন্তানরা বড় হয়ে মাকে হয়তো মনেই রাখতে পারবে না। আরটিভি/এআর 
৩৫ বছরেই চলে গেলেন জন এফ কেনেডির নাতনি তাতিয়ানা
নিজ বাসভবনে হামলার খবর পুতিনই ফোনালাপে জানিয়েছেন: ট্রাম্প
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি বাসভবনে ইউক্রেনের হামলার অভিযোগ নিয়ে সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এটি হামলা চালানোর জন্য ‘সঠিক সময় নয়’।  ফরাসী সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়,  সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের মার-এ-লাগো অবকাশযাপনকেন্দ্রে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।  এ দিনই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও দেশটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নিজের অবকাশযাপনকেন্দ্রে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর বাসভবনে হামলার খবর পুতিন নিজেই ফোনালাপে তাকে জানিয়েছেন উল্লেখ করেন ট্রাম্প। বৈঠকের আগে পুতিনের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আপনারা জানেন, কে আমাকে এই (হামলার) খবর দিয়েছেন? প্রেসিডেন্ট পুতিন। আজ সকালে তিনি আমাকে বলেছেন, তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। এটা ভালো নয়।  ইউক্রেন হামলার কথা অস্বীকার করলেও কিয়েভের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, এটা খুবই সংবেদনশীল একটা সময়। এটা সঠিক সময় নয়। কেউ আক্রমণাত্মক হলে তার জবাবে আক্রমণাত্মক হওয়া এক কথা, আর তার বাড়িতে হামলা করা আরেক কথা। এসবের কোনোটাই করার এখন সঠিক সময় নয়।  পুতিনের বাসভবনে হামলার অভিযোগ করে সোমবারেই রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, রাশিয়ার নভগোরোদ অঞ্চলে এ হামলা চালানো হয়েছে। এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহত হয়নি। জবাবে রুশ বাহিনী পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।  তবে এগুলো রাশিয়ার ‘মনগড়া’ বক্তব্য বলে মন্তব্য করেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। আরটিভি/কেএইচ
নিজ বাসভবনে হামলার খবর পুতিনই ফোনালাপে জানিয়েছেন: ট্রাম্প
২ ডলারের লটারিতে জিতলেন ১৮০ কোটি ডলার
বড়দিনের ঠিক আগের সন্ধ্যায় ভাগ্যদেবীর কৃপায় রাতারাতি ধনকুবের হয়ে গেলেন যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের এক বাসিন্দা। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত ‘পাওয়ারবল’ লটারির ড্রতে তিনি ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১৮০ কোটি মার্কিন ডলারের বিশাল এক জ্যাকপট জিতে নিয়েছেন। এটি যুক্তরাষ্ট্রের লটারির ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম জয়ের রেকর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই বিজয়ীর নাম-পরিচয় এখনো গোপন রাখা হয়েছে। খবর এবিসি নিউজের।  টানা তিন মাস কেউ এই লটারি জিততে না পারায় পুরস্কারের অংক জমে পাহাড়সম হয়েছিল। অবশেষে বড়দিনের আগের রাতে ৪, ২৫, ৩১, ৫২ ও ৫৯ নম্বর এবং পাওয়ারবল নম্বর ১৯ মিলিয়ে এই অসাধ্য সাধন করেন ওই ব্যক্তি। জানা গেছে, বিজয় টিকিটটি বিক্রি হয়েছিল ক্যাবট শহরের একটি সাধারণ গ্যাস স্টেশন থেকে। আরও পড়ুন আরব আমিরাতে বিশাল অঙ্কের লটারি জিতলেন দুই বাংলাদেশি আরকানসাস অঙ্গরাজ্যের লিটল রকের কাছে অবস্থিত মাত্র ২৭ হাজার মানুষের শহর ক্যাবট। সেখানকার ‘মারফি ইউএসএ’ নামক একটি গ্যাস স্টেশন থেকে মাত্র ২ ডলার দিয়ে এই টিকিটটি কেনা হয়েছিল। মারফি ইউএসএ-র মুখপাত্র আলেজান্দ্রা ব্যারন জানান, ক্রিসমাস ইভে টিকিট কেনার জন্য স্টোরে উপচে পড়া ভিড় ছিল। এর আগে গত বছর টেক্সাসে তাদেরই আরেকটি স্টোর থেকে ৮০ কোটি ডলারের লটারি জেতার নজির ছিল। ক্যাবট শহরের মেয়র কেন কিনকেইড উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, পুরো শহর এখন এই বিজয়ীকে খুঁজছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিই এখন প্রধান আলোচনার বিষয়। যেহেতু গ্যাস স্টেশনটি মহাসড়কের কাছে, তাই বিজয়ী শহরের বাইরের কেউও হতে পারেন। তবে ক্যাবটের কেউ হলে আমাদের জন্য দারুণ হতো। আরকানসাসের আইন অনুযায়ী, ৫ লাখ ডলারের বেশি লটারি বিজয়ীরা চাইলে তিন বছর পর্যন্ত নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে পারেন। পুরস্কারের টাকা দাবি করার জন্য তাকে ১৮০ দিন বা প্রায় ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে। যদি বিজয়ী এককালীন নগদ অর্থ (প্রায় ৮৩৪ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার) গ্রহণ করেন, তবে তাকে আয়কর ও অন্যান্য দেনা পরিশোধের পর এক বিশাল অংকের মালিক হতে হবে। শুধুমাত্র অঙ্গরাজ্য সরকারকেই তাকে কর বাবদ দিতে হবে ৩২ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পাওয়ারবল কর্তৃপক্ষ জানায়, এই লটারির জ্যাকপট জেতার সম্ভাবনা ২৯ কোটি ২২ লাখে মাত্র ১। মূলত এত বড় জ্যাকপট তৈরি করার জন্যই লটারির কাঠামোর সম্ভাবনা ইচ্ছাকৃতভাবে কঠিন করা হয়েছে।  এর আগে ২০১৩ সালে সর্বশেষ বড়দিনের সময় কেউ এমন বিশাল লটারি জিতেছিল। ৪৫টি অঙ্গরাজ্য সহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্তে ২ ডলারের এই টিকিটের জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী। আরটিভি/এআর 
২ ডলারের লটারিতে জিতলেন ১৮০ কোটি ডলার
ভয়াবহ তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল
ভয়াবহ তুষারঝড় ‘ডেভিন’-এর প্রলয়ে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথ। বড়দিনের ছুটির এই ব্যস্ত সময়ে কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বিত হওয়ায় লাখ লাখ যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটঅ্যাওয়ার’-এর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার(২৬ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত আমেরিকার ভেতরে এবং বাইরে যাতায়াতকারী অন্তত ১ হাজার ৫৮১টি ফ্লাইট সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া বিলম্বিত হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ফ্লাইট। খবর আলজাজিরার।  যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মিডওয়েস্ট এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারি তুষারপাতের কারণে যাতায়াত ব্যবস্থা বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। প্রায় ৪ কোটি মার্কিনিকে তুষারঝড়ের সতর্কবার্তার আওতায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে নিউইয়র্ক সিটিতে গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত তুষারপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এর সাথে কানাডা থেকে ধেয়ে আসা তীব্র শীতল হাওয়া বা ‘আর্কটিক ব্লাস্ট’ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। আরও পড়ুন তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, নিউইয়র্কে জরুরি অবস্থা ফ্লাইট বাতিলের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি, নেওয়ার্ক লিবার্টি এবং লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে। মোট বাতিলের অর্ধেকের বেশি ঘটেছে এই তিনটি ব্যস্ততম পয়েন্টে। এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে জেটব্লু একাই ২২৫টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এর পরেই রয়েছে ডেল্টা এয়ারলাইনস, রিপাবলিক এবং আমেরিকান এয়ারলাইনস। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানবন্দরগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আমেরিকার পূর্ব উপকূলে যখন তুষারপাত চলছে, তখন পশ্চিম উপকূলে বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় চলছে বৃষ্টির তাণ্ডব। গত ৫৪ বছরের মধ্যে সেখানে এবারই সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টিতে বন্যার পানিতে আটকা পড়া অন্তত ১০০ জনকে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। হেলিকপ্টারের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছে অনেককে। ভারি বর্ষণের ফলে ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি এখনো কাটেনি বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আরটিভি/এআর 
ভয়াবহ তুষারঝড়ে বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, কয়েক হাজার ফ্লাইট বাতিল
সন্ত্রাসী হামলার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে নিজ পরিবারের সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার হুমকি এবং বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে মনোজ সাই লেল্লা (২২) নামে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ফ্রিস্কো পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। খবর এনডিটিভির।  মনোজ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাসের একজন সিনিয়র শিক্ষার্থী। পুলিশ জানিয়েছে, মনোজের পরিবার চরম আতঙ্কিত হয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাইলে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সামনে আসে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, কয়েক দিন আগে মনোজ বাড়িতে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছিলেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং তাকে অভিযুক্ত করে। আরও পড়ুন বড়দিনে ট্রাম্পের নির্দেশে নাইজেরিয়ায় ভয়ংকর হামলা আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, মনোজের বিরুদ্ধে ‘বাসস্থানে ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অগ্নিসংযোগ’-এর মতো প্রথম-ডিগ্রির গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের ‘সন্ত্রাসী হুমকি’ দেওয়ার জন্য তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে কোনো উপাসনালয়ে হামলার কোনো প্রমাণ পায়নি। বর্তমানে মনোজ পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। অগ্নিসংযোগ ও সন্ত্রাসী হুমকির দুটি পৃথক মামলায় তার জামিনের জন্য সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৩ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি) নির্ধারণ করা হয়েছে। এক মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন হিংস্র ও সন্ত্রাসী আচরণের পেছনে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে টেক্সাস কর্তৃপক্ষ। আরটিভি/এআর 
সন্ত্রাসী হামলার হুমকি, যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
টিকটক নিয়ে সুখবর
যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রথম চালানে এলো ৫৭ হাজার টন গম
যে কারণে এই মাছ দেখলেই মেরে ফেলার নির্দেশ!
নাইজেরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘শক্তিশালী’ হামলা