
ওয়াশিংটন ডিসি ও লস অ্যাঞ্জেলেসের বড় শহরে চালকবিহীন পাতালরেল চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনাও শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। এতে পরিবহন কর্তৃপক্ষ রেলব্যবস্থায় স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বিবেচনা করছে। এর লক্ষ্য হলো ট্রেন চলাচল আরও নিয়মিত করা, যাত্রীসেবা উন্নত করা এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা।
রোববার (২৫ অক্টোবর) এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি।
ওয়াশিংটনের মেট্রো কর্তৃপক্ষ রেড লাইন আধুনিকায়নের জন্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এই পরিকল্পনায় নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে চালক ছাড়া ট্রেন চালানোর সুযোগ তৈরির বিষয়টিও রয়েছে। তবে প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হতে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
লস অ্যাঞ্জেলেসেও সান্তা মনিকা পর্বতমালার নিচ দিয়ে প্রস্তাবিত পাতালরেল প্রকল্পে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পরিকল্পনায় অপেক্ষার সময় কমানো, ঘন ঘন ট্রেন চালানো এবং প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ বাধা স্থাপনের বিষয় রয়েছে।
তবে চালকবিহীন রেল নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি, জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রী সরিয়ে নেওয়া এবং কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকেরা ও পরিবহন শ্রমিক সংগঠনগুলো। অন্যদিকে, সমর্থকদের মতে, যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে স্বয়ংক্রিয় ট্রেন চলাচল আরও দক্ষ হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি যাত্রীদের জন্য এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে যাতায়াতের সময়, সেবার নিয়ম এবং গণপরিবহনের অভিজ্ঞতায় প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এখনই সব শহরে চালকবিহীন ট্রেন চালু হচ্ছে—এমন নয়। এগুলো পরিকল্পনা ও পর্যালোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।
আরটিভি/এমএম


