ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

কারাগার থেকে পালানো যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩ এএম
টেনেসির কারাগার থেকে পালানোর এক সপ্তাহের বেশি সময় পর গ্রেপ্তার হয়েছেন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত জ্যাকব মর্লি। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের কারাগার থেকে পালানোর এক সপ্তাহের বেশি সময় পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক খুনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৮ বছর বয়সী জ্যাকব মর্লিকে মঙ্গলবার মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের কানসাস সিটির কাছে নরবর্ন এলাকা থেকে আটক করা হয়।

টেনেসি তদন্ত ব্যুরো জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের মারিয়ন এলাকার একটি শিকার শিবিরের ঘরে মর্লির লুকিয়ে থাকার খবর পান তদন্তকারীরা। ওই সম্পত্তি থেকে একটি পিকআপ গাড়ি চুরির ঘটনাও জানতে পারেন তারা। পরে একাধিক সংস্থার সহায়তায় মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে তার অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।

মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের মহাসড়ক টহল পুলিশ জানায়, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নরবর্নের কাছে তাকে আটক করা হয়। এ সময় চুরি হওয়া গাড়িটি থেকে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

মর্লি টেনেসির নর্থওয়েস্ট সংশোধনাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। গত ২৫ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে কারারক্ষীরা তাকে কারাগারে খুঁজে পাননি। পরে নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কারাগারের বেড়া টপকে বন্দির পোশাক পরেই পালিয়ে যান তিনি।

এর দুই দিন পর ২৭ অক্টোবর ভোরে কারাগারের কাছের লেক কাউন্টি থেকে একটি সাদা রঙের পিকআপ গাড়ি চুরি করেন মর্লি। পরে গাড়িটি ইলিনয়ের মারিয়ন এলাকায় পাওয়া গেলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তাকে ধরিয়ে দিতে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা পুরস্কার হিসেবে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ৫০০ ডলার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

২০২২ সালে সাবেক সহকর্মী কোডি বার্চফিল্ডকে হত্যার দায়ে মর্লির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। নিখোঁজ হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর বার্চফিল্ডের মরদেহ মর্লির বাড়ির নিচে একটি বাক্সের ভেতর পাওয়া যায়। হত্যার পাশাপাশি বাড়িতে চুরি, আলামত নষ্ট, ভাঙচুর ও গ্রেপ্তার এড়ানোর অভিযোগেও তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

সূত্র: সিবিএস নিউজ

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের দুই কক্ষেই বড় ধাক্কা খেয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেটে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে পেছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদ।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প 
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কানসাস অঙ্গরাজ্যের সিনেটে জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডাম হ্যামিল্টন।
৯৪ বছর পর কানসাসে সিনেট আসন পেল ডেমোক্র্যাটরা
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। সম্প্রতি দ্য নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি অবশ্যই নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত। আমরা ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করব। আশা করি, একসঙ্গে কাজ করার কোনো পথ বের করতে পারব। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য ট্রাম্প দায়ী করেছেন নিজের নাম ব্যালটে না থাকাকে। অর্থাৎ, তিনি নিজে প্রার্থী না হওয়ায় দলের প্রার্থীরা প্রত্যাশিত ফল পাননি বলে মনে করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ব্যালটে আমি ছিলাম না। যদি থাকতাম, তাহলে আমরা বিপুল ব্যবধানে জয়ী হতাম! নির্বাচনে নিজের সমর্থন দেওয়া পরাজিত প্রার্থীদের নিয়েও কোনো অনুশোচনা নেই বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।  তবে সাউথ ক্যারোলাইনার প্রার্থী ডারলিন গ্রাহামের পরাজয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, ‘দেখলাম ডারলিন হেরে গেছেন। বাহ, এটা তো অবিশ্বাস্য!’ এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসন, সিনেটের ১০০টির মধ্যে ৩৫টি আসন এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরসহ স্থানীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকটি পদে ভোট হচ্ছে। বর্তমানে কংগ্রেসের দুই কক্ষ সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ; দুটির নিয়ন্ত্রণই রিপাবলিকানদের হাতে।  যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো প্রতিনিধি পরিষদ। সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন। সাধারণত আইন প্রণয়নের প্রস্তাব প্রথমে এই কক্ষে উত্থাপন ও আলোচনা করা হয়, পরে তা সিনেটে পাঠানো হয়। আরটিভি/এসআর
আমি নির্বাচনের ফল মেনে নিতে প্রস্তুত: ট্রাম্প
আরও পড়ুন
কংগ্রেসে হারের পর এবার ক্ষমতা হারানোর শঙ্কায় ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে প্রথম মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচনে এগিয়ে আবদুল এল-সায়েদ
তাঁতী দল নেতা হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
‘আমি থাকলে হারত না রিপাবলিকানরা’, নির্বাচনে হারার পর ট্রাম্প