ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালতে মামলার জট কমাতে সরকারের একগুচ্ছ পদক্ষেপ

বাসস

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
প্রতীকী ছবি

মামলার জট দেশের আইন ও বিচার বিভাগের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের আদালতগুলোতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৭৩১টিতে দাঁড়িয়েছে। এই বিপুল জট নিরসনে সরকার ইতোমধ্যে বহুমাত্রিক ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী, এসব পদক্ষেপ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হলে হলে মামলার দ্রুত ও কার্যকর নিষ্পত্তি নিশ্চিত হবে।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী জানান, প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মামলা নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার সক্রিয় উদ্যোগের ফলে দায়িত্ব নেওয়ার আড়াই মাসের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে প্রায় ৪ হাজার মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে, যা বিচার ব্যবস্থায় গতি ফেরানোর গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করে।

তিনি আরও বলেন, আপিল বিভাগে সাম্প্রতিক সময়ে মামলার চাপ বাড়লেও প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় পুরাতন মামলাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। একইভাবে নিম্ন আদালতের বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদেরও এজলাসের সময় সর্বোচ্চ ব্যবহার করে দ্রুত বিচারকার্য সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মামলা জট নিরসনে যেসব পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী এবং বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই উপকৃত হবেন।

এদিকে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জানান, দ্রুত, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী বিচার নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার। গৃহীত পদক্ষেপগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হলে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিচার বিলম্বের কারণ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার ব্যবস্থায় কাঠামোগত ও প্রক্রিয়াগত- উভয় ধরনের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিচারক সংখ্যা স্বল্পতা, আদালত কক্ষের সংকট, অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং সহায়ক জনবলের অভাব অন্যতম প্রধান সমস্যা। পাশাপাশি মামলার শুনানিতে বারবার মুলতবি, সাক্ষীর অনুপস্থিতি, তদন্ত প্রতিবেদনের বিলম্ব এবং একাধিক স্তরের আপিল প্রক্রিয়াও বিচার বিলম্বের কারণ হিসেবে কাজ করছে।

মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আইন সংস্কারের উদ্যোগ হিসেবে ‘দ্য কোড অব সিভিল প্রসিডিউর (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এতে সমন জারির ক্ষেত্রে এসএমএস ও ভয়েস কল ব্যবহারের বিধান যুক্ত হয়েছে, যা প্রথাগত পদ্ধতির বিলম্ব কমাবে। এ ছাড়া অ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে আরজি ও লিখিত জবাব দাখিল, সরাসরি জেরা এবং ডিক্রি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে।

ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রেও ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। এতে পলাতক আসামির ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া পরিহার, ডিজিটাল সমন জারি এবং বিচার প্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০-এর আওতায় ইতোমধ্যে তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসক এবং ম্যাজিস্ট্রেটদের সাক্ষ্য অনলাইনে গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে সাক্ষীদের আদালতে সরাসরি উপস্থিতির প্রয়োজন কমছে এবং সময় ও ব্যয় উভয়ই সাশ্রয় হচ্ছে, যা বিচার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে।

মামলার জট কমাতে বিচারক ও আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ৮৭১টি নতুন আদালত স্থাপন এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কাজ এগিয়ে চলছে। পাশাপাশি বিচার বিভাগে সহায়ক কর্মচারী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিচার কার্যক্রমে আরও গতি আনবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া আদালতে মামলা দায়েরের আগে মধ্যস্থতার বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে ২০টি জেলায় বাস্তবায়িত হয়ে ইতিবাচক ফলাফল দিচ্ছে। এতে মামলা দায়েরের হার কমছে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির হার বাড়ছে।

আইনগত সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করতে আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের সেবা উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ‘১৬৬৯৯’ হটলাইনের মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বিচার প্রাপ্তি সহজ করছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে ২৩টি জেলায় চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন জেলায় আদালত ভবন সম্প্রসারণ ও নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বিচার কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়ক হবে।

রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, মামলা জটের একক কোনো কারণ নেই। আইনগত ত্রুটি, আপিলের চাপ এবং পর্যাপ্ত প্রযুক্তিগত ও মানবসম্পদের অভাব মিলিয়েই এই জট সৃষ্টি হয়েছে।

বিচারকদের জন্য স্টেনোগ্রাফার ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এতে বিচারকদের কাজের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

হাবিবুর রহমান আরও বলেন, পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও মানসম্মত কর্মপরিবেশ না থাকায় অনেক বিচারক তাদের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারছেন না। একাধিক বিচারককে একই এজলাস ভাগ করে কাজ করতে হওয়ায় সময়ের অপচয় হচ্ছে এবং বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা তৈরি করছে, যার ফলে অনেকেই অনানুষ্ঠানিক সালিশ বা গ্রাম্য ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছেন। এতে অনেক ক্ষেত্রে তারা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।

ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন বলেন, বিচার ব্যবস্থার সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেজন্য সুফল পেতে সময় লাগবে। তবে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, গতিশীল এবং জনগণবান্ধব হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জামালপুরে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪ জনের সাজা
জামালপুরে পৃথক অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন এবং আরও দুই আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
জামালপুরে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪ জনের সাজা
বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়ি ফেরে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু, যে সাজা পেলেন শহিদুল 
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাকপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের মামলায় শহিদুল ইসলাম নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিবস্ত্র অবস্থায় দৌড়ে বাড়ি ফেরে বাকপ্রতিবন্ধী শিশু, যে সাজা পেলেন শহিদুল 
সাবেক এমপি জাফর আলম কারাগারে
পৃথক দু’টি মামলায় যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) মো. জাফর আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। 
সাবেক এমপি জাফর আলম কারাগারে
রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন নজরুলপত্মী মাকছুদা, আটকে রাখার আবেদন
আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর বিতর্কিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. মাকছুদা ইসলাম।  মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার কথা আদালতকে জানিয়েছেন তিনি। আবেদনে ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেছেন, আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা মামলার তদন্তে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এ বিষয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের উল্টোদিকের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর রাতে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রাতেই আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম ও নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ। এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানা থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি নিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত নজরুল ইসলামকে চার দিন এবং মাকছুদা বেগমের একদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেছেন, গত জুনে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে থাকতেন মরিয়ম। এজাহারে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে বলে গেছেন। এর মধ্যে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন।  সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ। তিনি এজাহারে লিখেছেন, লাশ উদ্ধারের সময় মেয়ের বিছানার ওপরে তার লেখা ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পান। আরটিভি/এসআর
রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন নজরুলপত্মী মাকছুদা, আটকে রাখার আবেদন
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মুনিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বক্স খাটের নিচে লুকিয়ে রাখার চাঞ্চল্যকর মামলায় স্বামী মুস্তাককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আলামত গোপন ও মরদেহ গুম করার অপরাধে আরও ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
আরও পড়ুন
নবীনদের পদচারণায় মুখর বদরুন্নেসা কলেজ
কক্সবাজার সরকারি কলেজের ছাত্রীনিবাসে এলো ইয়াবার পার্সেল
হঠাৎ রাতে সরকারি কোয়ার্টার থেকে ভেসে আসে তরুণীর চিৎকার, অতঃপর...
দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জন ধরা