ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র লাশ উত্তোলনে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

বাসস

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
চিত্রনায়ক সালমান শাহ-ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়ক সালমান শাহের (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) লাশ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গত ২২ জুন সিলেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেন। এই অফিস আদেশের একটি অনুলিপি রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ডাক যোগে পাঠানো হয়েছে। এই অফিস আদেশটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ মোতাবেক মামলার ভিকটিম মৃত চিত্রনায়ক সালমান শাহ্-এর মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৭৬(২) ধারা মোতাবেক কবর হতে লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত থেকে ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল দায়িত্ব পালনের জন্য সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. পারভেজকে নিয়োগ করা হলো।

রমনা থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম আজ বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে গত ২০ মে সালমান শাহ’র মৃতদেহ (লাশ) কবর থেকে উত্তোলনের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা গত ২৪ মে হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলনপূর্বক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার অনুমতি দেন।

গত ২৩ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার বাদি মোহাম্মদ আলমগীর (কুমকুম) লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি নথিভুক্ত করার আদেশ দেন।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন

মামলার আসামিরা হলেন- সালমান শাহ’র স্ত্রী সামিরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, খলনায়ক ডন, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি পার্লারের রুবি, আবুল সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ’র মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদিপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২১ অক্টোবর সালমান শাহ’র মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে মোহাম্মদ আলমগীর উল্লেখ করেন, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তার বোন নীলুফার জামান চৌধুরী (নীলা চৌধুরী), বোনের স্বামী কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং তাদের ছোট ছেলে শাহরান ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহের সঙ্গে দেখা করতে যান। সেখানে গিয়ে তারা জানতে পারেন, সালমান ঘুমাচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর প্রোডাকশন ম্যানেজার সেলিম ফোন করে জানান, সালমানের কিছু হয়েছে। তখন দ্রুত তারা বাসায় ফিরে দেখেন, সালমান শয়নকক্ষে নিথর পড়ে আছেন এবং কয়েকজন বহিরাগত নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে সামিরার আত্মীয় রুবি বসে ছিলেন।

সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। তারা সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

মোহাম্মদ আলমগীর এজাহারে আরও জানান, সালমানের পিতা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার মৃত্যুর আগে ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি দরখাস্ত দাখিল করেন। এতে তিনি রমনা থানার অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান। সালমানের পিতার মৃত্যুর পর তিনি তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মৃত্যুবরণ করে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন। এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তাহসিফ হত্যাকাণ্ড / রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দিশা, পাঠানো হলো কারাগারে
রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরীর (২৭) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সন্দেহভাজন আসামি জেরিকা তাসনিম দিশাকে (১৯) দুই দফায় মোট সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ফিরোজ উদ্দিন এ তথ্য উল্লেখ করেন। আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে দিশা জানিয়েছেন, ঘটনার আগে ২৭ অক্টোবর রাতে তাহসিফের সঙ্গে উত্তরার ‘নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে’ যান তিনি। এর আগে সন্ধ্যায়ও তারা অনেকক্ষণ একসঙ্গে ঘোরাঘুরি করেন। পরে নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে যান। বিভিন্ন জায়গায় তাহসিফের সঙ্গে বাইকে ঘোরাঘুরি করেন তিনি। এ ছাড়া দিশা মামলার ঘটনা সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন, যা তদন্তের স্বার্থে গোপন রেখে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আরেক সন্দেহভাজন আসামি আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপের বক্তব্যের সঙ্গে দিশার বক্তব্য মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এ ছাড়া তাহসিফের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পর্যালোচনায় দিশার সঙ্গে একাধিকবার কথা বলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।  প্রাথমিক তদন্তে মামলার ঘটনার সঙ্গে দিশার জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আবেদনে আরও বলা হয়, দিশা জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হয়ে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটাতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও মূল রহস্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিকে আবারও রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। এদিন শুনানিতে দিশার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তাই বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ১ নভেম্বর তার চার দিন এবং ৪ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এ মামলায় ৩০ নভেম্বর তাহসিফ সাউরীর বন্ধু শাহরিয়ার রেজা দীপকে (২৩) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিন এবং ৩ নভেম্বর ফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয় আরটিভি/এসআর  
রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন দিশা, পাঠানো হলো কারাগারে
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ডিসেম্বর
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এ নিয়ে ১৩১ বারের মতো প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় পেলো তদন্ত সংস্থা। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তদন্ত সংস্থা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম  প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এদিন ধার্য  করেন। শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া করা বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারোয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।  এরপর নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। গত ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের দায়িত্ব র‌্যাব থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে গঠিত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আরটিভি/এসআর
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ৯ ডিসেম্বর
সালমান শাহ হত্যা মামলা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর
চিত্রনায়ক সালমানশাহকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
সালমান শাহ হত্যা মামলা: সামীরাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৮ ডিসেম্বর
১০ হাজার টাকায় সিম ভাড়া দিয়ে মহাবিপদে যুবক
অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন ও বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মো. লিটন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটি জানায়, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ-নগদের এজেন্ট সিম তিন দিনের জন্য ১০ হাজার টাকায় ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। ওই সিমের বিকাশ অ্যাকাউন্টে মাত্র তিন দিনে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বুধবার (৪ নভেম্বর) সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। লিটন হাওলাদার খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার বৈকালী এলাকার লিটন টি-স্টলের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বলেন, অনলাইন জুয়ার কাজে ব্যবহৃত ১৪ জন দোকানদারের নাম প্রকাশ করেন শেখ সাখির আহম্মেদ (৩৩)। গত ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে সোপর্দ করার পর তিনি এসব নাম জানান। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লিটন হাওলাদারকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে তলব করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে লিটন জানান, নিজের নামে নিবন্ধিত বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম খুলনার বয়রা এলাকার হানিফ নামের এক অটোচালকের কাছে ১০ হাজার টাকায় তিন দিনের জন্য ভাড়া দিয়েছিলেন।  সিমটির বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত ৭ থেকে ৯ আগস্ট পর্যন্ত তিন দিনে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ার সাইটে ২ কোটি ২৬ লাখ ৩৩ হাজার ৮০১ টাকা লেনদেন হয়েছে। সিআইডির পুলিশ সুপার আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে লিটন নিজের নামে নিবন্ধিত এজেন্ট সিম টাকার বিনিময়ে অনলাইন জুয়ার কাজে ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও একটি বিকাশ/নগদের এজেন্ট সিম জব্দ করা হয়। সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, পল্টন মডেল থানায় গত ৩১ আগস্ট দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে সিআইডি। জুয়া প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় করা এ মামলায় অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেন ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত চলছে। আরটিভি/এসআর
১০ হাজার টাকায় সিম ভাড়া দিয়ে মহাবিপদে যুবক
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
জুলাই আন্দোলনে হত্যা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ও বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসির চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ
আরও পড়ুন
সালমান শাহ হত্যা মামলা, ডনের জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর
সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডনের জামিন নামঞ্জুর
আদালত থেকে আবারও পালালেন সেই আসামি
সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন খারিজ