ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

মা-মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে ৩ জনের সাজা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ফেনীর দাগনভূঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির আজাদ এবং একই এলাকার জেলে বাড়ির নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণাকালে আসামি আজাদ ও নিপু দাস কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

জানা গেছে, ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদী পাড়ে অবস্থিত জেলে বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল ইসলাম। এতে বাধা দেওয়ায় ধর্ষিতার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রিজের উপর নিয়ে ধর্ষণ করেন আজাদ ও নিপু। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন প্রবাসীর স্ত্রী৷ পরে দাগনভূঞা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, এ মামলায় আদালতে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রোববার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়ালা গ্রেপ্তার
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: ৮ ডিসেম্বর আপিলের চূড়ান্ত শুনানি
২০১২ সালে পুরান ঢাকার দর্জি দোকানি বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল শুনানি আগামী ৮ ডিসেম্বর।
বিশ্বজিৎ হত্যা মামলা: ৮ ডিসেম্বর আপিলের চূড়ান্ত শুনানি
সুপ্রিম কোর্টে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া সোমবার
সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীদের অগ্নি নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) একটি ফায়ার ড্রিল ও প্রাথমিক অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খোকন হোসেন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীদের অগ্নিনিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতন করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত নিরাপদে সরে যাওয়ার দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সুপ্রিম কোর্ট কম্পাউন্ড, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন ভবন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ১৯ অক্টোবর সকাল ১১ টায় একটি ফায়ার ড্রিল ও প্রাথমিক অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
সুপ্রিমকোর্টে অগ্নিনির্বাপণ মহড়া সোমবার
সংসদ ভবনের সামনে হ্যাঁচকা টানে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু, এক আসামির জামিন
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আয়েশা আক্তার মৌসুমী এ আদেশ দেন।
সংসদ ভবনের সামনে হ্যাঁচকা টানে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু, ছিনতাইকারীর জামিন
আবরার ও মেজর সিনহা হত্যাসহ আলোচিত তিন মামলার আপিল শুনানির দিন ধার্য
নারায়ণগঞ্জের সাত খুন, বুয়েটের আবরার ফাহাদ হত্যা ও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলাটি আগামী ১৭ নভেম্বর, আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাটি ২৪ নভেম্বর এবং মেজর সিনহা হত্যা মামলাটি ১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন। রোববার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো: রুহুল কুদ্দুস কাজল। নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলা: ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ পাঁচজনকে অপহরণ করা হয়। বিষয়টি দেখে ফেলায় অপহরণের শিকার হন আইনজীবী চন্দন সরকার ও তাঁর গাড়িচালক মো. ইব্রাহিম। তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে ছয়টি লাশ, পরদিন পাওয়া যায় আরেকটি লাশ। নজরুল, চন্দন ও ইব্রাহিম ছাড়া হত্যার শিকার অন্য ব্যক্তিরা হলেন নজরুলের বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন ও গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম। ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত সাত খুনের মামলায় র‌্যাব-১১-এর সাবেক তিন কর্মকর্তা (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) লে. কর্নেল তারেক সাঈদ, মেজর আরিফ হোসেন, কমান্ডার এম এম রানা, বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেনসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন দণ্ডিত ব্যক্তিরা। পরবর্তীতে হাইকোর্ট ১৫ আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল ও অপর ১১ আসামির দণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ৯ আসামির দণ্ড বহাল থাকে। দণ্ডিত তারেক সাঈদ, নূর হোসেনসহ মামলার বেশ কয়েকজন আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। মেজর সিনহা হত্যা মামলা: ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি বিচারিক আদালত এই মামলার মোট ১৫ জন আসামির মধ্যে দুই জনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয় জনকে যাবজ্জীবন ও সাত জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। সে রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন, টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাগর দেব, রুবেল শর্মা, পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন, নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দীন। ২০২৫ সালের ২ জুন হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। আবরার ফাহাদ হত্যা মামলা: ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদকে। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নির্মম সে হত্যায় জড়িতদের সবাই ছিলেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের (বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন) নেতা-কর্মী। আলোচিত এই হত্যা মামলায় ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১। বিচারিক আদালতের রায়ে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট ২০ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন মেহেদী হাসান (রাসেল), মো. অনিক সরকার, মেহেদী হাসান (রবিন), ইফতি মোশাররফ, মো. মনিরুজ্জামান, মো. মেফতাহুল ইসলাম, মো. মাজেদুর রহমান, মো. মুজাহিদুর রহমান, খন্দকার তাবাককারুল ইসলাম, হোসাইন মোহাম্মদ তোহা, মো. শামীম বিল্লাহ, এ এস এম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলাম, মুনতাসির আল (জেমি), মো. শামসুল আরেফিন, মো. মিজানুর রহমান, এস এম মাহমুদ, মোর্শেদ-উজ-জামান মণ্ডল, এহতেশামুল রাব্বি ও মুজতবা রাফিদ। হাইকোর্টের রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকা আসামিরা হলেন মুহতাসিম ফুয়াদ হোসেন, মো. আকাশ হোসেন, মুয়াজ আবু হুরায়রা, অমিত সাহা ও ইশতিয়াক আহমেদ। আরটিভি/টিআর
আবরার ও মেজর সিনহা হত্যাসহ আলোচিত তিন মামলার আপিল শুনানির দিন ধার্য
আরও পড়ুন
ফেনী ইউনিভার্সিটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
মিরসরাই সীমান্তে বিপুল ভারতীয় মদ ও গরু জব্দ
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার