
নিয়োগের একমাস পূর্ণ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন নুরুল করীম নামে আরও এক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। এই পদত্যাগের পেছনে ব্যক্তিগত অসুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রটি রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে জমা দিয়েছেন তিনি।
পদত্যাগপত্রে নুরুল করীম উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ৩০ জুলাই সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। সেসময় থেকে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছেন তিনি। তবে ব্যক্তিগত কারণে এখন আর তার পক্ষে দায়িত্ব পালন সম্ভব নয়।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের ৮৬ জন আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) পদে এবং ১৮০ জন আইনজীবীকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। ডিএজি–এএজি পদে সব মিলে ২৬৬ জন নিয়োগ পান। আর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ডিএজি–এএজি পদে এটিই প্রথম নিয়োগ।
ওই নিয়োগের ১৮ দিনের মাথায় নুরুল করীম রোববার পদত্যাগপত্র দিলেন। আর নিয়োগের চার দিনের মাথায় ‘ব্যক্তিগত’ কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতার কথা উল্লেখ করে গত ৩ আগস্ট পদত্যাগপত্র দেন মো. মাহফুজুর রহমান নামে আরেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল। তার নিয়োগ আদেশ বাতিল করে ৬ আগস্ট প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পাওয়া সব ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে গত ৩০ জুলাই ডিএজি–এএজি পদে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়।
আরটিভি/এসএইচএম



