ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আমি আওয়ামী লীগার না’ বলে পুলিশকে শাসালেন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি আওয়ামী লীগার না’ বলেই পুলিশের দেওয়া হেলমেট ছুড়ে ফেললেন জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর বিমানবন্দর থানার মামলায় তাকে আদালত চত্বরে প্রিজনভ্যান থেকে নামার সময় তিনি ঘটনাটি ঘটান। এ সময় জামায়াতের এই নেতা নিজের হাতে হাতকড়া ও মাথায় হেলমেট পরানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আমার মুক্তিযুদ্ধ করে পাওয়া দেশে আমার হাতে হাতকড়া ও হেলমেট পরানো হয়েছে।

আদালতে নেওয়ার সময় তিনি আরও বলেন, আমি বিমানের অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলেছি। এ সময় প্রিজনভ্যানের ভেতর থেকে আঙুল তুলে পুলিশকে শাসাতেও তাকে দেখা যায়। এক সময় তিনি হেলমেট ছুড়ে ফেলে দেন।

জামায়াত নেতা ও মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান আরও বলেন, জুলুম, নির্যাতন করে আমাদেরকে থামানো যাবে না। জামায়াত জনগণের জন্য লড়বে, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়বে।

তিনি আরও বলেন, ভাইয়েরা, জনগণের অধিকার সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। জনগণের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। আমরা জনগণের জন্য লড়ব ইনশাআল্লাহ।

প্রসঙ্গত, মদিনা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে আসা ওমরাহ যাত্রীদের জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে বিলম্ব হয়। ওই ফ্লাইটে ছিলেন আখতারুজ্জামান। ঢাকায় বিমানবন্দরে নেমে তিনি ওই ঘটনা নিয়ে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ‘বাজে’ আচরণ শুরু করেন। তিনি বিমানমন্ত্রীর নাম ধরেও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। তার উচ্চবাচ্যের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় তার নামে মামলা দায়ের করেন।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে
বিমানবন্দর থানার মামলায় জামায়াত নেতা ও মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে
ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতো তারা, সঙ্গে রাখতো ওয়াকিটকি-হ্যান্ডকাফ
রাজধানীর উত্তরায় ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের ভুয়া পরিচয়পত্র, ওয়াকিটকি, এক জোড়া হ্যান্ডকাফ, মোটরসাইকেল ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।  গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রাসেল মাহবুব ওরফে মাছুম (৪২), সোহেল মির্জা (৪১) ও মো. সজিব (৩৬)। ডিএমপির উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৩ নম্বর রোডের একটি বাড়ির দশম তলার ফ্ল্যাটে যায়। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি ফ্ল্যাটের মালিক কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদীকে নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দেন। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা নিষ্পত্তির কথা বলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা। ভয়ে ভুক্তভোগী তাদের ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা দেন। পরে তাদের কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি পরিচয়পত্র উদ্ধার করে। পরিচয়পত্রটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে অভিযুক্তরা ভুয়া ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ডিজিএফআইয়ের একটি ভুয়া পরিচয়পত্র, একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল, নগদ ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকা, একটি ওয়াকিটকি ও এক জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়েছে। ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) জানান, এ ঘটনায় উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা হয়েছে। আরটিভি/এসকে
ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতো তারা, সঙ্গে রাখতো ওয়াকিটকি-হ্যান্ডকাফ
সম্পত্তি হস্তান্তরে নতুন আইনি দিগন্ত
নতুন এ আইনের মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের আইনি কাঠামোয় ‘জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান’ নামে একটি নতুন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে সম্পত্তির চূড়ান্ত মালিকানা গ্রহীতার অনুকূলে হস্তান্তর হলেও দাতা যতদিন জীবিত থাকবেন, ততদিন ওই সম্পত্তি নিজের মতো ভোগদখল ও ব্যবহার করতে পারবেন।
সম্পত্তি হস্তান্তরে নতুন আইনি দিগন্ত
আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে ‘রোল মডেল’ বার কাউন্সিল
মানসম্মত পরীক্ষার মাধ্যমে আইনজীবী তালিকাভুক্তি, পেশাগত অসদাচরণের জন্য নিজেদের ট্রাইব্যুনালে বিচার ও মৃত্যু পরবর্তী আর্থিক অনুদানের নিশ্চয়তার কারণেই পেশাজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এখন ‘রোল মডেল’।
আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে ‘রোল মডেল’ বার কাউন্সিল
মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা, প্রধান আসামির জামিন
পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাহমুদ হাসান মাহিনকে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিচারপতি রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি সৈয়দ হাসান জুবায়েরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একই সাথে মাহিনকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় জানিয়েছে, মাহিনের জামিন স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করা হবে। এদিকে মামলাটি বর্তমানে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আলমগীর হোসেনের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের কাছের রজনী ঘোষ লেনে সোহাগকে ঘিরে হামলা চালায় একদল লোক। পাকা রাস্তার ওপর তাকে পাথর দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান। একইসাথে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ১০ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। তবে তদন্তে ত্রুটি থাকার কথা উল্লেখ করে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে আগের মতোই ২১ জনকে আসামি করা হয়। এর আগে গত ১২ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার প্রধান আসামি মাহমুদ হাসান মাহিন ছাড়াও আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির এবং অপু দাস।  তাদের মধ্যে ১০ জন কারাগারে, আটজন পলাতক এবং তিনজন জামিনে রয়েছেন। গত ৩ আগস্ট আদালতে জবানবন্দি দেন নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম। সেখানে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাহিন, টিটু, লম্বা মনির, ছোট মনির, সজিব, রাজিব, রুমান বেপারী, আবির হোসেন, আলমগীর, অপু দাস, অভি, টিটন গাজী ও রবিনসহ কয়েকজন সোহাগের ওপর হামলা চালান। জবানবন্দিতে তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা সোহাগকে মারধরের পাশাপাশি ইট-পাথরের খণ্ড দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে মাটিতে পড়ে গেলে কংক্রিটের বোল্ডার দিয়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে সোহাগ মারা গেছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে তার লাশের ওপর উঠে হামলাকারীরা উল্লাস করেন বলেও জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়। নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসা করতেন। আরটিভি/এসআর
মিটফোর্ডে পাথরের আঘাতে সোহাগ হত্যা, প্রধান আসামির জামিন
আরও পড়ুন
জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে
আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তারের নিন্দা ও মুক্তির দাবি জামায়াতের
জামায়াতে ইসলামীর নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার
বিমানবন্দরে হট্টগোল ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছনা, জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মামলা