ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ইতিহাসে আজকের এই দিনে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:১৫ এএম
২০১৩ সালের এই দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা মারা যান

আজ ৫ ডিসেম্বর, ২০২২, সোমবার। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি:
১৩৬০ - ফ্রান্সের মুদ্রা ফ্রাঁ চালু হয়।
১৪৫৬ - নেপলসে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
১৭৫৭ - প্রুশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে অস্ট্রিয়া পরাজিত হয়।
১৭৬৬ - লন্ডনে প্রথম নিলাম ডাক শুরু হয়।
১৭৯২ - জর্জ ওয়াশিংটন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৮০৪ - টমাস জেফারসন দ্বিতীয়বারের মতো আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৮১২ - নেপোলিয়ন বোনাপার্ট রাশিয়ায় লজ্জাজনক পরাজয়ের পর ফ্রান্সে ফিরে যায়।
১৮৪৬ - দুদু মিয়া কর্তৃক নীলকুঠি আক্রমণ।
১৮৫৪ - অ্যারোন অ্যালেন রিভলবিং থিয়েটার চেয়ার প্যাটেন্ট করেন।
১৮৭৯ - প্রথম স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন সুইচিং সিস্টেম প্যাটেন্ট করা হয়।
১৮৯৩- চীন আর ব্রিটেনের মধ্যে ‘চীন-ব্রিটেন সম্মেলন তিব্বত-ভারত চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়।
১৯১৭- ফিনল্যান্ড স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯১৭ - রাশিয়ার বিপ্লবী সরকার ও জার্মানির মধ্যে সন্ধি চুক্তি হয়।
১৯২৯ - আইরিনা স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৩২- জার্মান বংশোদ্ভুত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন আমেরিকার ভিসা পান।
১৯৩৩ - উটাহ ৩৬তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে আমেরিকার সাথে যুক্ত হয়।
১৯৩৬ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের নতুন সংবিধান অনুমোদিত হয়। এর মাধ্যমে ১৯২৪ সালে প্রণীত ফেডারেল সংবিধান বাতিল হয়ে যায়।
১৯৪১ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইংল্যান্ড ফিনল্যান্ড, হাঙ্গেরী ও রোমানিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪৩- জাপানী বোমারু বিমান কলকাতায় বোমা বর্ষণ করে।
১৯৫০- কোরিয় যুদ্ধ চলাকালে চীনের সৈন্যরা উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং-এ প্রবেশ করে।
১৯৫৫ - এডগার নিক্সন ও রোসা পার্কস আমেরিকায় বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মন্টেগোমারীতে বাস বয়কট আন্দোলন শুরু করেন। সে সময় নিক্সনকে গ্রেফতার করা হয়।
১৯৬৯ - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব-পাকিস্তানের নামকরণ করেন ‘‘ বাংলাদেশ ”।
১৯৭১- ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক যুদ্ধ ঘোষণার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ কমান্ড গঠন করে মিত্রবাহিনী নাম গ্রহণ করে।
১৯৭১ - পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মৌলভীবাজারের জুড়ী এলাকাকে (বর্তমান জুড়ী উপজেলা) শত্রুমুক্ত করে।
১৯৭৭ - মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত সিরিয়া, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও দক্ষিণ ইয়েমেনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে।
১৯৮৫ - যুক্তরাজ্য ইউনেস্কোর সদস্যপদ প্রত্যাহার করে।
১৯৮৭- পানামার জাতীয় পতাকা ধারী একটি মালবাহী জাহাজ স্পেনের উত্তর উপকূলীয় ফিনিস্টেলে জলসীমা থেকে প্রায় ১৫ নটিকল-মাইল দূরে যায়। জাহাজের ২৩ জন চীনা নাবিক প্রাণ হারান।
১৯৯৯ - যানজট এড়াতে ব্যাংককে আকাশ ট্রেন সার্ভিস চালু।
১৯৯৫- হংকং-র সবোর্চ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো চীনা ভাষায় মামলা পরিচালিত হয়।
১৯৯৬- ম্যাডেলিন অলব্রাইট যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম নারী পররাষ্ট্র মন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হন।


জন্ম:
১৩৭৭ - চীনের সম্রাট জিয়ান ওয়েন।
১৪৪৩ - পোপ দ্বিতীয় জুলিয়াস।
১৮৩০- ইংরেজ মহিলা কবি ক্রিশ্চিনা রসেটি।
১৯০১ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদন শিল্পের বিগ বস, মিকি মাওসের প্রতিষ্ঠাতা ওয়াল্ট ডিজনী শিকাগো।
১৯০১ - নোবেল জয়ী জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ওয়ার্নার হাইজেনবার্গ।
১৯৩২ - মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী শেল্ডন গ্ল্যাশো।

মৃত্যু:
১৫৬০ - ফ্রান্সের রাজা দ্বিতীয় ফ্রাঙ্কোইস।
১৭৯১ - অস্ট্রীয় মিউজিক কম্পোজারভোলফগাং আমাদেউস মোৎসার্ট।
১৮৩৭ - অবিভক্ত ভারতে নারী শিক্ষার অন্যতম পথিকৃত, দিগদর্শন পত্রিকার সম্পাদক জোশুয়া মার্শম্যানের মৃত্যু।
১৮৭০ - ফরাসি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার আলেকসাঁদ্র দ্যুমার।
১৮৯০ - অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্দেশক, চলচ্চিত্রকার ফ্রিৎস ল্যাং।
১৯২৬ - প্রখ্যাত ফরাসী চিত্রশিল্পী ক্লোদ মন।
১৯৫০- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী অরবিন্দ ঘোষ।
১৯৫১- চিত্রশিল্পী ও শিশু সাহিত্যিক অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯৬৩ - আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
১৯৮১- সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সত্যেন সেন।
১৯৮৬ - ভারতের ভৌত রসায়ন বিজ্ঞানের পথিকৃত ড. নীলরতন ধর।
২০১৩ - দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অবিসংবাদিত নেতা নেলসন রলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২, শনিবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি: ১৬০০ - ব্রিটেনের রানী এলিজাবেথ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে অনুমোদন দেন। ১৮০২ - পেশোয়া দ্বিতীয় বাজিরাও ব্রিটিশ সরকারের আশ্রয় গ্রহণ করেন। ১৮২৭ - ইংরেজ ফার্মাসিস্ট জন ওয়াকার দিয়াশলাই আবিষ্কার করেন। ১৮৩১ - কৃষ্ণধন মিত্রের সম্পাদনায় শিশুপাঠ্য মাসিক পত্রিকা ‘জ্ঞানোদয়’ প্রকাশিত হয়। ১৯০৬ - চীনের থুংমেং হুই দলের সদস্য লিউ তাওই চীনের ছাংশা শহরে গ্রেপ্তার হয়ে নিহত হন। ১৯১৬ - রাশিয়ার যাজক রাসপুটিন নিহত হন। ১৯২৫ - রুমানিয়ার রাজা দ্বিতীয় ক্যারোল পুত্রের স্বপক্ষে সিংহাসন ত্যাগ করেন। ১৯২৯ - জওহরলাল নেহরু ত্রিবর্ণরঞ্জিত জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ভারতীয় কংগ্রেসে ঘোষণা করেন ‘পূর্ণ স্বাধীনতাই ভারতের লক্ষ্য’। ১৯৪২ - স্টালিনগ্রাদের লড়াইয়ে জার্মান বাহিনী পরাজয় বরণ করে। ১৯৪৮ - কার্জন হলে পূর্ব-পাকিস্তান সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্ঞানতাপস ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার পক্ষে তথ্যপূর্ণ হৃদয়স্পর্শী ভাষণ দেন। ১৯৮৩ – ব্রুনাইর স্বাধীনতা ঘোষণা হয়। ১৯৮৭ - চীনের নৌবাহিনীর পারমাণবিক ডুবু জাহাজের প্রথম নৌযাত্রা সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয় । ১৯৮৮ - পরমাণু, অনাক্রমণ, বিমান পরিবহন ও সংস্কৃতি বিষয়ে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি স্বাক্ষর। ১৯৮৯ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত প্রজাতন্ত্রগুলোতে জাতীয়তাবাদী চেতনা চরমে ওঠার প্রেক্ষাপটে আজারবাইজান প্রজাতন্ত্রের জনগণ ইরানের সঙ্গে একত্রিত হবার জন্যে আন্দোলন শুরু করে। ১৯৯৩ - হাংচৌ শহরে চীনের প্রথম ইলেক্ট্রনিক সংবাদপত্রের প্রচলন হয় । ১৯৯৬ - ৭৪ বছর বয়স্ক বুট্রোস ঘালি ছিলেন প্রথম আফ্রিকা ব্যক্তি যিনি জাতিসংঘের মহসচিবের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৯ - আমেরিকা কর্তৃক পানামা খাল পানামার কাছে হস্তান্তর। ১৯৯৯ - রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন পদত্যাগ করেন এবং ভ্লাদিমির পুতিন তার স্থলাভিষিক্ত হন। ২০০২ - জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম ম্যাগনেটিক দ্রুততম ট্রেনের (ঘণ্টায় ২৭০ মাইল গতি) যাত্রা শুরু। ২০০৯ – এ দিনে সুপার মুন ও চন্দ্রগ্রহণ একই সঙ্গে ঘটেছিল। ২০১৪ – চিনের সাংহাই এ বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের হামলায় ৩৬ লোক নিহত ও ৪৯ জন আহত হয়। জন্ম: ১৪৯১ - ফরাসি অভিযাত্রিক, কানাডার অন্যতম আবিষ্কারক জাক কার্তিয়ে। ১৭৩৮ - ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ। ১৮৮০ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন রাজনীতিবিদ জর্জ মার্শাল। ১৮৮৮ - বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের গবেষক বেণীমাধব বড়ুয়া। ১৯১১ - চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও মানবহিতৈষী ড. মোহম্মদ ইব্রাহিম। ১৯১৮ - শিক্ষাবিদ ও গবেষক আজিজুর রহমান মল্লিক। ১৯৩৭ - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত ইসরায়েলি প্রাণ রসায়ন বিজ্ঞানী আব্রাহাম হেরশক। ১৯৪৫ - তাত্ত্বিক কম্পিউটার বিজ্ঞানী লেনার্ড এডলম্যান। ১৯৪৮ - কবি ও লেখক হাবীবুল্লাহ সিরাজী। ১৯৫২ - কবি ত্রিদিব দস্তিদার। ১৯৮৬ - বাংলাদেশি ক্রিকেটার নাঈম ইসলাম। মৃত্যু: ১৯২১ - ইরানের স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মীর্জা কুচাক খান জাঙ্গালী। ১৯৮৩ - প্রখ্যাত ভাষাসৈনিক ও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ সুলতান। ১৯৯০ - বামপন্থী রাজনীতিবিদ ও কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মণি সিংহ। ২০০৬ - বাংলাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী শেফালী ঘোষ।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
আজ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২, শুক্রবার। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যু দিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়। ঘটনাবলি ১৭৩০ - জাপানের হোক্কাইদোতে প্রচণ্ড ভূমিকম্পে ১ লাখ ৩৭ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। ১৮০৩ - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মোগল দরবারের কাছ থেকে দিল্লি ও আগ্রার শাসনভার গ্রহণ করে। ১৮০৩ - গোয়ালিয়রের মহারাজ সিদ্ধিয়া ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৯০০ - অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ গঠিত হয়। ১৯০৬ - ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহর প্রাসাদে মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯২২ - বলশেভিক বিপ্লবের ঢেউয়ে জার সাম্রাজ্য বিধ্বস্ত হয় এবং সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯২৫ - কানপুরে কমিউনিস্টদের সর্বভারতীয় প্রথম সম্মেলন শেষ হয় এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ - চীনের প্রথম ব্যাল্লে দল; পেইচিং হত্যকলা কলেজের পরীক্ষামূলক ব্যাল্লে দল পেইচিংয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ - স্বাধীন বাংলাদেশের হাইকোর্ট উদ্বোধন। ১৯৯২ - বোরহানউদ্দিন রব্বানি আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত। ১৯৯৭ - চীন সরকার ও দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানিতে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার যৌথ ইস্তাহার স্বাক্ষর করে। ২০০৬ - ইরাকের সাবেক একনায়ক সাদ্দামকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। জন্ম ১৮৬৫ - নোবেলজয়ী ইংরেজ সাহিত্যিক রুডইয়ার্ড কিপলিংয়। ১৯৪৬ - জার্মান জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন খেলোয়াড় ও ম্যানেজার বের্টি ফোক্টস। ১৯৫০ - ডেনীয় কম্পিউটার বিজ্ঞানী বিয়ারনে স্ট্রোভস্ট্রুপ। ১৯৭৫ - আমেরিকার গল্ফ খেলোয়ার টাইগার উড।   মৃত্যু ১৯৪৪ - ফরাসী ঔপন্যাসিক ও বিশ্বশান্তি আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা রমা রোলাঁ। ১৯৫৩ - কবি শাহাদাৎ হোসেন। ১৯৫৯ - পল্লীগীতি শিল্পী ও সুরকার আব্বাসউদ্দীন আহমদ। ১৯৬৮ - জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হ্যালডান লী। ১৯৭৯ - বি অজিত কুমার দত্ত। ২০১১ - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা এম হামিদুল্লাহ খান।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
বর্তমান সময়ে অনেক মানুষই অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। খাবারে একটু এদিক-সেদিক হলেই দেখা দেয় অ্যাসিডিটি। তাই থাকতে হয় সতর্ক। অনেকে আবার অ্যাসিডিটি দেখা দিলেই আগেভাগে অ্যান্টাসিড খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি কোনো সমাধান নয়। কলকাতার বিশিষ্ট ডায়েটেশিয়ান মীনাক্ষী মজুমদার বলেছেন, অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে সেক্ষেত্রে ডায়েট মানতে হবে। পাশাপশি ব্যায়াম, মাইন্ডফুলনেস করলেও উপকার পাবেন। এমন পাঁচটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন, যেগুলো খেলে অ্যাসিডিটি দূর করতে সাহয্য করবে— প্রচুর পানি পান করুন অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে। কারণ পর্যাপ্ত পানি পান করলে হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে চলতে পারে। দিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান করুন। এতে সুস্থ থাকা বেশি সহজ হবে। চিড়া চিড়া খেলে অনেকগুলো উপকার পাবেন। তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যাসিডিটির সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে। এতে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান পেটের অনেক সমস্যা দূর করতে কাজ করে। তাই অ্যাসিডিটি হলে চিড়া কিংবা চিড়ার পোলাও খেতে পারেন। তবে এই পোলাও তৈরির সময় খুব সামান্য তেল দেবেন। বেশি তেল ব্যবহার করলে সমস্যা বাড়তে পারে। ওটস খান ওটস অনেক উপকারী একটি খাবার। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার। হজমের জন্য এই ফাইবার বেশ সহায়ক। পেট ভালো রাখার পাশাপাশি সুগারও নিয়ন্ত্রণ করে। সেইসঙ্গে ওটস খেলে তা দীর্ঘ সময় পেট ভরিয়ে রাখে। বারবার ক্ষুধা না লাগার কারণে খাওয়াও হয় পরিমিত। ফলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকে না। নিয়মিত ওটস খেলে অ্যাসিডিটির ভয় দূর হবে। সকালে হালকা গরম পানি পান করুন প্রতিদিন সকালে উঠে এক গ্লাস হালকা গরম পানি পান করুন। এতে আপনার অ্যাসিডিটির সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এই পানি পেটের অনেক সমস্যার সমাধান করে থাকে। অন্ত্র পরিষ্কারেও এটি কার্যকরী। তবে এই পানির সঙ্গে লেবুর রস মেশাতে যাবেন না। কারণ এতে অ্যাসিডিটির সমস্যা আরও বেড়ে যেতে পারে। ডিম ও ছানা প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হলো ডিম। এটি সহজলভ্য এবং সহজপাচ্য। সেইসঙ্গে খেতে পারেন ছানা। তবে এই ছানা হতে হবে ফ্যাট ছাড়া দুধের তৈরি। কারণ বাড়তি ফ্যাট যোগ হলে অ্যাসিডিটি নাও কমতে পারে। এসব খাবার খাওয়ার পরও অ্যাসিডিটি না কমলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অ্যাসিডিটি দূর করতে নিয়মিত যে ৫ খাবার খাবেন
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
শীতকালে আমাদের ত্বকের অনেক রকম পরিবর্তনই লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু শীতের সময় প্রায় মানুষেরই যে সমস্যাটা বেশি দেখা যায় তা হলো ব্রণ।  ত্বকের এই অবস্থার বিশেষ একটি নাম আছে। চিকিৎসকরা একে বলেন, ‘কেরাটোসিস পিলারিস’। এই রোগের মূল কারণ হল ত্বকের কেরাটিন প্রোটিন। যা ত্বকের উন্মুক্ত রন্ধ্রগুলির মুখ আটকে দেয়। তার ওপর সেখানে ধুলো-ময়লা জমলে, সারা দেহে ছোট ছোট দানার মতো র‌্যাশ দেখা যায়। অনেকেই এই ধরনের র‌্যাশ দেখে ব্রণ ভেবে ভুল করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারা বছর কমবেশি এই সমস্যা থাকলেও আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে এই সময়ে এই সমস্যার প্রাদুর্ভাব আরও বেড়ে যায়। তবে এর জন্য বিশেষ চিন্তারও কারণ নেই। নিয়মিত যত্ন নিলেই ত্বক মসৃণ হয়। সাধারণত মহিলাদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায়। প্রায় সারা বছরই হাত, পিঠে দেখা যায় এ ব্রণ। কারও কারও ক্ষেত্রে ব্যথা হয়, আবার কারও হয় না। দেখে নিন এ সমস্যায় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন-   আর্দ্র রাখা : সব সময়ে ত্বককে আর্দ্র রাখলে এই সমস্যা থেকে অনেকটা মুক্তি পাওয়া যায়। এই মরসুমে শরীরে পানির ঘাটতি থাকায় নানা রকম সমস্যা হতে পারে। ‘কেরাটোসিস পিলারিস’ তাদের মধ্যে একটি। বিশেষ রাসায়নিকযুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা : এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে যে সব প্রসাধনী ব্যবহার করছেন, সেগুলির মধ্যে যেন আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, ল্যাকটিক অ্যাসিড, স্যালিসিলিক অ্যাসিড অবশ্যই থাকে। এই সব যৌগ একত্রে ব্যবহার করলে ত্বকের মৃত কোষের সমস্যা অনেকটাই দূর হবে। এক্সফোলিয়েট : ত্বকের অবস্থা বুঝে প্রতিদিন গোসলের আগে এক্সফোলিয়েট করা জরুরি। কিন্তু সাধারণ ভাবে বাজারে যা পাওয়া যায়, তেমন প্রসাধনী ব্যবহার করলে চলবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে, বিশেষ ধরনের একটি রাসায়নিক মিশ্রিত এক্সফোলিয়েটর ব্যবহার করাই ভালো।
ত্বকে ছোট ছোট র‍্যাশ, ব্রণ নাকি কোনও রোগের লক্ষণ
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
নিজেকে আত্মবিশ্বাসী ও সুন্দর দেখানোর জন্য আমরা প্রত্যেকেই কিছু না কিছু করি। বাইরে বের হলে পোশাকে নিজেকে ফিট করে তোলার চেষ্টা করি। পাশাপাশি চলনবলন ও কথাবার্তায় নিজেকে মার্জিত করে তোলার চেষ্টাও থাকে। বাইরে বের হওয়ার আগে খুব ছোটাখাটো জিনিসেও আমাদের চোখ থাকে, যত্ন থাকে‌ সাজে। ঘড়িও কিন্তু এর বাইরে পড়ে না‌। বরং ঘড়ি নিয়ে নানা মানুষের নানারকম শখও থাকে। ঘড়ি কেনার সময় দাম ও নকশা বাছাই নিয়েও নানারকম খুঁতখুঁত ভাব থাকে। অনেকে একটু দাম বেশি দিয়েও মন মতো ঘড়ি কিনতে দেখা যায়। কেউ কেউ আবার প্রথম চাকরির বেতন প্রিয় ঘড়িটি কিনেই খরচ করেন। তেমন ঘড়ি কেনার পর পরা নিয়েও একটু খুঁতখুঁত ভাব দেখা যায় বেশির ভাগের ভেতরে। ঘড়ি কোন হাতে পরবেন সেটা সম্পূর্ণ নিজের পছন্দ। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায়, মানুষ বাঁ হাতে ঘড়ি পরতে পছন্দ করেন। খুব কম সংখ্যক মানুষ ডান হাতেও ঘড়ি পরেন। তবে বাঁ হাতে ঘড়ি পরার পেছনে কিছু সুবিধা রয়েছে। অনেকে ডান হাত দিয়ে প্রতিদিনের কাজগুলো করে থাকেন। সাধারণ কাজ করার পাশাপাশি পানি লেগে যেতে পারে এমন কাজও ডান হাত দিয়ে করতে হয়। তাদের ক্ষেত্রে বাঁ হাতে ঘড়ি পরা সুবিধাজনক। এতে ঘড়িতে পানি লেগে বা আঘাত লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।  এ ছাড়া ডান হাতে বেশি কাজ করা হয় বলে এই হাতে ঘড়ি পরলে দেখতেও বেশ সমস্যা হয়। সময় দেখতে সুবিধা হয় বলেই অনেকে বাম হাতে ঘড়ি পরেন। তবে এটাও ঠিক যে, এই নিয়ে কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্নই আপনার সিদ্ধান্ত। 
ঘড়ি ডান হাতে পরবেন নাকি বাঁ হাতে
আরও পড়ুন
অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন আর নেই
পাঁচতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে শিশুর মৃত্যু
পেলের মৃত্যুর খবর জানেন না তার শতবর্ষী মা
গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধের ঢামেকে মৃত্যু, ৫০ দিনেও মেলেনি পরিচয়