ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মচমচে ইলিশ ভাজার সহজ কৌশল

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা নববর্ষ মানেই উৎসব। আর সেই উৎসবের খাবারের তালিকায় সবচেয়ে প্রিয় নাম ইলিশ। পহেলা বৈশাখে পান্তা ভাতের সঙ্গে গরম গরম ইলিশ ভাজা না থাকলে যেন বাঙালির উৎসবই অপূর্ণ থেকে যায়। তাই বৈশাখের দিনে খাবার টেবিল সাজাতে ইলিশ ভাজার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকেন অনেকেই। তবে অনেক সময় ইলিশ ভাজা ঠিকমতো মচমচে হয় না। তাই এ নিয়ে দুশ্চিন্তাও থাকে।

রান্নাবিদদের মতে, কয়েকটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কৌশল মেনে চললে ইলিশ ভাজা সহজেই করা যায় মচমচে ও সুস্বাদু।

প্রথমেই ইলিশ ধোয়ার পর মাছের পানি ভালোভাবে ঝরিয়ে নিতে হবে। মাছের গায়ে পানি থেকে গেলে ভাজার সময় তা নরম হয়ে যেতে পারে। এরপর লবণ ও সামান্য হলুদ মাখিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে দিলে স্বাদও বাড়ে, ভাজাও ভালো হয়।

আরও পড়ুন

মাছ ভাজার সময় কড়াই ও তেল ঠিকভাবে গরম থাকা জরুরি। তেল যথেষ্ট গরম না হলে মাছ কড়াইয়ে লেগে যেতে পারে এবং মচমচে ভাব আসে না। মাছ কড়াইয়ে দেওয়ার পর বারবার নাড়াচাড়া না করে এক পাশ ভালোভাবে ভাজা হলে তারপর উল্টে দিতে হবে। এতে মাছের বাইরের অংশ সুন্দরভাবে মচমচে হবে।

রান্নার সময় আঁচের দিকেও খেয়াল রাখা দরকার। শুরুতে একটু বেশি আঁচে দিয়ে পরে মাঝারি আঁচে ভাজলে বাইরের অংশ মচমচে হবে। এতে ভেতরের অংশ থাকবে নরম ও রসাল।

ভাজা শেষে মাছ তুলে বাড়তি তেল ঝরিয়ে নিলে খেতে আরও ভালো লাগে। চাইলে ভাজার সময় মাছের গায়ে সামান্য চালের গুঁড়া বা ময়দা ছিটিয়ে দিলে মচমচে ভাব আরও বাড়ে।

এই সহজ কৌশলগুলো মেনে চললে পহেলা বৈশাখের খাবার টেবিলে পান্তা ভাতের সঙ্গে গরম গরম মচমচে ইলিশ ভাজা হবে সবার পছন্দের সেরা পদ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
কাঠমান্ডুতে উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
রোদে পোড়া দাগ দূর করুন ঘরোয়া উপায়ে 
পহেলা বৈশাখ এখন আনন্দের নয় বরং ভাবার বিষয়ও
পহেলা বৈশাখে খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন মির্জা ফখরুল