ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

চুলার পাশে যে ৭ জিনিস রাখলে হতে পারে বিপদ 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রান্নাঘরের সবচেয়ে ব্যস্ত জায়গা চুলার আশপাশ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানেই চলে পরিবারের রান্নাবান্না। কিন্তু অনেকের অজান্তেই চুলার পাশেই জমে থাকে এমন কিছু জিনিস, যা মুহূর্তেই বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগুনের পাশে অগোছালো ও দাহ্য জিনিস রাখা রান্নাঘরের সবচেয়ে বড় ঝুঁকিগুলোর একটি। সামান্য অসাবধানতায় আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ঘরে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জিনিসগুলোর মধ্যে রয়েছে তোয়ালে, ন্যাপকিন ও কাপড়জাতীয় সামগ্রী। চুলার আগুন বা গরম হাঁড়ির সংস্পর্শে এলেই এগুলোতে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে।

রান্নার তেলের বোতলও অনেকেই চুলার পাশেই রাখেন। কিন্তু অতিরিক্ত তাপে বোতল গলে যেতে পারে, আবার তেল ছিটকে আগুন লেগে ভয়াবহ দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।

এ ছাড়া কাগজের ব্যাগ, খালি প্যাকেট বা বাজারের মোড়ক চুলার পাশে রাখা খুবই বিপজ্জনক। কারণ কাগজে সহজেই আগুন ধরে যায়।

আরও পড়ুন

ম্যাচ বা লাইটার চুলার কাছাকাছি রাখাও বড় ঝুঁকি। বিশেষ করে ঘরে শিশু থাকলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়ে যায়।

কাঠের খুন্তি, চামচ বা কাটার পাটাতনও আগুনের কাছে রাখা ঠিক নয়। অতিরিক্ত তাপে এগুলো ফেটে যেতে পারে বা আগুন ধরে যেতে পারে।

অনেকেই লবণ, চিনি ও মসলার বয়াম চুলার পাশেই সাজিয়ে রাখেন। কিন্তু তাপ ও বাষ্পের কারণে মসলার গন্ধ ও স্বাদ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। বয়ামও চিটচিটে হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, রান্নাঘর যত পরিষ্কার ও গোছানো থাকবে, দুর্ঘটনার ঝুঁকি তত কমবে। তাই চুলার আশপাশ খালি ও নিরাপদ রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টানা এক ঘণ্টা প্রস্রাব আটকে রাখলে কী হয়, জানুন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
কাজের চাপ, যানজট কিংবা অপরিচ্ছন্ন শৌচাগারের কারণে অনেকেই প্রস্রাবের বেগ অনুভব করেও দীর্ঘক্ষণ তা আটকে রাখেন। তবে একবার এক ঘণ্টা প্রস্রাব আটকে রাখলেই কি শরীরের বড় ধরনের ক্ষতি হয়?
টানা এক ঘণ্টা প্রস্রাব আটকে রাখলে কী হয়, জানুন চিকিৎসাবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
গ্যারাজে চুলা বসানোর আগে জানুন, নইলে গুনতে হতে পারে জরিমানা
রান্নাঘরে পিঁপড়ার উৎপাত? বন্ধ করবেন যেভাবে
বৈদ্যুতিক চুলা ভাল রাখার কৌশল জেনে নিন
রান্নাঘরের সিঙ্ক ঝকঝকে রাখবেন যেভাবে