ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

পাখিরা মানুষের মতো কথা বলে কীভাবে 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ঠোঁট নাড়ানো ছাড়াই পাখিরা কথা বলে কীভাবে । ছবি: সংগৃহীত

পাখিরা কীভাবে মানুষের মতো কথা বলে—এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে। কিন্তু যদি বলা হয়, ঠোঁট না নাড়িয়ে স্পষ্টভাবে কথা বলা সম্ভব, তাহলে বিষয়টি আরও বিস্ময়কর মনে হতে পারে। বাস্তবে মানুষের জন্য ঠোঁট না নাড়িয়ে স্পষ্ট কথা বলা প্রায় অসম্ভব। ভেন্ট্রিলোকুইস্ট বা মায়াস্বরীরা দীর্ঘ অনুশীলনের মাধ্যমে এটি করতে পারলেও তা অত্যন্ত কঠিন একটি দক্ষতা।

কিন্তু প্রকৃতির কিছু পাখির জন্য বিষয়টি একেবারেই স্বাভাবিক। টিয়া, ময়না, তোতা বা কাকাতুয়ার মতো পাখি মানুষের বলা শব্দ হুবহু নকল করতে পারে, যদিও তাদের মানুষের মতো ঠোঁট বা ভোকাল কর্ড নেই।

আরও পড়ুন

তাহলে তারা কথা বলে কীভাবে?

বিজ্ঞান অনুযায়ী, পাখিদের শরীরে ভোকাল কর্ডের পরিবর্তে থাকে একটি বিশেষ অঙ্গ, যার নাম সিরিঙ্কস। এটি পাখির শ্বাসনালী ও ফুসফুসের মাঝামাঝি অংশে অবস্থিত ইংরেজি ‘ওয়াই’ আকৃতির একটি গঠন। যখন পাখি শ্বাস নেয়, বাতাস শ্বাসনালী দিয়ে সিরিঙ্কসের মধ্য দিয়ে ফুসফুসে প্রবাহিত হয়। সেই সময় সিরিঙ্কসের কম্পন থেকেই শব্দ তৈরি হয়।

এই সিরিঙ্কস পেশি ও নরম হাড়ের সাহায্যে নিয়ন্ত্রিত হয়, ফলে পাখিরা খুব নিখুঁতভাবে শব্দের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এ কারণেই তারা মানুষের কথা, গান এমনকি নির্দিষ্ট শব্দও অনুকরণ করতে সক্ষম।

অর্থাৎ, মানুষের মতো মুখের ঠোঁট দিয়ে নয়, বরং গলার বিশেষ গঠন দিয়েই পাখিরা কথা তৈরি করে। তাই অনেক সময় দেখা যায়, টিয়া বা ময়না পরিষ্কারভাবে মানুষের বাক্যও উচ্চারণ করতে পারে—যেমন জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র মিঠুর মতো।

প্রকৃতির এই অসাধারণ শারীরবৃত্তীয় ক্ষমতাই পাখিদের করে তুলেছে অনন্য।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
শীত ঘনিয়ে এলেও পাখিদের বিচরণকেন্দ্র কাটেঙ্গা বিল উদ্ধারে তৎপর নন ইউএনও
৩৫০ বছর আগে বিলুপ্ত ডোডো পাখি পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনছেন বিজ্ঞানীরা!
‘টাকার লোভ দেখিয়ে’ শিশুকে বাড়ি নিয়ে যান বৃদ্ধ, অতঃপর...
বিয়ের আগে হবু স্বামী-স্ত্রীর ফোনালাপ কি জায়েজ?