ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

বাবা দিবসে চমকে দিন পছন্দের উপহারে 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
বাবার মুখে হাসি ফোটাবে এই উপহারগুলো  । ছবি: সংগৃহীত

বাবার জন্য উপহার বেছে নিতে গিয়ে অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যান। কী দিলে বাবার মুখে হাসি ফুটবে, কোন উপহার হবে তার জন্য সবচেয়ে স্মরণীয়—এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খায় সন্তানের মনে। তবে বাবার বয়স, পছন্দ ও জীবনযাত্রার কথা মাথায় রেখে উপহার বেছে নিলে সেটি হয়ে উঠতে পারে আরও বিশেষ।

৩৫ থেকে ৪৪ বছর বয়সী বাবার জন্য

এই বয়সে বাবারা সাধারণত কর্মজীবন, পরিবার ও নিজের পছন্দের বিষয়গুলো একসঙ্গে সামলান। তাই তাদের জন্য কাজে লাগে এমন উপহার হতে পারে দারুণ পছন্দের। স্মার্ট ঘড়ি, তারবিহীন শ্রবণযন্ত্র, ভালো মানের মানিব্যাগ কিংবা পরিবারের ছবি দিয়ে তৈরি বিশেষ স্মৃতির বই বাবাকে আনন্দ দিতে পারে। প্রযুক্তি পছন্দ করেন এমন বাবার জন্য ঘরের আধুনিক যন্ত্রও হতে পারে উপযুক্ত উপহার।

৫০-এর কাছাকাছি বয়সী বাবার জন্য

৪৫ থেকে ৫৪ বছরের বাবারা সাধারণত আরাম ও জীবনের অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দেন। এই বয়সে সুন্দর হাতঘড়ি, চামড়ার ভ্রমণ ব্যাগ, পড়ার যন্ত্র, শরীরের আরামদায়ক মালিশের উপকরণ কিংবা পরিবারের ছবি আঁকা বিশেষ স্মারক হতে পারে আবেগের উপহার। নতুন কোনো অভিজ্ঞতাও তাকে খুশি করতে পারে।

আরও পড়ুন

৫৫ থেকে ৬৪ বছরের বাবার জন্য

এই বয়সে স্বাস্থ্য, শখ ও পুরোনো স্মৃতির গুরুত্ব বাড়ে। তাই বাগান করার সরঞ্জাম, স্মৃতির ছবি দেখার যন্ত্র, ভ্রমণের আয়োজন কিংবা পরিবারের বিশেষ মুহূর্ত নিয়ে তৈরি স্মৃতির খাতা বাবার মুখে হাসি আনতে পারে। নিজের পছন্দের কাজে সময় কাটানোর সুযোগও হতে পারে দারুণ উপহার।

সত্তরের কোঠায় থাকা বাবার জন্য

৬৫ থেকে ৭৫ বছর বয়সী বাবাদের কাছে সবচেয়ে মূল্যবান হয়ে ওঠে পরিবারের ভালোবাসা ও সময়। নাতি-নাতনিদের ছবি দিয়ে সাজানো স্মৃতির ফ্রেম, নিজের জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি বই, আরামদায়ক কম্বল কিংবা পরিবারের সবাইকে নিয়ে বিশেষ সময় কাটানো হতে পারে সবচেয়ে বড় উপহার।

তবে বাবার বয়স যতই হোক, তার কাছে সবচেয়ে বড় পাওয়া হলো সন্তানের ভালোবাসা, যত্ন ও পাশে থাকা। দামি উপহারের চেয়েও একটি আন্তরিক কথা—‘তুমি আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় রহমত বা আশীর্বাদ’—হয়ে উঠতে পারে বাবার জন্য সবচেয়ে মূল্যবান উপহার।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
ইবির ৯ আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ উপহার দিলো ছাত্রদল
দুর্গাপূজা উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার
প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা
সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার দিন আজ