ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বর্ষায় লুফাই হতে পারে ত্বকের শত্রু, জানুন নিরাপদ রাখার উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক জিনিসই সহজে শুকাতে চায় না। এর মধ্যে অন্যতম হলো স্নানের সময় ব্যবহৃত লুফা (শরীর মাজনী)। ঠিকমতো পরিষ্কার ও শুকিয়ে না রাখলে লুফায় দ্রুত ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য জীবাণু জন্ম নিতে পারে। আর সেই লুফা ব্যবহার করলে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি, ব্রণ কিংবা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই বর্ষায় লুফার যত্নে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিবার গোসলের পর লুফা ভালোভাবে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে সাবান, ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা সহজেই দূর হয়ে যায়। এরপর অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে এমন জায়গায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে, যেখানে বাতাস চলাচল করে। ভেজা অবস্থায় বাথরুমের ভেতরে ফেলে রাখলে জীবাণু দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আরও পড়ুন

শুধু ধুয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়। সপ্তাহে অন্তত একবার লুফা জীবাণুমুক্ত করাও জরুরি। এ জন্য কয়েক মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখা যেতে পারে। চাইলে জীবাণুনাশক বা সাদা ভিনিগার মেশানো পানিতেও পরিষ্কার করা যায়। এতে লুফায় জমে থাকা জীবাণু ও ছত্রাকের বৃদ্ধি অনেকটাই কমে।

একটি লুফা দীর্ঘদিন ব্যবহার করাও ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণভাবে একটি কৃত্রিম লুফা ছয় থেকে আট সপ্তাহের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। যদি দুর্গন্ধ, রং পরিবর্তন বা কালচে দাগ দেখা যায়, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সেটি বদলে নতুন লুফা ব্যবহার করা উচিত।

lufaa
লুফা বা শরীর মাজনী

একই লুফা একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। পরিবারের সদস্য হলেও আলাদা লুফা ব্যবহার করা স্বাস্থ্যসম্মত। কারণ একজনের ত্বকের জীবাণু বা ছত্রাক অন্যজনের শরীরে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এছাড়া শরীরে কাটা-ছেঁড়া, ফুসকুড়ি, র‍্যাশ বা অন্য কোনো ত্বকের সংক্রমণ থাকলে সেই স্থানে লুফা ব্যবহার না করাই ভালো। এতে সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে এবং ক্ষত শুকাতে বেশি সময় লাগতে পারে। ত্বক পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর আবার লুফা ব্যবহার করা নিরাপদ।

আরও পড়ুন

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষাকালে ত্বক সুস্থ রাখতে শুধু ভালো প্রসাধনী ব্যবহার করলেই হবে না, গোসলের সামগ্রীও পরিষ্কার রাখতে হবে। লুফার নিয়মিত পরিচর্যা ও সময়মতো পরিবর্তনের অভ্যাস ত্বককে সংক্রমণ থেকে সুরক্ষিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
সর্দি-কাশি থেকে ডেঙ্গু, বর্ষায় শিশুকে যেভাবে রাখবেন সুরক্ষিত 
বর্ষায় ত্বকের যত্নে যে ভুলগুলো করবেন না
বৃষ্টিতে ভিজেছেন? বর্ষায় সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলো
বর্ষায় সদর দরজার কাদা-দুর্গন্ধ দূর হবে সহজেই, কাজে লাগান এই উপায়