ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রেমের শুরু কোথায়, কেন অনেক সম্পর্ক থেমে যায়?

তেছা জাহান তন্বী, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
কোন বয়সে প্রেমের অনুভূতি সবচেয়ে বেশি জাগে । ছবি: প্রতীকী

ভালোবাসা মানুষের জীবনের সবচেয়ে স্বাভাবিক ও সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অনুভূতি সবচেয়ে বেশি তীব্র হয়ে ওঠে কৈশোর ও তারুণ্যে। সাধারণত ১২ থেকে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কাউকে ভালো লাগা, আকর্ষণ অনুভব করা এবং সম্পর্ক গড়ে তোলার আগ্রহ বেশি দেখা যায়।

এই বয়সে নতুন অভিজ্ঞতা, আবেগ ও কৌতূহল বেশি কাজ করে। তাই অনেক সময় প্রথম দেখাতেই কাউকে ভালো লেগে যেতে পারে। কারও হাসি, চেহারা, কথা বলার ধরন, ব্যক্তিত্ব বা আচরণ মুহূর্তেই আকর্ষণ তৈরি করে।

মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই অনুভূতিকে আকর্ষণ বলা হয়। এটি খুব দ্রুত তৈরি হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আকর্ষণ আর ভালোবাসা এক বিষয় নয়। সত্যিকারের ভালোবাসা তৈরি হয় সময়ের সঙ্গে। একজন মানুষের চরিত্র, মূল্যবোধ, দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক সম্মান এবং একে ওপরকে বোঝার মধ্য দিয়েই সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হয়।

আরও পড়ুন

তাই প্রথম দেখার ভালো লাগা সব সময় ভালোবাসায় পরিণত হয় না। সময়ের সঙ্গে অনেকেই বুঝতে পারেন, দুজনের চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য কিংবা জীবনযাত্রায় মিল নেই। আবার অনেক ক্ষেত্রে পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান ও বোঝাপড়া গড়ে উঠলে সেই প্রথম ভালো লাগাই দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসায় রূপ নেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ-তরুণীদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনেও কয়েকটি সাধারণ কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো আবেগের বশে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া। অনেকেই মানুষটিকে ভালোভাবে না জেনেই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে বাস্তবতার সঙ্গে প্রত্যাশার মিল না থাকায় হতাশা তৈরি হয়।

এছাড়া পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব, ভুল বোঝাবুঝি, পর্যাপ্ত যোগাযোগ না থাকা, একে অপরের প্রতি সম্মান কমে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতাকে গুরুত্ব না দেওয়াও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার বড় কারণ। অনেক সময় পারিবারিক বাধা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অমিল, মানসিক অপরিপক্বতা এবং সামাজিক চাপও সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, একটি সুস্থ ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, সততা, সম্মান, ধৈর্য এবং খোলামেলা যোগাযোগ। শুধু আবেগ দিয়ে কোনো সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। সম্পর্ককে সফল করতে হলে দুই পক্ষকেই দায়িত্বশীল হতে হবে এবং একে অপরকে বোঝার মানসিকতা রাখতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম দেখায় কাউকে ভালো লাগা একেবারেই স্বাভাবিক। তবে সেই অনুভূতি সত্যিকারের ভালোবাসায় রূপ নেবে কি না, তা নির্ভর করে সময়, পারস্পরিক বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং সম্মানের ওপর। একইভাবে প্রেমে ব্যর্থ হওয়াও জীবনের শেষ নয়। প্রতিটি অভিজ্ঞতা মানুষকে আরও পরিণত হতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে আরও সুস্থ ও সুন্দর সম্পর্ক গড়ে তোলার শিক্ষা দেয়।

তাই ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানোর আগে আবেগের চেয়ে মানুষটিকে সময় নিয়ে জানা, বাস্তবতা বোঝা এবং ভেবে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
শাশুড়ির প্রতি ভালোবাসা-কৃতজ্ঞতা প্রকাশের দিন আজ
প্রথম প্রেম দিবস আজ
জিন্নাহকে শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ, হাদির ইনকিলাব মঞ্চের কাণ্ডে সমালোচনার ঝড়
ভালোবাসা নাকি সম্পর্কটা এখন শুধু অভ্যাসের, সঙ্গীর যে আচরণে মিলবে উত্তর