ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

নীরবে বাড়ে ফুসফুসের ক্যান্সার, কারা করাবেন পরীক্ষা? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
ফুসফুসের ক্যান্সার শুরুতে নীরব থাকতে পারে, ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য সময়মতো পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ । ছবি: সংগৃহীত

ফুসফুসের ক্যান্সার একটি মারাত্মক রোগ। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, রোগটি শুরু হলেও অনেক সময় দীর্ঘদিন তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। সাধারণ কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা কিংবা হঠাৎ ওজন কমার মতো উপসর্গ যখন দেখা দেয়, তত দিনে রোগ অনেকটাই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আগেভাগে রোগ শনাক্ত করতে নিয়মিত পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তবে এই পরীক্ষা সবার জন্য নয়।

কারা ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তের পরীক্ষা করাবেন?

চিকিৎসকদের মতে, যাদের বয়স ৫০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে এবং বর্তমানে ধূমপান করেন অথবা আগে দীর্ঘদিন ধূমপান করেছেন, তাদের ঝুঁকি বেশি।

বিশেষ করে যাদের অন্তত ২০ প্যাক-ইয়ার ধূমপানের ইতিহাস রয়েছে এবং যারা এখনো ধূমপান করছেন অথবা গত ১৫ বছরের মধ্যে ধূমপান ছেড়েছেন, তাদের বছরে একবার কম মাত্রার সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

প্যাক-ইয়ার কীভাবে হিসাব করবেন?

ধূমপানের পরিমাণ ও সময় হিসাব করার একটি পদ্ধতি হলো প্যাক-ইয়ার।

যেমন, কেউ ২০ বছর ধরে প্রতিদিন এক প্যাকেট করে সিগারেট খেলে তার হিসাব হবে ২০ প্যাক-ইয়ার। আবার কেউ ১০ বছর ধরে প্রতিদিন দুই প্যাকেট সিগারেট খেলেও সেটি ২০ প্যাক-ইয়ার হিসেবে ধরা হবে।

সাধারণ এক্স-রে নয় কেন?

সাধারণ বুকের এক্স-রেতে ফুসফুসের ছোট বা প্রাথমিক পর্যায়ের টিউমার ধরা কঠিন হতে পারে। কম মাত্রার সিটি স্ক্যান তুলনামূলক কম তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করে ফুসফুসের আরও স্পষ্ট ছবি তৈরি করতে পারে।

ফলে কোনো লক্ষণ প্রকাশের আগেই ছোট টিউমার শনাক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে। শুরুতেই রোগ ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়।

ধূমপান না করলেও কি হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সার?

হ্যাঁ। ফুসফুসের ক্যান্সার শুধু ধূমপায়ীদের হয়—এমন ধারণা ঠিক নয়। বায়ুদূষণ, কর্মক্ষেত্রে বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শ এবং বংশগত কারণেও এই রোগ হতে পারে।

তবে যারা কখনো ধূমপান করেননি, তাদের সবার নিয়মিত কম মাত্রার সিটি স্ক্যান করানোর প্রয়োজন নেই। পারিবারিক ইতিহাস, বিশেষ ঝুঁকি বা কোনো উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ফুসফুসের ক্যান্সার অনেক সময় নীরবে শরীরে বাড়তে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সময়মতো পরীক্ষা রোগটি আগেভাগে শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
সকালের নাশতায় ভাত খাওয়ার অভ্যাস অনেক বাঙালিরই। কেউ আগের রাতের বেঁচে যাওয়া ভাত খান, আবার কেউ গরম ভাতের সঙ্গে ডিমভাজি কিংবা সবজি খেয়ে দিন শুরু করেন।
সকালে ভাত খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর?
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরে নানা পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। তবে কারও কারও ক্ষেত্রে বয়সের তুলনায় দ্রুত দেখা দিতে পারে শারীরিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা কিংবা ঘুমের সমস্যা।
বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন, মিলিয়ে নিন ৮ লক্ষণ
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
লবঙ্গ শুধু রান্নার স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ায় না, হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। তবে হাড় মজবুত রাখতে লবঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের ওপর আরও গবেষণা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলথলাইন-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, লবঙ্গ একটি বহুল ব্যবহৃত মসলা। আস্ত কিংবা গুঁড়া দুইভাবেই এটি খাবারে ব্যবহার করা যায়। মাংসের পদ, গরম পানীয়, কেক ও বিস্কুটে স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে লবঙ্গের ব্যবহার প্রচলিত। রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়েও গবেষণা হয়েছে। হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারে হাড়ের ঘনত্ব কমে গেলে অস্টিওপোরোসিস বা হাড় ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ে। এতে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। প্রাণীর ওপর পরিচালিত কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, যা হাড়ের স্বাভাবিক গঠন ও স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় একটি খনিজ উপাদান। পাশাপাশি এতে থাকা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে লবঙ্গ খেলে মানুষের হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস লবঙ্গ লবঙ্গে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এই চাপ কোষের ক্ষতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন স্বাস্থ্যসমস্যার বিকাশে ভূমিকা রাখতে পারে। লবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ইউজেনল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। সুষম খাদ্যতালিকায় লবঙ্গের পাশাপাশি ফলমূল, শাকসবজি ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার রাখলে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। শুধু লবঙ্গের ওপর নির্ভর নয় হাড় মজবুত রাখতে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ। লবঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা থাকলেও একে হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ বা চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লবঙ্গের মাধ্যমে মানুষের হাড়ের স্বাস্থ্য কতটা উন্নত হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। তাই হাড়ের সুস্থতা বজায় রাখতে শুধু একটি মসলার ওপর নির্ভর না করে সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। আরটিভি/এসকে
হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক হতে পারে লবঙ্গ, বলছে গবেষণা
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
দশমী মানেই দেবীবরণের আবেগ, মিষ্টিমুখ আর লাল সিঁদুরে রাঙা একরাশ আনন্দ।
সিঁদুর খেলার পর ত্বকের যত্ন নেবেন যেভাবে
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
পড়াশোনা, পরীক্ষা কিংবা কাজের ব্যস্ততায় অনেক সময় পর্যাপ্ত ঘুম হয় না। এর প্রভাব পড়ে শরীর ও চেহারায়। বিশেষ করে চোখের নিচে কালচে দাগ, ফোলা ভাব কিংবা সূক্ষ্ম ভাঁজ দেখা দিতে পারে।
চোখের নিচে কালি পড়ে কেন, কমানোর উপায় কী?
আরও পড়ুন
সাত রোগে আক্রান্তদের এক লাখ টাকা করে দেবে সরকার, আবেদন যেভাবে
ইবিতে স্তন ক্যান্সার সচেতনতায় ‘গোলাপী সড়ক শোভাযাত্রা’
নারীদের ক্যান্সার সচেতনতায় ইবি শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পেইন
বাঁচতে চান চবি শিক্ষার্থী মোশারফ, প্রয়োজন সবার সহযোগিতা