ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বরবটি খান, মিলবে প্রোটিনসহ যে ৬ উপকার

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৪১ এএম
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ বরবটি নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন । ছবি: সংগৃহীত

বেগুন, পটল, করলা কিংবা ঝিঙের মতো স্বাদে তীব্র নয় বরবটি। মৃদু স্বাদ ও গন্ধের কারণে নানা ধরনের রান্নায় সহজেই মানিয়ে যায় এই সবজি। তবে স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও বরবটি বেশ সমৃদ্ধ। বিশেষ করে এতে রয়েছে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা নিরামিষ খাবার খাওয়া মানুষের জন্য উপকারী হতে পারে।

বরবটিতে কতটা প্রোটিন?

প্রতি ১০০ গ্রাম বরবটিতে প্রায় ৩ গ্রাম পর্যন্ত প্রোটিন পাওয়া যায়। বরবটির ভেতরের দানা ও খোসা—দুই অংশেই কিছু পরিমাণ প্রোটিন থাকে। তাই উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উৎস হিসেবে খাবারের তালিকায় বরবটি রাখা যেতে পারে।

রয়েছে নানা প্রয়োজনীয় পুষ্টি

বরবটিতে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও সিলিকনের মতো খনিজ রয়েছে। প্রতি ১০০ গ্রাম বরবটিতে প্রায় ৫ দশমিক ৯ মিলিগ্রাম আয়রন এবং ৩৩ মিলিগ্রাম ক্যালশিয়াম পাওয়া যায়। পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি১, বি২, কে এবং ফলিক অ্যাসিড।

এসব পুষ্টি উপাদান হাড়ের শক্তি ও ঘনত্ব বজায় রাখতে এবং অস্থিসন্ধি ভালো রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।

হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে

বরবটিতে রয়েছে প্রচুর খাদ্য আঁশ। এই আঁশ হজমশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমাতেও বরবটি উপকারী হতে পারে।

আরও পড়ুন

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

প্রতি ১০০ গ্রাম বরবটিতে প্রায় ১৮ থেকে ৪৭ ক্যালরি থাকে। তাই কম ক্যালরির খাবার হিসেবে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় বরবটি রাখা যেতে পারে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

বরবটির রক্তে শর্করা বাড়ানোর প্রবণতা তুলনামূলক কম। এর খাদ্য আঁশও রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে পরিমিত পরিমাণে বরবটি খাওয়া রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।

হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারী

বরবটিতে পটাশিয়াম ও ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে। এগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করতে পারে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও বরবটি ভূমিকা রাখতে পারে।

চোখ ও ত্বকের যত্নে

বরবটিতে থাকা ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বক সতেজ রাখতেও এসব ভিটামিনের ভূমিকা রয়েছে।

হাড় শক্ত রাখতেও বরবটি

ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন কে—হাড়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পুষ্টি উপাদান। বরবটিতে এসব উপাদান থাকায় নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে খেলে হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখা এবং হাড় শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তাই শুধু স্বাদের জন্য নয়, নানা পুষ্টিগুণের কারণেও প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বরবটি রাখতে পারেন।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
আরও পড়ুন
বাজারে সরবরাহ প্রচুর, তবুও দাম তুঙ্গে
ঝিরিপথ পেরিয়ে চবির শহীদ মিনারে পাহাড়ি শাকসবজির বাজার
বরেন্দ্র অঞ্চলে আগাম সবজি চাষে আশার আলো
সবজির বাজারে আগুন, ঘি ঢালছে জ্বালানি তেলের দাম