ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

বিয়ে করার সঠিক বয়স নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিল গাণিতিক সূত্র

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
বিয়ের জন্য সঠিক বয়স কত? যা জানাল বিশেষজ্ঞরা। ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের জন্য সঠিক বয়স কোনটি, তা নিয়ে অনেক মতপার্থক্য রয়েছে। কারও মতে, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বিয়ে করা ভালো। আবার কারও মতে, জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করা উত্তম। বিয়ের বয়স নিয়ে বিজ্ঞানও সুনির্দিষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারে না। তবে গাণিতিক সূত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতামত বিশ্লেষণ করলে এ বিষয়ে একটি চমৎকার ধারণা পাওয়া যায়।

পরিবার, সমাজ বা পারিপার্শ্বিক চাপের মুখে অনেকেই ভেবে থাকেন যে বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় পেরিয়ে যাচ্ছে কিনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিয়ে করার আদর্শ বয়স হতে পারে ২৬, বিশের দশকের শেষভাগ কিংবা ত্রিশের শুরুর দিক।

বিজ্ঞান ও গণিতের বিচারে বিয়ে করার অন্যতম সেরা বয়স হলো ২৬। কম্পিউটার বিজ্ঞানী ও মনস্তত্ত্ববিদদের লেখা ‘অ্যালগরিদমস টু লিভ বাই’ বইটিতে ‘৩৭ শতাংশ নিয়ম’-এর উল্লেখ রয়েছে।

এই নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অন্তত ৩৭ শতাংশ বিকল্প বাছাই করার পর গৃহীত সিদ্ধান্তটি সবচেয়ে সঠিক হয়।

আরও পড়ুন

সাধারণত ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সকে জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রধান সময় হিসেবে ধরা হয়। এই সময়ের ৩৭ শতাংশ দূরত্ব পার হয় ২৬ বছর বয়সে। গবেষকদের মতে, ২৬ বছর বয়সে একজন মানুষের সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা তৈরি হয়, আবার অতিরিক্ত বিচার-বিশ্লেষণ করার কারণে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগার ঝুঁকিও কম থাকে। উল্লেখ্য, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নারী ও পুরুষদের বিয়ের গড় বয়স যথাক্রমে ২৮ ও ৩০ বছর।

এদিকে মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বিয়ের জন্য আদর্শ সময় হলো বিশের দশকের শেষভাগ (২৮ বা ২৯ বছর)। ২৫ বছরের আগে মানুষের মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অংশটি পুরোপুরি বিকশিত হয় না। তাই ২৫ বছরের আগে বিয়ে না করে জীবনের নানা টানাপোড়েন ও মানসিক চাপ একসঙ্গে সামলানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করা জরুরি।

সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, নারীদের ক্ষেত্রে বিয়ে করার সেরা বয়স ২৮ এবং পুরুষদের জন্য ৩২ বছর।

নারীদের ক্ষেত্রে এই বয়সে পৌঁছালে নিজের ক্যারিয়ার ও জীবন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়। স্বাধীনভাবে থাকা এবং অতীতে সম্পর্কের ভুলগুলো থেকে শেখার পর জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস ও আত্মসচেতনতা আসে।

আর ৩২ বছর বয়সের মধ্যে পুরুষেরা ক্যারিয়ারে স্থায়িত্ব পান এবং ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে পরিপক্ব হন। এটি তাদের সম্পর্ক, সংসার ও সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করে।

তবে বিজ্ঞান ও পরিসংখ্যানের হিসাব যাই বলুক না কেন, সফল ও সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য কোনো একক নির্দিষ্ট বয়স নেই। নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছানোর চেয়ে মানসিক প্রস্তুতি, উভয়ের বোঝাপড়া ও দায়িত্ব নেওয়ার সামর্থ্যই বিয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
একসময় প্রিয়জনের চিঠির অপেক্ষায় দিন গুনত মানুষ। ডাকপিয়নের হাতে চিঠি এলেই আনন্দে ভরে উঠত মন।
বিশ্ব ডাক দিবস আজ, চিঠির যুগ পেরিয়ে ডাকসেবায় নতুন সম্ভাবনা
আরও পড়ুন
হাবিপ্রবিতে তিন দফা দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
পোশাকের ট্যাবু ভাঙতে ‘সংস্কৃতির সমতার’ বার্তা
শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে মাভাবিপ্রবিতে সেমিনার
হাবিপ্রবিতে আয়োজিত হলো চিঠি উৎসব ও ডাকটিকিট প্রদর্শনী