ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২১, ০৭:০৮ পিএম
গরমে ত্বকের যত্নে কী ব্যবহার করবেন?

শীত শেষ হয়েছে। গরমের আঁচে বিরক্ত সবাই। বাসা-বাড়ি থেকে অফিস বা ব্যক্তিগত কাজের জন্য বাইরে বের হলে সূর্যের তাপে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। ত্বকে জ্বালা-পোড়াভাব আর একদমই সহ্য হচ্ছে না। ভয়ের কিছু নেই। শীতের মতো গরমেও ত্বকের যত্ন নিলে ত্বকের কোনো ক্ষতি হয় না। বরং ত্বক ভালো থাকে। তবে গরমে ত্বকের যত্ন একটু ভিন্ন। এবার তাহলে গরমে ত্বকের যত্নের পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো-

সাবানের পরিবর্তন : শীতে যে সাবান বা ফেস ওয়াশ ব্যবহার করতেন তা কখনোই গরমে ব্যবহার করবেন না। কেননা, গরমে মুখের গ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল বের হয়। তাই গরমে পৃথক সাবান ব্যবহার করুন, যা আপনার ত্বকের সঙ্গে মানানসই।

সানস্ক্রিন ব্যবহার : রোদের তাপে ত্বক পুড়ে কালচে হয়ে যায়। ত্বকের এই কালচেভাব থেকে মুক্তি পেতে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। তাই বাসা থেকে বের হওয়ার জন্য মুখ-পাত-পা এবং শরীরের অন্য সকল খোলা অংশে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট : অতিরিক্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দাম একটু বেশি হলেও ত্বকের যত্নে আপনাকে এটা করতেই হবে।

ফলমূল খাওয়া : বেশি বেশি তাজা ফলমূল খাবেন। এতে শরীরের পানির ঘাটতি দূর হবে। এছাড়া ফলে থাকা ভিটামিন, পুষ্টিগুণ আপনার ত্বক ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

টোনার ব্যবহার : গরমে টোনার ব্যবহার করা ভালো। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব হ্রাস পায় এবং ত্বক পরিষ্কার রাখে।

মেকআপ কম করা : গরমে মেকআপ যত কম করা যায় ততোই ভালো। গরমে ঘাম বেশি হয়। এই সময় যদি মেকআপ করা হয় তাহলে ত্বকে চাপ পড়বে। তাই এমন কিছু প্রসাধনী ব্যবহার করুন যা ত্বকের কোনো ক্ষতি ছাড়াই ত্বককে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

এসআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চকোলেট দিয়ে রূপচর্চা
নিজের প্রতি যত্নশীল হওয়ার প্রথম ধাপই মনে হয় রূপচর্চা। সবাই-ই চায় সবার সামনে নিজেকে পরিপাটি হিসেবে উপস্থাপন করতে। তবে পরিপাটি হওয়ার জন্য আপনাকে কারিকারি টাকা খরচ করতে হবে না। এমনকি পার্লারে যাওয়ারও প্রয়োজন পড়বে না। বরং কম-বেশি যে চকোলেট খাওয়া হয়, সেই সুস্বাদু চকোলেট যে আপনার ত্বকের যত্নেও সমান উপকারী তা কি জানতেন? চকোলেটে আছে ফাইটোকেমিক্যালের মতো পলিফেনল, যার ভেতরে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য। এটি আমাদের ত্বকের কোমলভাব বজায় রাখতে কাজ করে। চকোলেটে থাকা আরও অনেক উপকারী উপাদান সহজেই ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। পাশাপাশি এটি মুক্তি দেয় বলিরেখা থেকেও। খাওয়ার পাশাপাশি রূপচর্চার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন চকোলেট। রূপচর্চার কাজে চকোলেট ব্যবহার করতে চাইলে বাড়িতেই তৈরি করতে পারেন চকোলেটের ফেসপ্যাক। আপনি চাইলে বাজার থেকেও চকোলেটের ফেসপ্যাক কিনতে পারবেন। কিন্তু এর বদলে নিজেই যদি তৈরি করে নিতে পারেন তবে সেটি বেশি ভালো হবে। কারণ বাড়িতে তৈরি যেকোনো কিছুই বেশি উপকারী।  চলুন জেনে নিই রূপচর্চার কাজে চকোলেট কীভাবে ব্যবহার করবেন- চকোলেট ক্লিনজার ডার্ক কোকো পাউডার ও দুধের সঙ্গে যেকোনো ক্লিনজার ভালো করে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হবে চকোলেট ক্লিনজার। এই ক্লিনজার ব্যবহার করলে তা যেকোনো ত্বকেই উপকার বয়ে আনবে। এটি ব্যবহার করলে তা ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা পরিষ্কার করবে। এর ফলে ত্বক আরও বেশি কোমল ও সতেজ হয়ে উঠবে।  চকোলেট-মুলতানি মাটির প্যাক আপনি যদি চকোলেটের সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করেন তবে বেশি উপকার পাবেন। এতে খরচও খুব একটা হবে না। ফেসপ্যাকে কোকো পাউডার বা চকোলেটের গুঁড়া থাকলে তা সেলুলার মেটাবলিক প্রক্রিয়ায় বলিরেখা দূর করে। সেসঙ্গে এটি ত্বকের ভেতরে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলতেও কাজ করে। নিয়মিত এই প্যাক ব্যবহার করলে দূর হয় ত্বকের কালো দাগ। এভাবে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকবে আপনার ত্বকের উজ্জ্বলতা। খেয়াল রাখবেন  চকোলেট দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক খুব বেশিদিন ফ্রিজে রাখবেন না। কারণ, ফ্রিজে চকোলেট রাখলে এর ওপরে একটি সাদা আস্তরণ পড়ে। এতে লোমকূপ বন্ধ হয়ে ব্রণসহ ত্বকের আরও অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া। ইজে/এসএস/টিআই
চকোলেট দিয়ে রূপচর্চা
মাধুরীর গোপন হেয়ার অয়েল
মাধুরী দীক্ষিত ৫৪ বছর বয়সেও সৌন্দর্য ধরে রেখেছেন ঠিক তরুণীর মতোই। তার মেদহীন শরীর আর ঝকঝকে ও টানটান ত্বক দেখে সবাই অবাক হয়ে যান। নিশ্চয়ই তার ফিটনেস ও স্কিন কেয়ারের কোনো রহস্য আছে! এমনটিই ভাবেন সবাই।  বিশেষ করে মাধুরীর একরাশ ঘন কালো চুল দেখে অনেকেরই তার বিউটি কেয়ারের গোপন রহস্য জানতে ইচ্ছে হয়। মাধুরী তার চুলের যত্নে ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এক সিক্রেট হেয়ার অয়েল ব্যবহার করেন। সম্প্রতি মাধুরী তার ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি ঘরোয়া উপায়ে প্রস্তুতকৃত হেয়ার অয়েলের রেসিপি সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। চলুন জেনে নেয়া যাক, তার ঘন কালো চুলের আসল রহস্য। এজন্য যা যা লাগবে-  নারকেল তেল ১ কাপ, মেথি বীজ ১ চা চামচ, কারিপাতা ১৫-২০টি ও পেঁয়াজ কুচি ১টি। যেভাবে তৈরি করবেন: প্রথমে একটি প্যানে সবগুলো উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। তারপর চুলার জ্বাল মাঝারি আঁচে রেখে তেল ফুটিয়ে নিন। তেল ফুটে উঠলে একটি বাটিতে ছেঁকে তুলে নিন। তারপর ঠান্ডা করে একটি কাঁচের বোতলে ঢেলে রাখুন। এরপর যখন চুলে তেল দেওয়ার প্রয়োজন হবে, তখন বোতল থেকে ঢেলে চুলের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ব্যবহার করুন। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুলের গোড়া মজবুত হবে। একইসঙ্গে চুল পড়া বন্ধ হবে ও চুল পাকা রোধ হবে। নারকেল তেল চুলের জন্য কতটা উপকারী তা সবারই জানা। একইসঙ্গে মেথি, কারি পাতা ও পেঁয়াজ চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। এসব উপকরণে থাকা পুষ্টি উপাদান চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে। খুশকি থেকে শুরু করে চুলের যাবতীয় সমস্যা সমাধানে মাধুরীর সিক্রেট এই হেয়ার অয়েল নিয়মিত ব্যবহার করুন। ফলাফল পাবেন হাতেনাতে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ইজে/পি
মাধুরীর গোপন হেয়ার অয়েল
শিশুর ত্বকের সঠিক যত্ন নিচ্ছেন তো?
ছোট্ট থেকেই সন্তানকে যত্নে রাখেন মা-বাবা। খাওয়াদাওয়া, ঘুম, খেলা—সবকিছুতেই খেয়াল পরিবারের।  তবে শিশুর যত্নের ক্ষেত্রে মাথায় রাখতে হবে, তা যেন হয় শিশুর মনের মতো।  শিশুর শরীরে যা প্রয়োগ করবেন, সেটির ঘ্রাণ কিংবা ওই সময় শিশুর পছন্দের অডিও ক্লিপে আকৃষ্ট করা যায় ওকে। গোসলখানাও যেন হয় ওর পছন্দমতো সাজানো। কিংবা শিশু বসে আছে, মা-বাবা মজার কথা বলতে বলতে ম্যাসাজ ক্রিম মালিশ করিয়ে এরপর গরম পানিতে ভেজানো তোয়ালে দিয়ে মুছিয়ে দিলেন। মাসে একবার এই মজার খেলাই হবে শিশুর ডিপ ক্লিনিং। গোসলের পর তেল বা লোশন লাগাতে হবে ত্বক আর্দ্র রাখতে (প্রয়োজনে রাতে ঘুমের আগেও)। তবে খেয়াল রাখতে হবে, বড়দের প্রসাধনসামগ্রী শিশুর জন্য ক্ষতিকর। যেভাবে যত্ন নিবেন আপনার সন্তানের ত্বকের শুষ্কতা এড়াতে চাই নারকেল তেল তিন কাপ, কাঁচা হলুদবাটা তিন টেবিল চামচ, মেহেদি বাটা তিন টেবিল চামচ ও দূর্বাঘাস বাটা তিন টেবিল চামচ। মিশ্রণটি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে কাচের বোতলে রেখে দিন। রোজ রাতে কিংবা গোসলের পর ভেজা ত্বকে পুরো শরীরে মালিশ করিয়ে দিন। ১. নিয়মিত মুখ ধোয়ার জন্য দুধের সঙ্গে বেসন বা ময়দা মিশিয়ে ব্যবহার করুন ফেসওয়াশের মতো। ত্বক কোমল থাকবে। ২. তুলসীপাতা বাটা, পুদিনাপাতা বাটা, নিমপাতা বাটা আর কাঁচা হলুদ বাটা নিন সমান পরিমাণে। মিশ্রণটি ফুটিয়ে ঠান্ডা করে লাগিয়ে দিন ত্বকে (সপ্তাহে বা ১৫ দিনে একবার)। শুকিয়ে গেলে লেবুর রস দিয়ে (নইলে শরীরে মাখার সময় প্যাকে সামান্য লেবুর রস যোগ করে নিন) ছোট তোয়ালে বা কাপড়ের সাহায্যে উঠিয়ে ফেলুন। এরপর গোসল করিয়ে দিন সাবান ছাড়া। ৩. গরম দুধ এক কাপ, কাঁচা হলুদবাটা দুই চা-চামচ আর প্রয়োজনমতো ময়দা মিশিয়ে পুরো শরীরে লাগিয়ে ১০ মিনিট পর গোসল করিয়ে দিন সাবান ছাড়া, সপ্তাহে অন্তত এক দিন (এটি মেয়ে শিশুদের জন্য বিশেষ করে ভালো)। ৪. ত্বক খুব শুষ্ক আর খসখসে হয়ে গেলে শিশুর ত্বকে চুলকানি হতে পারে। খুব শুষ্ক ত্বকের জন্য নিন নারকেল তেল আর জলপাই তেল নিন দুই কাপ। খাঁটি তিলের তেল নিন এক কাপ। একসঙ্গে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে রেখে দিন। গোসলের পর ভেজা ত্বকে এবং রাতে ঘুমের আগে মালিশ করে দিন এই তেল। ৫. ফুসকুড়ি, দানা, ব্ল্যাকহেডস হলে এক চা–চামচ বেসন, আধা চা–চামচ নিমপাতা বাটা ও আধা চা–চামচ হলুদবাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। কুসুম গরম পানিতে তুলা ভিজিয়ে মুখ মুছে নিয়ে মালিশ করে দিন পুরো মুখে (সপ্তাহে এক দিন)। পাঁচ মিনিট পর আবার কুসুম গরম পানিতে তুলা ভিজিয়ে মুখ মুছে দিন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুতে পারেন। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা ইজে/পি  
শিশুর ত্বকের সঠিক যত্ন নিচ্ছেন তো?
চুলের আগা ফাটা দূর করুন ৭ টি উপায়ে
চুলের প্রধান সমস্যাগুলোর একটি আগা ফেটে যাওয়া। যেভাবেই যত্ন নেওয়া হোক না কেন, কিছুদিন পর এই সমস্যা আবারো দেখা দেয়।বার বার ফিরে আসে এই সমস্যা। তখন চুল  শুষ্ক, নির্জীব ও রুক্ষ হয়ে যায় এবং চুলের বৃদ্ধিও থেমে যায়। অনেকে প্রাথমিক সমাধান হিসেবে চুল ট্রিম করে নেওয়ার পরামর্শ দেন। এই সমস্যার মূল কারণ অপুষ্টি এবং অযত্ন। প্রথমে এই দুটি বিষয়ে সচেতন হলে চুলরে আগা ফাটা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে এবং প্রাকৃতিক অনেক উপাদানই চুলের আগা ফাটা সমাধানে কার্যকরী। নিয়মিত যত্ন এবং সঠিক খাওয়াদাওয়া সহজেই এই সমস্যাকে কাবু করতে পারে। কিছু সাধারন যত্ন ও ঘরে তৈরি হেয়ার মাস্কও হতে পারে সমাধান। চলুন জেনে নেয়া যাক চুল ফাটা রোধে ঘরোয়া উপায়:   হট অয়েল ট্রিটমেন্ট: অতীতেও চুলে তেলের ব্যবহার ছিল অপরিহার্য। চুলের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে অলিভ অয়েল অথবা নারকেল তেল গরম করে স্ক্যাল্পে ম্যাসাজ করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, চুলের গোড়া থেকে আগার দিকে তেল মালিশ করবেন। খুব জোরে ঘষলে চুলের কিউটিকল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অন্তত এক ঘণ্টা চুলে তেল লাগিয়ে রাখা উচিত।   কলা: কলাকে বলা হয় প্রাকৃতিক কন্ডিশনার। পাশাপাশি এটি চুলের ইলাস্টিসিটি বাড়ায় এবং চুল পড়া রোধ করে। কলা চটকে সরাসরি চুলে লাগানো যেতে পারে। আবার কলা, মধু ও টক দইয়ের পেস্টও ব্যবহার করা যায়।   মরোক্কান অয়েল: চুল নরম ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করতে এই তেল দারুণ কার্যকর।  এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৬-ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা চুলের জন্য প্রয়োজনীয়। শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহারের পর চুলে তোয়ালে জড়িয়ে রাখুন, যাতে অতিরিক্ত জল শুষে নেয়। অল্প মরোক্কান অয়েল হাতে নিয়ে ভিজে চুলের মাঝামাঝি থেকে ডগা অবধি ম্যাসাজ করুন। প্রতিবার শ্যাম্পু করার পর এভাবে মরোক্কান অয়েল ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।   মধু: প্রাকৃতিক গুণে সমৃদ্ধ মধু চুলের আগা ফাটা রোধ করে। টক দই ও মধু মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করে, মিশ্রণটি চুলের ডগায় লাগিয়ে আধা ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে।   আর্গান অয়েল: এটি ‘লিক্যুইড গোল্ড’ নামেও পরিচিত। আর্গান বীজ থেকে এই তেল তৈরি করা হয়। ভিটামিন ই, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ আর্গান অয়েলও চুলের আগা ফাটা রোধ করে। শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে আর্গান অয়েল লাগালে তা বেশি কার্যকর। যারা ঘন ঘন চুলে হিটিং টুলস বা স্টাইলিং পণ্য যেমন মুজ, জেল বা স্প্রে ব্যবহার করেন, তারা যদি এসব পণ্য ব্যবহার করার আগে বা পরে আর্গান অয়েল ব্যবহার করেন, তাহলে চুলের কম ক্ষতি হয়।   কোকোনাট মিল্ক মাস্ক: কিছু পরিমাণ টাটকা নারকেলের দুধ নিয়ে পুরো মাথার তালুতে এবং চুলের ডগায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখতে হবে। এক ঘণ্টা পর শ্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধুয়ে নিন।   অ্যাভোকাডো প্রোটিন মাস্ক: একটা অ্যাভোকাডো দিয়ে পেস্ট তৈরি করে, এর সঙ্গে একটা ডিম ফেটিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এতে এমনভাবে অলিভ অয়েল মেশাতে হবে, যাতে এটি কন্ডিশনারের মতো ঘন হয়। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে ১০-২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে নিতে হবে। তথ্যসূত্র : টিভি নাইন বাংলা নিউজ ইজে/এমএন
চুলের আগা ফাটা দূর করুন ৭ টি উপায়ে
ত্বকের যত্নে হলুদের অবিশ্বাস্য উপকারিতা, জানুন ব্যবহার পদ্ধতি
আয়ুর্বেদ কিংবা কবিরাজি, সেই প্রাচীনকাল থেকে হলুদের ব্যবহার হয়ে আসছে। ব্যথা-বেদনা থেকে সংক্রমণ কিংবা রূপ চর্চা, সকল কিছুতেই বেশ উপকারী হলুদ। এটি এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা ত্বকের জন্য প্রসাধনী হিসেবে ভালো। এতে কারকিউমিন নামক বায়ো অ্যাকটিভ উপাদান রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এবার তাহলে ত্বক চর্চায় হলুদের ব্যবহার তুলে ধরা হলো- ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি : হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটারি উপাদান ত্বক উজ্জ্বল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। ত্বকের স্বাভাবিক আভাকে তুলে ধরাই হলো হলুদের প্রধান কাজ। এজন্য একটি হলুদ, মধু আর দই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অ্যাকনের দাগ পরিষ্কার : অ্যাকনে ত্বকের সাধারণ সমস্যা হলেও এর জন্যই কালো দাগ থেকে যায়। অ্যাকনে কমলেও এর জন্য দাগ বয়ে বেড়াতে হয়। হলুদে থাকা অ্যান্টিসেপটিক উপাদান অ্যাকনের জীবাণুকে বৃদ্ধি করতে দেয় না। এক চা চামচ হলুদগুঁড়োর সঙ্গে একটু দই আর এক চা চামচ মুলতানি মাটি ভালো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। তারপর এতে কয়েক ফোটা গোলাপ জল দিন। ত্বকে লাগানোর পর ২০ মিনিটের মতো রেখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ডার্ক সার্কেল দূর : হলুদ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদানে ভরপুর হওয়ায় ডার্ক সার্কেল দূর করতে বিশেষ অবদান রাখে। এজন্য প্রথমেই দুই টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ো, এক টেবিল চামচ দই ও দুই ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। ডার্ক সার্কেলে প্যাকটি লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিটের মতো রাখুন। এরপর ধুয়ে শুকনো তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। সূত্র : নিউজ এইটটিন এসআর/
ত্বকের যত্নে হলুদের অবিশ্বাস্য উপকারিতা, জানুন ব্যবহার পদ্ধতি
আরও পড়ুন
শিশুর শরীরে গরম পানি ঢেলে প্রতিশোধ 
বেড়াতে এসে পর্যটকের মৃত্যু
সকাল থেকেই দেখা মিলেছে সূর্যের 
রোদের দেখা না মেলায় বাড়ছে শীতের তীব্রতা