
চুলের জট ছাড়ানো, মসৃণতা বাড়ানো কিংবা চুলকে ঝলমলে দেখাতে অনেকেই ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করেন। এর মধ্যে মেথি ও কাঁচা ডিমের তৈরি মাস্ক বেশ পরিচিত। তবে চুলের যত্নে কোনটি তুলনামূলক বেশি কার্যকর মেথি নাকি কাঁচা ডিম?
মেথির হেয়ার মাস্ক
চুলের পরিচর্যায় দীর্ঘদিন ধরেই মেথির ব্যবহার হয়ে আসছে। মেথির দানা পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখলে তা পিচ্ছিল ও জেলির মতো হয়ে যায়। পরে দানাগুলো বেটে তৈরি করা হয় হেয়ার মাস্ক।
এই পিচ্ছিল উপাদান চুলে অনেকটা প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের মতো কাজ করতে পারে। মেথির মাস্ক ব্যবহারের পর চুল তুলনামূলক নরম ও মসৃণ হতে পারে। ফলে চুল আঁচড়ানোও সহজ হয়।
চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিকল মসৃণ থাকলে আলো তুলনামূলকভাবে সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। এতে চুল দেখতে আরও চকচকে ও প্রাণবন্ত লাগে।
কাঁচা ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমে প্রচুর প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এ কারণে চুলের যত্নে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রসাধনীতে প্রোটিনজাত উপাদান দেখা যায়। ডিমে বায়োটিনসহ বিভিন্ন ভিটামিনও রয়েছে।
তবে ডিম খাওয়ার মাধ্যমে শরীর যে পুষ্টি পায়, কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগালে একই ধরনের উপকার পাওয়া যায় না। বিশেষ করে কাঁচা ডিমের মাস্ক ব্যবহার করলেই ক্ষতিগ্রস্ত চুলের গঠন মেরামত হয়ে যাবে এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
কোনটি তুলনামূলক এগিয়ে?
চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ, কোমল ও চকচকে দেখানোর ক্ষেত্রে মেথির মাস্ক তুলনামূলকভাবে বেশি উপকারী হতে পারে। ভেজানো মেথির পিচ্ছিল উপাদান চুলের ওপর মসৃণ আবরণ তৈরি করে, যা চুলকে নরম ও উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করতে পারে।
চাইলে মেথি ও ডিম একসঙ্গেও ব্যবহার করা যায়। তবে ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক চুলের ক্ষতি বা কোনো নির্দিষ্ট চুলের সমস্যার চিকিৎসার বিকল্প নয়। সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকা জরুরি।
সূত্র: আনন্দবাজার
আরটিভি/এসকে


