ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

অফিসের ডেস্কে গাছ রেখে নিতে পারেন মানসিক প্রশান্তি

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি

অফিসের ব্যস্ততায় এক টানা কাজ করতে করতে অনেক সময় একঘেয়েমি বা ঝিমুনি চলে আসে। আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবনে এই মানসিক ক্লান্তি দূর করতে ডেস্কের পাশে রাখা ছোট একটি গাছ হতে পারে দারুণ সমাধান।

সবুজ গাছের দিকে একঝলক তাকালে চোখের আরামের পাশাপাশি মনে প্রশান্তি মেলে, যা কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়। তবে সব ধরনের গাছ অফিসের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং সীমিত আলো-বাতাসের পরিবেশে টিকে থাকতে পারে না। তাই অফিসের ভেতর রাখার জন্য নির্দিষ্ট কিছু সহনশীল ও দৃষ্টিনন্দন উদ্ভিদ বেছে নেওয়া জরুরি।

অফিস ডেস্কের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও উপযোগী গাছগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মানি প্ল্যান্ট। মাটির পাশাপাশি পানিতেও অনায়াসে বেঁচে থাকতে পারে এই লতানো গাছটি।

গাঢ় সবুজ বা সোনালি রঙের পাতাযুক্ত গোল্ডেন মানি প্ল্যান্ট সিরামিক পাত্রে সাজিয়ে রাখলে ডেস্কের শোভা বহুগুণ বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি রিফ্রেশিং লুক পেতে বেছে নিতে পারেন গোলাপি সিঙ্গোনিয়াম বা লাল রঙের উগা অগ্লাওনেমা।

এই গাছগুলোর রঙিন পাতা যে কাউকে মুহূর্তেই মুগ্ধ করতে সক্ষম। যারা খুব কম যত্নে দীর্ঘস্থায়ী সৌন্দর্য চান, তাদের জন্য পিস লিলি বা জিজি প্ল্যান্ট আদর্শ। পিস লিলির শুভ্র ফুল এবং মৃদু সুবাস মনকে ফুরফুরে রাখে, আবার জিজি প্ল্যান্ট ঘরকে দূষণমুক্ত ও অ্যালার্জি মুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

এই গাছগুলো খুব অল্প আলোতেও দিব্যি টিকে থাকে।

সৌভাগ্য এবং পজিটিভ এনার্জির প্রতীক হিসেবে অনেকেই ডেস্কে লাকি ব্যাম্বু রাখতে পছন্দ করেন। কাঁচের পাত্রে পাথর ও সামান্য পানি দিয়ে সাজানো এই গাছটি ডেস্কের আভিজাত্য বাড়ায়।

চীনা ফাশুংই মতবাদ অনুসারে এই গাছটি সম্মান ও শক্তির প্রতীক। তবে লাকি ব্যাম্বু রাখার ক্ষেত্রে ডেস্কটি জানালার ধারে হওয়া ভালো, কারণ এর কিছুটা প্রাকৃতিক আলো ও বাতাসের প্রয়োজন হয়।

অফিসের গুমোট পরিবেশে প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে এবং মানসিক চাপ কমাতে এসব ইনডোর প্ল্যান্ট হতে পারে আপনার প্রতিদিনের কাজের সঙ্গী। অল্প কিছু যত্ন আর সঠিক গাছ নির্বাচনের মাধ্যমে আপনি আপনার একঘেয়ে অফিস ডেস্ককে বদলে দিতে পারেন এক টুকরো প্রশান্তির নীড়ে।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
আজ চকলেট দিবস
শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—চকলেট পছন্দ করেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আজ চকলেট দিবস
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
বছরের পর বছর ধরে অনেকেই লক্ষ্য করেন যে তাদের ঠোঁট কালো হয়ে যাচ্ছে। ধূমপায়ীরা একথা শুনে থাকেন যে এর জন্য সিগারেটই দায়ী। 
ধূমপান করলে ঠোঁট কালো হয় কেন, যা বলছে গবেষণা
আজ কালো বিড়াল দিবস 
কালো বিড়াল রাস্তা পার হলে দুর্ভাগ্য আসে—এমন ধারণা প্রচলিত রয়েছে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে।
আজ কালো বিড়াল দিবস 
আরও পড়ুন
সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার ৩ সহজ কৌশল