ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মিথ্যা বলার অভ্যাস ছাড়বেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
প্রতীকী ছবি

মানুষ হিসেবে আমরা কেউই নিজেদের ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করি না। কিন্তু প্রাত্যহিক জীবনের নানা বাঁকে আমরা ছোট-বড় অনেক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ফেলি। কখনো অন্যকে খুশি করতে, কখনো নিজেকে রক্ষা করতে, আবার কখনো স্রেফ অতিরঞ্জিত করে কোনো বিষয় উপস্থাপন করতে গিয়ে আমরা মিথ্যার জালে জড়িয়ে পড়ি।

বিশেষ করে বড়দের ক্ষেত্রে এই অভ্যাস ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে মারাত্মক আস্থার সংকট তৈরি করে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সদিচ্ছা ও সচেতনতা থাকলে এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

যেকোনো অভ্যাস পরিবর্তনের প্রথম ধাপ হলো এর পেছনের কারণ বা ‘ট্রিগার’ খুঁজে বের করা। মিথ্যা বলার মুহূর্তে নিজেকে থামিয়ে প্রশ্ন করুন—আপনি কেন এটি করছেন? আপনার মনের ভেতরে কোনো ভয় বা অস্বস্তি কাজ করছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করুন।

আপনি কি তথ্য গোপন করছেন নাকি বাড়িয়ে বলছেন, সেই ধরনটি শনাক্ত করতে পারলে এর মূল কারণ খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। অনেক সময় আমরা অন্যদের সরাসরি ‘না’ বলতে পারি না বলে মিথ্যার আশ্রয় নিই।

নিজের সীমাবদ্ধতা বা প্রয়োজন সম্পর্কে স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে কথা বলতে শেখা এই অভ্যাস ত্যাগে বড় ভূমিকা রাখে। কোনো অস্বস্তিকর প্রশ্নে মিথ্যা না বলে সরাসরি বলতে পারেন যে আপনি এই বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন।

অনেক সময় আমরা সত্যের পরিণাম নিয়ে অহেতুক ভীত থাকি। অথচ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সত্যের ফলাফল আমাদের ভাবনার চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক হয়। সত্য বললে সাময়িকভাবে কেউ বিরক্ত হলেও দীর্ঘ মেয়াদে তা পারস্পরিক শ্রদ্ধা বৃদ্ধি করে। তাই বড় কোনো পরিবর্তন নয়, বরং ছোট ছোট পদক্ষেপ দিয়ে সত্য বলার যাত্রা শুরু করা উচিত।

যেকোনো কথা বলার আগে নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা ‘গাট ফিলিংস’ যাচাই করে দেখা প্রয়োজন যে কথাটি সবার জন্য সম্মানজনক কি না।

আরও পড়ুন

বাস্তবতা মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করা মিথ্যা ত্যাগের অন্যতম প্রধান শর্ত। নিজের ভুল স্বীকার করতে শেখা এবং তথাকথিত ‘সাদা মিথ্যা’ দিয়ে বিষয়টিকে জায়েজ করার প্রবণতা ছাড়তে হবে। সত্যকে মেনে নেওয়ার অভ্যাস কষ্টকর মনে হলেও এটি মানুষকে আত্মিক শান্তি দেয় এবং সুন্দর জীবনের পথ প্রশস্ত করে।

তবে কারো ক্ষেত্রে যদি মিথ্যা বলাটা বাধ্যতামূলক বা আসক্তির মতো হয়ে দাঁড়ায়, তবে দেরি না করে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শৈশবের কোনো ট্রমা বা মানসিক চাপ থেকেও এই প্রবণতা তৈরি হতে পারে, যা সঠিক থেরাপির মাধ্যমে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

দিনশেষে সততা বজায় রাখা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা দীর্ঘমেয়াদী বিশ্বাস ও মজবুত সম্পর্ক গঠনে সহায়তা করে। সূত্র: হেলথ লাইন।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ বিশ্ব মান দিবস / ভেজালের ভিড়ে মানের অঙ্গীকার
খাদ্যে ক্ষতিকর উপাদান, নিম্নমানের পণ্য, ওজনে কারচুপি—বাজারে এসব অনিয়মের অভিযোগ নতুন নয়।
ভেজালের ভিড়ে মানের অঙ্গীকার
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
প্রচণ্ড রোদে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা এবং সুস্থ থাকা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়, বিশেষ করে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যেখানে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা অনেক বেশি বেড়ে যায়।
রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে এবং শরীর সতেজ রাখার উপায়
অবিবাহিত বন্ধুদের যে ৬ কথা না বলাই ভালো
বয়স বিশের কোটা পেরোতেই বন্ধুমহলে একে একে বিয়ের আয়োজন শুরু হয়।
অবিবাহিত বন্ধুদের যে ৬ কথা না বলাই ভালো
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
সব সময়তো শুনেছেন বা পত্রিকায় লেখা পড়েছেন ‘সফলতাকে উৎযাপন’ করার কথা।
আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য
আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস
ব্যর্থতাকে আমরা সাধারণত হতাশা ও পরাজয়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখি। কোনো কাজে সফল না হলে অনেকেই নতুন করে চেষ্টা করার সাহস হারিয়ে ফেলেন।
আজ বিশ্ব ব্যর্থতা দিবস