
ঘরের মতো গাড়ির ভেতরটিও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। গাড়ির ভেতরে ময়লা জমে থাকলে যেমন দুর্গন্ধ ছড়াতে পারে, তেমনি অগোছালো থাকলে পুরো গাড়িটিই দেখতে অপরিচ্ছন্ন লাগে। বিশেষ করে সিটের নিচে খাবারের প্যাকেট, দরজার পাশে খালি পানীয়ের ক্যান কিংবা এদিক-ওদিক ছড়িয়ে থাকা তার গাড়ির ভেতরের পরিবেশ নষ্ট করে। তবে কিছু ছোট অভ্যাসেই গাড়ি রাখা যায় পরিপাটি।
ছোট বর্জ্য ফেলার পাত্র রাখুন
গাড়িতে খাবার বা পানীয় খাওয়ার অভ্যাস থাকলে প্যাকেট, টিস্যু ও কাগজের কাপ জমে যায়। এসব গাড়ির বাইরে রাস্তায় ফেলে দেওয়া কোনোভাবেই ভালো অভ্যাস নয়। তাই গাড়ির ভেতরে ছোট একটি বেতের ঝুড়ি বা ব্যাগ রাখতে পারেন। জমে থাকা ময়লা সেখানেই ফেলুন।
সপ্তাহে অন্তত একবার পাত্রটি পরিষ্কার করুন। পেট্রোল নেওয়ার সময় বা কোথাও অপেক্ষা করার সুযোগ পেলে গাড়িতে জমে থাকা ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে দিন।
ঋতু অনুযায়ী জিনিস রাখুন
সারা বছর গাড়িতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস জমিয়ে রাখলে জায়গা যেমন কমে যায়, তেমনি গাড়িও অগোছালো দেখায়। বর্ষাকালে ছাতা বা শীতকালে গরম কাপড় প্রয়োজন হতে পারে। তবে ঋতু বদলে গেলে অপ্রয়োজনীয় এসব জিনিস গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলুন।
ছোট বাক্সে গুছিয়ে রাখুন
পেন, টিস্যু, চিরুনি বা ঠোঁটের প্রসাধনীর মতো ছোটখাটো প্রয়োজনীয় জিনিস এদিক-ওদিক ছড়িয়ে না রেখে একটি ছোট বাক্সে রাখতে পারেন। এতে গাড়ির ভেতর যেমন গোছানো থাকবে, প্রয়োজনের সময় জিনিসও সহজে পাওয়া যাবে।
গাড়ির পেছনের অংশে প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম, গাড়ির প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও বাজারের ব্যাগ আলাদা করে রাখতে পারেন। গাড়ির ছোট ড্রয়ারে বিমার কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথিও গুছিয়ে রাখা যায়।
পকেটযুক্ত আসনঢাকা ব্যবহার করুন
গাড়িতে শিশু থাকলে তাদের খেলনা, আঁকার খাতা, বই ও পেনসিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে পারে। এ সমস্যা এড়াতে পকেটযুক্ত আসনঢাকা ব্যবহার করা যায়। আসনের পেছনে ফিতার সাহায্যে এটি লাগিয়ে রাখা যায়। ফলে পেছনের আসনে বসা শিশুরা সহজেই প্রয়োজনীয় জিনিস বের করে নিতে পারবে।
ব্যবহারের পর জিনিস নামিয়ে ফেলুন
গাড়িতে প্রয়োজনীয় কোনো জিনিস নিয়ে বের হলে যাত্রা শেষে সেটি গাড়িতে রেখে দেবেন না। প্রয়োজন শেষ হলে জিনিসটি গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলুন। একই সঙ্গে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে রাখুন। এতে গাড়ির ভেতরে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমবে না এবং দীর্ঘদিন পরও গাড়ি পরিপাটি রাখা সহজ হবে।
আরটিভি/জেএমএ


