ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

পেঁয়াজ কাটলেই চোখে পানি আসে কেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম
পেঁয়াজ কাটার সময় নির্গত রাসায়নিক পদার্থের কারণেই চোখে জ্বালাপোড়া ও পানি আসে। ছবি: কাল্পনিক

রান্নার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে পেঁয়াজ কাটতে হয় প্রায় প্রতিদিনই। কিন্তু পেঁয়াজ কাটার কিছুক্ষণের মধ্যেই চোখে শুরু হয় জ্বালাপোড়া, গড়িয়ে পড়ে পানি। অনেকেই এ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন, পেঁয়াজ কাটলেই কেন চোখে পানি আসে? এর পেছনে রয়েছে পেঁয়াজের ভেতরে থাকা সালফারযুক্ত উপাদান এবং একটি বিশেষ রাসায়নিক বিক্রিয়া।

পেঁয়াজ কাটার সময় এর কোষগুলো ভেঙে যায়। এতে কোষের ভেতরে থাকা বিভিন্ন উপাদান একে অপরের সংস্পর্শে আসে। এ সময় অ্যালিনেজ নামের একটি উৎসেচক সালফারযুক্ত যৌগের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। ফলে তৈরি হয় সিন-প্রোপেনেথিয়াল-এস-অক্সাইড নামের একধরনের উদ্বায়ী রাসায়নিক পদার্থ। একে অশ্রু সৃষ্টিকারী উপাদান বলা হয়।

এই রাসায়নিক পদার্থ বাতাসে ছড়িয়ে গ্যাসের মতো চোখে পৌঁছায়। এতে চোখের সংবেদনশীল স্নায়ু উত্তেজিত হয়। শুরু হয় জ্বালাপোড়া। চোখ তখন নিজেকে রক্ষা করতে অতিরিক্ত পানি তৈরি করে। এ কারণেই পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ দিয়ে পানি পড়ে।

পেঁয়াজ কাটলে চোখে পানি কমাবেন যেভাবে

পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি পড়া পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হলেও কয়েকটি সহজ উপায় অনুসরণ করলে অস্বস্তি কিছুটা কমানো সম্ভব।

১. ফ্রিজে রাখুন পেঁয়াজ: পেঁয়াজ কাটার আগে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে দিন। এতে রাসায়নিক পদার্থের বাষ্পীভবন কমতে পারে। ফলে চোখে জ্বালাপোড়াও কিছুটা কম হতে পারে।

২. ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন: পেঁয়াজ কাটার সময় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন। এতে পেঁয়াজের কোষ তুলনামূলক কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঝাঁজালো পদার্থ কম ছড়াতে পারে।

৩. বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন: ফ্যানের বাতাস বা ভালো বায়ু চলাচল করে এমন জায়গায় পেঁয়াজ কাটুন। এতে ঝাঁজালো রাসায়নিক পদার্থ চোখের কাছে কম পৌঁছাতে পারে।

পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি আসা কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। এটি চোখকে বিরক্তিকর রাসায়নিক পদার্থ থেকে রক্ষা করার শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। তাই পেঁয়াজ কাটার সময় চোখে পানি এলে চিন্তার কিছু নেই। বরং কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে চললেই এই অস্বস্তি অনেকটা কমানো সম্ভব।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
সকালের শুরুতে এক কাপ চা, বিকেলে ক্লান্তি দূর করতে আবারও চায়ের কাপে চুমুক—এমন অভ্যাস অনেকেরই।
অতিরিক্ত গরম চা খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছেন না তো?
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করা, অবসর সময়ে সোফায় গা এলিয়ে মুঠোফোন দেখা কিংবা শারীরিক পরিশ্রম না করা—আধুনিক জীবনে এমন অভ্যাস অনেকেরই।
প্রতিদিনের ৫ অভ্যাসেই ক্ষতি হচ্ছে মেরুদণ্ডের!
আজ ক্যান্ডি দিবস
ক্যান্ডি মানেই মিষ্টি স্বাদ আর শৈশবের রঙিন স্মৃতি।
আজ ক্যান্ডি দিবস
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন