
আধুনিক বিশ্বে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রতিদিন ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অসংখ্য পরামর্শ আমাদের বিভ্রান্ত করে।
তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, কিছু চিরন্তন অভ্যাস চর্চা করলে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকা সম্ভব। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিক চাপ সামলানোর জন্য মনোযোগের চর্চা করা। অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে বর্তমান সময়ে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম কিংবা প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানো মানসিক প্রশান্তি দেয়।
পাশাপাশি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অটুট রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য প্রতিদিন অন্তত সাত ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম অপরিহার্য, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে বর্তমানে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে গোটা শস্য বা প্রাকৃতিক খাবার বেছে নেওয়া উচিত। বিশেষ করে ফলমূলের রস খাওয়ার চেয়ে সরাসরি ফল খাওয়া এবং সম্ভব হলে খোসাসমেত গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী।
শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা কাটাতে নিজেকে সব সময় সচল রাখা জরুরি; যার জন্য খুব ভারী ব্যায়াম না করলেও নিয়মিত হাঁটাচলা, লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার কিংবা কাজের ফাঁকে সামান্য স্ট্রেচিং করা যেতে পারে।
সবশেষে পরিবেশগত টক্সিন বা দূষণ থেকে নিজেকে রক্ষা করা বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। উন্নত মানের ফিল্টারের পানি পান করা এবং ঘরকে ধোঁয়া ও দূষণমুক্ত রাখার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব। মূলত এই সাধারণ কিন্তু কার্যকর অভ্যাসগুলো নিয়মিত মেনে চললে একজন মানুষ প্রাত্যহিক জীবনে অনেক বেশি প্রাণবন্ত ও রোগমুক্ত থাকতে পারেন। সূত্র: হার্ভার্ড হেলথ পাবলিশিং
আরটিভি/এএইচ




