ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গরম গরম চা-কফি পান করছেন? ভয়ংকর ঝুঁকির কথা জানাল গবেষণা

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
অতিরিক্ত গরম চা বা কফি পান করার সঙ্গে খাদ্যনালির একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক পাওয়া গেছে নতুন গবেষণায়। ছবি: সংগৃহীত

সকালের শুরুতে এক কাপ গরম চা বা কফি অনেকেরই পছন্দ। কেউ আবার দিনের বিভিন্ন সময়ে গরম পানীয় পান করতে অভ্যস্ত। তবে চা বা কফি কতটা গরম করে পান করছেন, সেদিকেও নজর দেওয়া জরুরি। নতুন এক বড় গবেষণায় দেখা গেছে, খুব গরম চা-কফি পান করার সঙ্গে খাদ্যনালির একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণায় প্রায় ১০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, যারা চা বা কফি ‘খুব গরম’ অবস্থায় পান করতে পছন্দ করেন, তাদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে তিন গুণেরও বেশি।

গবেষণাটি ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ক্যানসারবিষয়ক একটি গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

খুব গরম পানীয়েই কেন ঝুঁকি বাড়ে?

গবেষকদের ধারণা, অতিরিক্ত গরম তরল দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনালির ভেতরের আবরণে ক্ষতি ও প্রদাহ তৈরি করতে পারে। সময়ের সঙ্গে এই ধরনের ক্ষতি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি চা বা কফির উপাদান নিয়ে নয়, বরং পানীয়টি কতটা গরম অবস্থায় পান করা হচ্ছে—সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থাও ৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার পানীয়কে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।

প্রায় ১০ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ

গবেষণায় যুক্তরাজ্যের দুটি বড় গবেষণার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ‘মিলিয়ন উইমেন স্টাডি’ ও ‘ইউকে বায়োব্যাংক’। এতে ৩৭ থেকে ৭৩ বছর বয়সী প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।

অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তারা চা বা কফি সাধারণত কী তাপমাত্রায় পান করেন। উত্তরে তারা ‘উষ্ণ’, ‘গরম’ অথবা ‘খুব গরম’—এই তিন ধরনের পছন্দের কথা জানিয়েছিলেন।

একই সঙ্গে দিনে কত কাপ গরম পানীয় পান করেন, সেটিও জানা হয়। পরে তাদের দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং কারা খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন, তা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।

প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা একটি গবেষণা এবং প্রায় ১১ বছর ধরে চলা আরেকটি গবেষণার তথ্য মিলিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়।

‘খুব গরম’ পানীয় পানকারীদের ঝুঁকি তিন গুণের বেশি

দুই গবেষণার তথ্য একত্র করে দেখা যায়, যারা পানীয় ‘খুব গরম’ অবস্থায় পান করতেন, তাদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ‘উষ্ণ’ পানীয় পানকারীদের তুলনায় ৩ দশমিক ১৭ গুণ বেশি।

অর্থাৎ ঝুঁকি বেড়েছে ২১৭ শতাংশ। যারা ‘গরম’ পানীয় পান করতেন, তাদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি উষ্ণ পানীয় পানকারীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল।

তবে খাদ্যনালির আরেক ধরনের ক্যানসার, অ্যাডেনোকার্সিনোমার ক্ষেত্রে পানীয়ের তাপমাত্রার সঙ্গে ঝুঁকির এমন সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

দিনে ছয় কাপ বা তার বেশি খেলেও বাড়ে ঝুঁকি

শুধু তাপমাত্রাই নয়, দিনে কতবার গরম পানীয় পান করা হচ্ছে, সেটিও গবেষণায় বিবেচনা করা হয়েছে।

যারা দিনে ছয় কাপ বা তার বেশি গরম পানীয় পান করতেন, তাদের স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারের ঝুঁকি ছয় কাপের কম পানকারীদের তুলনায় ৭১ শতাংশ বেশি ছিল।

গবেষকরা ধূমপান, মদ্যপান ও শরীরের গঠনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার পরও এই সম্পর্ক দেখতে পেয়েছেন।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ধূমপান করেন কি না, মদ্যপান করেন কি না কিংবা চায়ে দুধ মেশানো হয় কি না—এসবের পার্থক্য থাকলেও খুব গরম পানীয়ের সঙ্গে ক্যানসারের বাড়তি ঝুঁকির সম্পর্ক একই রকম ছিল।

একটু ঠান্ডা করে পান করলেই কমতে পারে ঝুঁকি

গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—পানীয়ের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে পান করলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে যারা বর্তমানে পানীয় খুব গরম অবস্থায় পান করেন, তারা তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে ‘গরম’ অবস্থায় পান করলে খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারের প্রায় ১৪ শতাংশ ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে। এতে বছরে প্রায় ৪৪০টি ক্যানসারের ঘটনা কমতে পারে বলে গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চা বা কফি পরিবেশনের পর সঙ্গে সঙ্গে পান না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা ভালো। জিহ্বায় পোড়া বা অসহ্য গরম লাগলে সেটি পান করার উপযুক্ত তাপমাত্রায় পৌঁছায়নি—এমনটা ধরে নেওয়া যেতে পারে।

শুধু গরম পানীয় নয়, আরও কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম চা-কফির তাপমাত্রা কমিয়ে পান করা উপকারী অভ্যাস হতে পারে। তবে খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকির ক্ষেত্রে আরও কিছু প্রতিষ্ঠিত কারণ গুরুত্বপূর্ণ।

এর মধ্যে রয়েছে ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, স্থূলতা এবং দীর্ঘদিনের অম্লতা বা খাদ্যনালিতে অ্যাসিড ওঠার সমস্যা।

তাই শুধু চা-কফি ঠান্ডা করে পান করাই নয়, ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং শরীরের ওজন ও দীর্ঘদিনের অম্লতার সমস্যার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে পানীয়টি একেবারে ধোঁয়া ওঠা অবস্থায় পান না করে কিছুটা ঠান্ডা করে নেওয়া সহজ একটি সতর্কতা হতে পারে।

সূত্র: হেলথলাইন


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
বিয়ের পর জীবনে আসে নানা পরিবর্তন। নতুন সংসার, দাম্পত্য সম্পর্ক, শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ এবং বাড়তি দায়িত্বের সঙ্গে মানিয়ে নিতে গিয়ে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হন অনেক নারী।
বিয়ের পর গুগলে কী খোঁজেন নারীরা, সামনে এল ৭ বিষয়
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস।
আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে