ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

দিনভর ফুরফুরে থাকতে মাখুন সলিড পারফিউম, বানাবেন যেভাবে

আরটিভি নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২২ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সুগন্ধি মানেই আমরা সাধারণত তরল স্প্রে বা কাঁচের শিশির কথা ভাবি। কিন্তু বর্তমান ফ্যাশন দুনিয়ায় ট্রেন্ড এখন সলিড পারফিউম। এটি দেখতে কিছুটা সাবানের মতো হলেও ব্যবহারের সময় মনে হয় যেন পেট্রোলিয়াম জেলি মাখছেন।

এই পারফিউমের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি ব্যবহারের সময় শিশি ভেঙে যাওয়ার ভয় নেই বা ব্যাগের ভেতর গড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে না।

এমনকি বিমানে ভ্রমণের সময় হ্যান্ড লাগেজেও এটি অনায়াসে বহন করা যায়। প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি হওয়ায় বাজারে পাওয়া কেমিক্যাল যুক্ত পারফিউমের চেয়ে এটি ত্বকের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

তবে বাজারে নামী ব্র্যান্ডের সলিড পারফিউমের দাম সাধারণের নাগালের বাইরে। তাই খুব অল্প খরচেই আপনি বাড়িতে এটি বানিয়ে নিতে পারেন।

সলিড পারফিউম তৈরির মূল উপাদান হলো বিওয়াক্স বা মোম এবং বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েল। এটি বানানোর জন্য প্রথমেই ডবল বয়েলিং পদ্ধতিতে ২ টেবিল চামচ বিওয়াক্স গলিয়ে নিন। এরপর তার মধ্যে মিশিয়ে দিন ২ টেবিল চামচ নারকেল তেল।

আরও পড়ুন

আপনি চাইলে নারকেল তেলের বদলে আমন্ড অয়েল বা জোজোবা অয়েলও ব্যবহার করতে পারেন। তেল ও মোম পুরোপুরি মিশে না যাওয়া পর্যন্ত হালকা আঁচে গরম করতে থাকুন এবং মাঝেমধ্যে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন।

মিশ্রণটি ভালোভাবে তৈরি হয়ে গেলে এতে আপনার পছন্দের যেকোনো এসেনশিয়াল অয়েল যোগ করার পালা।

আপনি যদি ল্যাভেন্ডার, গোলাপ, জুঁই বা চন্দনের গন্ধ পছন্দ করেন, তবে সেই অনুযায়ী তেল বেছে নিন। গন্ধ কতটা কড়া বা হালকা হবে তা নির্ভর করবে আপনার ওপর। সাধারণত মৃদু সুগন্ধের জন্য ৮-১০ ফোঁটা এবং একটু কড়া গন্ধের জন্য ১০-২০ ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মেশানোই যথেষ্ট।

সব উপকরণ মেশানো হয়ে গেলে মিশ্রণটি একটি ছোট পাত্রে ঢেলে রাখুন এবং ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট রেখে দিন। জমে গেলেই তৈরি আপনার নিজস্ব সলিড পারফিউম।

ব্যবহারের সময় আঙুলের ডগায় সামান্য পারফিউম তুলে শরীরের পাল্‌স পয়েন্টগুলোতে মেখে নিন। সারা দিন সুগন্ধে সতেজ থাকবে শরীর।

তবে মনে রাখবেন, অতিরিক্ত ঘামলে এই পারফিউম কিছুটা গলে যেতে পারে, যা সুগন্ধের তীব্রতা কমিয়ে দেয়।

আরটিভি/এএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আয়নায় নিজেকে কেন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়
আমরা দিনের একটা বড় সময় কাটিয়ে দিই আয়নার সামনে। পোশাক ঠিক করা থেকে শুরু করে সামান্য চুল ঠিক করা পর্যন্ত, আয়না আমাদের দৈনন্দিন জীবনের এক অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেছেন যে, আয়নায় নিজেকে যতটা সুন্দর, ত্রুটিহীন ও আকর্ষণীয় মনে হয়। ছবি বা ভিডিওতে ঠিক ততটা লাগে না। এই তারতম্যের পেছনে রয়েছে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ। চলুন সেই রহস্যগুলো উদ্ঘাটন করা যাক:  ​১. পরিচয়ের ভ্রান্তি: ‘দ্য মিরর ইমেইজ’ বা উল্টো প্রতিচ্ছবি ​আয়নায় আমরা নিজেদের যে প্রতিচ্ছবি দেখি, তা আসলে আমাদের উল্টো বা পার্শ্ব-বিপরীত প্রতিবিম্ব। অর্থাৎ, আয়না আমাদের ডান দিককে বাঁ-দিক এবং বাঁ দিককে ডানদিক করে দেখায়। ​পরিচিতি ও স্বস্তি: ছোটবেলা থেকে শুরু করে সারাজীবন আমরা আয়নাতেই নিজেদের এই উল্টো প্রতিচ্ছবি দেখতে অভ্যস্ত। আমাদের মস্তিষ্ক এই ‘উল্টো’ চেহারাকেই আমাদের আসল চেহারা হিসেবে চেনে এবং গ্রহণ করে। ​অসামঞ্জস্যতার প্রভাব: মানুষের মুখমণ্ডল পুরোপুরি প্রতিসম হয় না। কিছু সূক্ষ্ম অসামঞ্জস্যতা (যেমন- চোখের আকারের সামান্য পার্থক্য, একদিকের ভ্রু সামান্য ওপরে থাকা ইত্যাদি) প্রায় সবার মধ্যেই থাকে। যেহেতু আমরা অভ্যস্তভাবে উল্টো চেহারাটা দেখি, তাই ছবিতে যখন অন্যদের দেখা আসল চেহারাটা (যা আমরা আয়নায় দেখি না) দেখি, তখন এই অসামঞ্জস্যতাগুলো হঠাৎ করেই বেশি প্রকট মনে হয়। মস্তিষ্ক এই অপরিচিত চেহারার কারণে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করে, যা আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। ​২. এক্সপোজার এফেক্ট: যত দেখি, তত ভালো লাগে ​মনোবিজ্ঞানে একটি ধারণা আছে, যার নাম ‘Exposure Effect’ বা ‘Mere-Exposure Effect’। এর মূলকথা হলো, আমরা কোনো জিনিস বা ব্যক্তির সাথে যত বেশি পরিচিত হই বা যত বেশি দেখি, তাকে তত বেশি পছন্দ করতে শুরু করি। .​আয়নার প্রাধান্য: আমরা দিনের মধ্যে বারবার আয়নায় নিজেদের দেখি। এর ফলে আমাদের মস্তিষ্ক নিজেদের এই উল্টো রূপটির সাথে অত্যন্ত পরিচিত হয়ে ওঠে এবং এটিকে স্বাভাবিকভাবেই ইতিবাচকভাবে বিচার করে। ​ছবির স্বল্পতা: ছবি বা ভিডিওতে নিজেদের দেখার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম হয়, এবং সেখানে আমরা সেই 'উল্টো' প্রতিচ্ছবিটা পাই না। তাই এই অপরিচিত চেহারাটি মস্তিষ্ককে ততটা আকর্ষণ করতে পারে না। ​৩. নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা: সঠিক কোণ ও আলো সেরা কোণ: আমরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেই কোণটি বেছে নিই, যেখান থেকে আমাদের সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।আয়নায় দেখার সময় আমাদের হাতে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে।​আলোর ব্যবহার: কোন আলোতে ভালো দেখাবে (যেমন- সরাসরি আলো নয়, বরং নরম ও সামনে থেকে আসা আলো) সেই বিষয়েও আমরা সচেতন থাকি। ​ভঙ্গি: নিজের ইচ্ছানুযায়ী মুখভঙ্গি বা পোজ (pose) তৈরি করে নিই। ​অন্যদিকে, ছবি বা ভিডিওতে অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ ফটোগ্রাফারের হাতে থাকে বা পরিস্থিতি অনুযায়ী তৈরি হয়। হঠাৎ করে তোলা ছবি বা অপ্রীতিকর আলোতে তোলা ছবিতে তাই নিজেদের প্রত্যাশিত রূপে দেখতে না পাওয়াই স্বাভাবিক। ​৪. মনস্তাত্ত্বিক ফিল্টার ও আকাঙ্ক্ষা আয়নার সামনে দাঁড়ানোর সময় আমরা নিজেদেরকে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ফিল্টার দিয়ে দেখি। ​ ইতিবাচক পক্ষপাতিত্ব : গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ মানুষই নিজেদের আকর্ষণ ক্ষমতাকে গড়ে প্রায় ২০% বেশি করে দেখেন। আমরা আমাদের ত্রুটিগুলোর চেয়ে ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলোর উপর বেশি মনোযোগ দিই। আয়নায় আমরা যা দেখতে চাই, মূলত সেটাই দেখি। ​আত্মপ্রেম: নিজের প্রতি ভালোবাসা বা ‘Self-Love’ এর একটি উপাদান হিসেবে নিজেকে সুন্দর দেখার আকাঙ্ক্ষা কাজ করে। ​আয়নায় নিজেকে বেশি আকর্ষণীয় দেখার কারণটি কেবল শারীরিক নয়, এটি আমাদের মস্তিষ্কের পরিচিতি, নিয়ন্ত্রণ এবং মনস্তাত্ত্বিক পক্ষপাতিত্বের একটি জটিল মিথস্ক্রিয়া। আয়না সেই রূপটি দেখায়, যা আমরা সারাজীবন দেখতে অভ্যস্ত, অর্থাৎ আমাদের উল্টো প্রতিচ্ছবি। আর এই পরিচিতিই আমাদের মনে আত্মবিশ্বাস ও আকর্ষণবোধ তৈরি করে।  আরও পড়ুন নভেম্বর মাসে যেসব নতুন মোটরসাইকেল বাজারে এসেছে ​মনে রাখবেন, অন্যরা আপনাকে ছবিতে দেখা আপনার রূপের মতোই দেখেন না, কারণ আপনার আসল রূপ তাদের কাছেও প্রতিদিনের দেখা একটি পরিচিত রূপ। তাই আয়না এবং ছবির তারতম্য নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে, আপনার আসল আকর্ষণীয়তা - যা আপনার ব্যক্তিত্ব, হাসি এবং আত্মবিশ্বাসের মধ্যে রয়েছে সেটার ওপর মনোযোগ দিন! আরটিভি/এসকে
আয়নায় নিজেকে কেন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়
মানুষ শীতকালেই কেন বেশি বিয়ে করে?
শীতকাল এলেই শুরু হয় উৎসবের আমেজ, আর সেই উৎসবের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজতে থাকে বিয়ের সানাই। বাংলাদেশে সাধারণত নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এই সময়টাকেই বিয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ধরা হয়। আবহাওয়ার স্বস্তি থেকে শুরু করে নানা লজিস্টিক সুবিধা—সব মিলিয়ে শীতকাল বিয়ের মৌসুম হিসেবেই পরিচিত। দেখে নেওয়া যাক, কেন শীতকালই বিয়ের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক সময়— ১. লম্বা ছুটি ও আত্মীয়-সমাগমডিসেম্বর মাসে স্কুল-কলেজের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়, শুরু হয় লম্বা ছুটি। এই সময়ে কর্মজীবী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীরা পর্যন্ত সবাই কিছুটা অবসর পান। ফলে দেশের ভেতরে ও বাইরে থাকা আত্মীয়-পরিজনদের একই ছাদের নিচে পাওয়া যায়, যা অন্য সময়ে কঠিন। ২. কাজে ক্লান্তিহীন অংশগ্রহণবিয়ের আয়োজন মানেই শত রকম ব্যস্ততা দাওয়াত, সাজসজ্জা, খাওয়াদাওয়া, আয়োজন পরিচালনা ইত্যাদি। গরমের সময় সামান্য পরিশ্রমেও ক্লান্তি আসে, কিন্তু শীতকালে স্বস্তির কারণে সবাই প্রাণবন্তভাবে কাজ করতে পারেন। ৩. মেকআপে স্বস্তিগরমের দিনে ঘাম বা আর্দ্রতায় মেকআপ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। শীতকালে এই চিন্তা একেবারেই নেই। বর-কনে ও অতিথিরা সহজে সাজগোজে আরাম পান, মেকআপও দীর্ঘক্ষণ টেকে। ৪. ভরপুর ভোজ ও খাদ্য সংরক্ষণে সুবিধাপোলাও, বিরিয়ানি, রোস্ট বা রেজালার মতো ভারী খাবার শীতকালে বেশি উপভোগ্য হয়। ঠান্ডা আবহাওয়ায় খাবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি প্রায় থাকে না। সঙ্গে পিঠাপুলি ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পদ যোগ হয়ে বিয়ের আয়োজনকে আরও মুখরোচক করে তোলে। ৫. ফুলসজ্জায় সহজলভ্যতাগোলাপ, গাঁদা, রজনীগন্ধা, অর্কিডসহ বিভিন্ন ফুল শীতকালে সহজলভ্য হয় এবং দামও তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এতে ডেকোরেশন আরও রঙিন ও সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়। ৬. ফলের ঝামেলা কমএই সময় মৌসুমি ফল কম থাকায় ফলের প্লেট সাজানোর বাড়তি ঝক্কি থাকে না। ফলে আয়োজন সহজ ও খরচও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৭. সময় ও খরচ সাশ্রয়শীতকালে দিনের আলো কম থাকায় কাজগুলো সাধারণত দিনের মধ্যেই শেষ হয়। এতে সময় বাঁচে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বা শ্রম খরচও কমে। ৮. বিদ্যুৎ বিলে সাশ্রয়শীতকালে ফ্যানের প্রয়োজন হয় না, তাছাড়া রাতের অনুষ্ঠান শেষে সবাই দ্রুত বিশ্রামে যান। ফলে বিদ্যুৎ বিলও তুলনামূলকভাবে কম আসে। ৯. মশার ঝামেলা নেইশীতকালে মশা কম থাকায় মশারি টানানো বা স্প্রে করার বাড়তি ঝামেলা থাকে না। অতিথি ও নবদম্পতিরা নিশ্চিন্তে রাত কাটাতে পারেন। ১০. জম্পেশ হানিমুনশীতকাল ঘোরাঘুরির জন্য আদর্শ সময়। নবদম্পতিরা এই সময়ে আবহাওয়া উপভোগ করতে পারেন এবং দেশি-বিদেশি পর্যটনকেন্দ্রে আকর্ষণীয় কাপল প্যাকেজও পাওয়া যায়। আরও পড়ুন এক ঘণ্টা সিলিং ফ্যান চালালে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়, জানুন হিসাব সব মিলিয়ে বলা যায়, আয়োজনের স্বাচ্ছন্দ্য, অতিথি আপ্যায়ন, সাজসজ্জা ও রোমাঞ্চ—সব দিক থেকেই শীতকালই বিয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। আরটিভি/এসকে
মানুষ শীতকালেই কেন বেশি বিয়ে করে?
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পারফিউমও কি বদলানো দরকার
ষড়ঋতুর দেশ বাংলাদেশ এখানে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় জীবনযাত্রার নানা দিক। পোশাক, খাবার, ত্বকের যত্ন সব কিছুতেই আসে পরিবর্তন। তবে আপনি কি জানেন, ঋতু বদলের সঙ্গে পারফিউম বা সুগন্ধিও বদলানো উচিত? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৌসুমি আবহাওয়ার প্রভাবে শরীরের তাপমাত্রা ও ত্বকের রসায়নে পরিবর্তন ঘটে, যা সুগন্ধির স্থায়িত্ব ও ছড়ানোর ধরনে প্রভাব ফেলে। কেন বদলাতে হবে সুগন্ধি গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকায় সুগন্ধ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে হালকা বা সাইট্রাসধর্মী ফ্রেশ ঘ্রাণ বেশি মানানসই। অন্যদিকে শীতকালে শরীরের তাপমাত্রা কম থাকে, তাই কড়া, গভীর ও কস্তুরীজাতীয় ঘ্রাণ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়। এই কারণেই বড় পারফিউম ব্র্যান্ডগুলো এখন মৌসুমি সুগন্ধি সংগ্রহে রাখছে। কোন ঋতুতে কোন সুগন্ধি উপযুক্ত গ্রীষ্মকাল: হালকা, ফ্রেশ ও সাইট্রাসভিত্তিক সুগন্ধি যেমন, লেমন, ম্যান্ডারিন, মিন্ট বা গ্রিন টি ঘ্রাণের পারফিউম ব্যবহার করা ভালো। এগুলো ঘামের পরও সতেজতা বজায় রাখে। শীতকাল: গভীর ও উষ্ণ সুগন্ধি যেমন ভ্যানিলা, অ্যাম্বার, আউড, মস্ক বা স্পাইসি ওরিয়েন্টাল ঘ্রাণের পারফিউম দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় দারুণ মানিয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পারফিউম শুধু ঘ্রাণ নয়, এটি ব্যক্তিত্বের প্রকাশও। তাই আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে সুগন্ধি ব্যবহার করলে নিজেকে যেমন আরামদায়ক রাখা যায়, তেমনি চারপাশেও তৈরি হয় মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। উল্লেখ্যঋতুর সঙ্গে যেমন পোশাক বদলানো হয়, তেমনি পারফিউমেও পরিবর্তন আনা উচিত। এতে সুগন্ধি থাকবে দীর্ঘস্থায়ী, আর আপনি থাকবেন আত্মবিশ্বাসী ও সতেজ। আরটিভি/এসকে
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পারফিউমও কি বদলানো দরকার
খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
সোনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ যুগ যুগের। দাম যতই বাড়ুক, সোনার গহনার চাহিদা কখনও কমে না। বিয়ে-শাদি, উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠান সবক্ষেত্রেই সোনার গহনা যেন অপরিহার্য। শুধু অলংকার নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার গুরুত্ব অপরিসীম। তাই অনেকে দোকান ছাড়াও ব্যক্তির কাছ থেকে সোনা কিনে থাকেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো কীভাবে বুঝবেন সোনাটা খাঁটি কিনা? বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সহজ পরীক্ষার মাধ্যমেই খাঁটি সোনা চেনা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ৫টি কার্যকর কৌশল— ১. হলমার্ক দেখে কিনুন সোনার বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো হলমার্ক চিহ্ন দেখা। সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে এই চিহ্ন থাকে, যেখানে ১৮, ২২ বা ২৪ ক্যারেট লেখা থাকে। সংখ্যা যত বেশি, সোনার মান তত ভালো। তাই কেনার আগে অবশ্যই হলমার্ক পরীক্ষা করুন। ২. নাইট্রিক অ্যাসিড পরীক্ষা নাইট্রিক অ্যাসিড খাঁটি সোনার সঙ্গে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না, কিন্তু মিশ্র ধাতুর সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে। এজন্য সোনার একটি ক্ষুদ্র অংশ ঘষে নিয়ে তাতে অ্যাসিডের এক ফোঁটা ফেলুন। যদি রঙ অপরিবর্তিত থাকে, বুঝবেন সোনা খাঁটি। কিন্তু রঙ পরিবর্তন হয়ে সবুজাভ হলে বুঝতে হবে তাতে তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।  ৩. পানিতে ফেলে পরীক্ষা একটি পাত্রে পানি নিয়ে তাতে সোনার গহনা ফেলুন। যদি গহনা ভেসে থাকে, তবে এটি নকল। খাঁটি সোনা পানির তুলনায় ভারী হওয়ায় দ্রুত নিচে ডুবে যাবে।  ৪. চুম্বক পরীক্ষা সোনা চুম্বকে আকৃষ্ট হয় না। তাই একটি শক্তিশালী চুম্বক নিয়ে সোনার কাছে ধরুন। যদি গহনা চুম্বকে আটকে যায়, তাহলে সেটিতে মিশ্র ধাতু আছে মানে এটি খাঁটি নয়। ৫. স্ক্র্যাচ বা ঘষে দেখা অনেক স্বর্ণকার কষ্টিপাথরে সোনা ঘষে দেখে বিশুদ্ধতা যাচাই করেন। যদিও ঘরে এটি করা সম্ভব নয়, তবে সামান্য ঘষে রঙ পরিবর্তন হলে ধরে নিতে পারেন সোনাটি মিশ্র। বিশেষজ্ঞরা জানান, দোকান থেকেও অনেক সময় প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই কেনার সময় শুধু দাম নয়, বিশুদ্ধতাও যাচাই করা জরুরি। আরটিভি/এসকে
খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
শীতকালে খুশকির সমস্যা, জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে দূর করার সমাধান
শীতকাল এলেই অনেকের মাথায় দেখা দেয় বিরক্তিকর খুশকির সমস্যা। শুষ্ক আবহাওয়া ও রুক্ষ ত্বকের কারণে এ সময়ে খুশকি বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ সারা বছরই এ সমস্যায় ভোগেন। অনেকে নানা রকম কেমিক্যালযুক্ত হেয়ার প্রডাক্ট ব্যবহার করেও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান পান না। পুষ্টিবিদদের মতে, খুশকির মূল কারণ যদি হয় ধুলো-ময়লা, ঘাম জমা বা অপরিষ্কার স্ক্যাল্প, তাহলে শুধু শ্যাম্পু করেই তা দূর করা সম্ভব নয়। তবে ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় মেনে চললে খুশকি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। টক দই ব্যবহার করুন টক দই মাথার ত্বকের মৃত কোষ দূর করতে সহায়তা করে এবং প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। মাথার ত্বকে টক দই লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললে ভালো ফল পাওয়া যায়। সপ্তাহে দুই দিন এভাবে ব্যবহার করলে খুশকি কমবে। লেবুর খোসার পানি লেবুর খোসায় রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান, যা খুশকি দূর করতে কার্যকর। ৪–৫টি লেবুর খোসা ৪–৫ কাপ পানিতে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর সেই পানি মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট পর শ্যাম্পু করুন। ভিনেগার ব্যবহার ভিনেগার মাথার পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে এবং খুশকি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। শ্যাম্পু করার পর এক গ্লাস পানিতে ১ চামচ ভিনেগার মিশিয়ে শেষবার চুল ধুয়ে নিন। তবে এক চামচের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়, এতে চুল রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত যত্নে যা করবেন ১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন২. গরম পানির পরিবর্তে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন৩. মাথায় ঘাম জমে গেলে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। আরও পড়ুন ঘুম থেকে উঠে যে ৫ খাবার খেলেই হতে পারে বিপদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এসব ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে শীতকালেও খুশকির সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়েই পাওয়া যাবে পরিষ্কার ও সুস্থ চুল। আরটিভি/এসকে
শীতকালে খুশকির সমস্যা, জেনে নিন ঘরোয়া উপায়ে দূর করার সমাধান
আরও পড়ুন
তুরস্কের পারফিউম গোডাউনে আগুন, নিহত ৬
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পারফিউমও কি বদলানো দরকার
গরমে ঘামের দুর্গন্ধ? নামিদামি ব্যান্ডের পারফিউমের চেয়েও ভালো ফিটকিরি!