ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

জরুরি অবতরণের নির্দেশ অমান্য, বিমানেই অসুস্থ যাত্রীর মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১৭ পিএম
ফাইল ছবি

উড়ন্ত বিমানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এক যাত্রী। এ অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজনে নিকটস্থ লাহোর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয় পাইলটকে। কিন্তু সেই নির্দেশ না মেনে ফ্লাইট নিয়ে ঢাকায় ফিরে আসেন পাইলট। এতে সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। আর ততক্ষণে বিমানেই মারা যান ওই যাত্রী।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের লন্ডনগামী ফ্লাইটে গত ৩১ ডিসেম্বরের ঘটে মর্মান্তিক এ ঘটনা। এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে বিমান বাংলাদেশ।

জানা গেছে, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-২০১। হঠাৎ বিমানে থাকা এক যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ততক্ষণে ফ্লাইটটির অবস্থান লাহোরে।

কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কাছাকাছি কোনো বিমান বন্দরে অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয় পাইলটকে। কিন্তু নির্দেশ অমান্য করে পাইলট পাকিস্তানের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফেরত আসেন। এতে সময় লাগে প্রায় ৩ ঘণ্টা। দীর্ঘসময়ে চিকিৎসা না পাওয়ায় বিমানেই মারা যান ওই যাত্রী। পরে আবহাওয়াজনিত কারণে ওই দিন আর লন্ডনে যেতে পারেনি বিমানটি। এতে দুর্ভোগে পড়েন অন্য যাত্রীরাও।

আরও পড়ুন

ঘটনার সঠিক তথ্য উদঘাটনে বিমানের ফ্লাইট সেফটি প্রধানসহ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম বলেন, বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমায় যাওয়ার পর একজন যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেডিক্যাল ডিক্লেয়ার করে ফ্লাইটটি ঢাকায় ফেরত আসে। ওই যাত্রী মারা গেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

সংশ্লিষ্ট যাত্রীর মেডিকেল ফিটনেস, ফ্লাইট ডাইভারশন বা ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত যৌক্তিক ছিল কি না, ইন-ফ্লাইট ফার্স্ট এইড ব্যবস্থা সময়মতো নেওয়া হয়েছিল কি না— এ বিষয়গুলো কমিটি পর্যালোচনা করবে বলে জানা গেছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মোংলায় নৌপরিবহনমন্ত্রীকে সোনার চাবি উপহার
বাগেরহাটের মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের অভিষেক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে সম্মাননা স্মারক হিসেবে একটি ‘সোনার চাবি’ উপহার দেওয়া হয়েছে।
মোংলায় নৌপরিবহনমন্ত্রীকে সোনার চাবি উপহার
মালয়েশিয়া যেতে যে ৫১ কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন কর্মীরা 
মালয়েশিয়ায় কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশি কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য দেশের ৫১টি মেডিকেল সেন্টারকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেছে মালয়েশিয়ার ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফডব্লিউসিএমএস)। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) এফডব্লিউসিএমএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম ও ঠিকানা পাওয়া গেছে।  ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদন পাওয়া কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে— মতিঝিলের এশিয়া ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, মেডিনেট মেডিকেল সার্ভিসেস ও রামিন হেলথ সেন্টার। ফকিরাপুলে রয়েছে ওয়াদি হেলথ চেকআপ, মেডিফ্লাই হেলথ সার্ভিসেস; পুরানা পল্টনে ইবনে ওমর মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইউনিটি মেডিকেল চেকআপ সেন্টার, এ এফ মেডিকেল সেন্টার, স্টার মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক, আনাস মেডিকেল সেন্টার লিমিটেড ও আল-জামী ডায়াগনস্টিক সেন্টার। নয়াপল্টনে অনুমোদন পেয়েছে— আইডিয়াল ডায়াগনস্টিক, সানলাইট ডায়াগনস্টিক, রিলায়েন্স ল্যাব, প্রাইম ডায়াগনস্টিক, হিউম্যান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টার ও ওয়ান প্লাস মেডিকেল সেন্টার। বিজয়নগরে রয়েছে পারফেক্ট মেডিকেয়ার ও কমফোর্ট মেডিকেল চেকআপ সেন্টার। এছাড়া বনশ্রীর ফেমাস স্পেশালাইজড হাসপাতাল, রামপুরার লিডিং হেলথ চেকআপ লিমিটেড ও ডায়নামিক ল্যাব এবং পশ্চিম রামপুরার ডেল্টা হেলথ কেয়ার ও পিওর হেলথ মেডিকেল সেন্টার তালিকায় রয়েছে। বনানীতে গ্লোবাল মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সারা মেডিকেল সেন্টার ও সারা হেলথ কেয়ার; কাকলীতে পুষ্প ক্লিনিক; চেয়ারম্যান বাড়িতে এলবি হেলথকেয়ার ও সানমুন মেডিকেল সেন্টার এবং প্রগতি সরণিতে ইনডেক্স ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনুমোদন পেয়েছে। উত্তরা ও আশপাশের এলাকায় রয়েছে দক্ষিণখানের জান্নাহ মেডিকেল সার্ভিসেস, উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের মাইল্যাব মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আব্দুল্লাহপুরের আইচি হাসপাতাল এবং গাজীপুরের শাহিদা খাতুন ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টার। ধানমন্ডির গ্রিন রোডে ল্যাব সায়েন্স ডায়াগনস্টিক, ক্যান্টনমেন্টের মানিকদীতে ইশতিয়াক মেডিকেল সেন্টার ও ট্রু হেলথ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মাটিকাটায় মেডিপ্যাথ মেডিকেল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং কাফরুলে স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারও তালিকাভুক্ত হয়েছে। অন্যান্য অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে— নিউ ইস্কাটনের ইউনিকেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস, মগবাজারের গ্রিনল্যান্ড মেডিকেল সেন্টার, কাকরাইলের কেয়ার ওয়েভ, মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল, তেজগাঁওয়ের জারা হেলথ কেয়ার, তেজগাঁও বিমানবন্দর সড়কের এভারগ্রিন মেডিকেল সেন্টার এবং কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের ওয়ার্ল্ড হরাইজন মেডিকেল সার্ভিসেস। এছাড়া বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সুরক্ষা মেডিকেল সেন্টার, উত্তর বাড্ডায় ল্যাব কোয়েস্ট লিমিটেড, মাদানি অ্যাভিনিউয়ে স্ট্যান্ডার্ড মেডিকেল সেন্টার এবং ডিআইটি অ্যাভিনিউয়ে ভিটা হেলথ মেডিকেল অনুমোদিত কেন্দ্রের তালিকায় রয়েছে। এফডব্লিউসিএমএস জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত মেডিকেল সেন্টারগুলো সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকারি সংস্থার নিবন্ধিত। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠান বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডির নির্ধারিত নিরীক্ষা প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করেছে তারা। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য ইলেকট্রনিক ভিসা উইথ রেফারেন্সের (ই-ভিডিআর) আবেদন প্রক্রিয়ায় এগোনোর আগে আগ্রহী কর্মীদের এসব অনুমোদিত কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে মেডিকেল অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করা এবং বিভিন্ন পদ্ধতিগত জটিলতা কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। এর মধ্যে নতুন এ তালিকা প্রকাশ করা হলো। এর আগে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। একইসঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও চাকরিপ্রার্থীদের হয়রানি না করতে মেডিকেল সেন্টারগুলোকে সতর্ক করেছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।  গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৬২টি রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধিরা। তাদের পক্ষে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ ফজলুল ইসলাম ইয়াসিন। তিনি মেডিকেল অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) জন্য যৌক্তিক প্রসেসিং ফি নির্ধারণের আহ্বান জানান। আরটিভি/এসআর  
মালয়েশিয়া যেতে যে ৫১ কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন কর্মীরা 
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে সব খুন-অন্যায়ের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ের সব খুন ও অন্যায়ের বিচার করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান। 
জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশে সব খুন-অন্যায়ের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
দেশের সব কারাগারের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে ৭ দফা
দেশের কারাগারগুলোর অভ্যন্তরে সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রতিটি স্তরে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সাত দফা কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে কারা অধিদপ্তর। ইতোমধ্যে এসব নির্দেশনার অন্তত ৯০ শতাংশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল মেসবাহুল আলম সেলিম বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি জানান, নির্দেশনাগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য অধিদপ্তরের অপারেশনাল শাখাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশের কারাগারগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ডেপুটি জেলারসহ অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যেই এই পদক্ষেপগুলোর ইতিবাচক সুফল দৃশ্যমান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে কারাগারগুলোতে দায়িত্ব পালনে অবহেলা, শৃঙ্খলাহীনতা এবং বিদ্যমান নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ না করার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারা অধিদপ্তরের ৭ দফা নির্দেশনার মূল দিকসমূহ লক-আপ পরবর্তী কার্যক্রমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ: উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত জরুরি ক্ষেত্র ব্যতীত লক-আপের পরবর্তী কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। যেকোনো ব্যতিক্রমী ব্যবস্থার ক্ষেত্রে জেলারের লিখিত অনুমোদন, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে তা বাধ্যতামূলকভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি: প্রতিটি কারাগারে ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সম্ভব হলে পৃথক পর্যবেক্ষণ কক্ষ স্থাপন এবং নিরবচ্ছিন্ন মনিটরিংয়ের জন্য প্রশিক্ষিত ও আইটি-দক্ষ কারারক্ষী নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অননুমোদিত অনুপস্থিতিতে শূন্য-সহনশীলতা: নিরাপত্তার ত্রুটি রোধে প্রহরীদের দায়িত্বের স্থান থেকে অননুমোদিত অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত স্থান ত্যাগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত রিপোর্ট এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা: অবহেলা বা অনুপস্থিতির ঘটনা গোপন করা, রিপোর্ট করতে বিলম্ব করা কিংবা দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তাদেরও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। পুনঃপ্রশিক্ষণ ও শাস্তিমূলক বদলি: দায়িত্ব পালনে বারবার অবহেলাকারী প্রহরীদের জন্য পুনঃপ্রশিক্ষণ, কাউন্সেলিং ও অনুপ্রেরণামূলক ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক স্বার্থে বা দোষী সাব্যস্ত হলে তাদের আন্তঃকারাগারে বদলি কিংবা বিভাগীয় ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে। প্রতিকূল আবহাওয়ায় বিশেষ নিরাপত্তা: বৃষ্টি ও বজ্রপাতসহ যেকোনো প্রতিকূল আবহাওয়ায় প্রহরীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রেখে নিজ নিজ নির্ধারিত স্থানে দায়িত্ব পালন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নিয়মিত ও আকস্মিক পরিদর্শন: কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট, জেলার ও অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত তত্ত্বাবধান এবং আকস্মিক পরিদর্শন পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা নিরাপত্তা চৌকি, সিসিটিভি মনিটরিং ও প্রহরীদের দায়িত্ব সরাসরি পরীক্ষা করবেন। আগস্টে জারি করা এই নির্দেশনায় কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছিল যে, কারাগারের অভ্যন্তরে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা পুরো কারা প্রশাসনের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। এই ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি প্রতিরোধ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে অবিলম্বে এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছে কারা অধিদপ্তর। আরটিভি/এসআর  
দেশের সব কারাগারের জন্য জরুরি নির্দেশনা, মানতে হবে ৭ দফা
গণহত্যায় জড়িতদের বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বাংলাদেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 
গণহত্যায় জড়িতদের বাংলাদেশে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
মসজিদ কমিটির বিরোধে হামলা, প্রাণ গেল বিএনপি নেতার
ডেঙ্গুতে আরও তিন জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫৩৫
এক ঘোষণায় মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি পেলেন ৫৪৮ বন্দী
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু