ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশিদের জন্য ওমানের ওয়ার্ক ভিসা শিগগিরই উন্মুক্ত হবে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ওমানের শ্রমমন্ত্রী ড. মাহাদ বিন সাঈদ বিন আলী বাওয়াইন সালিম আল-বুসাইদি সম্প্রতি গ্লোবাল লেবার মার্কেট সম্মেলনে বাংলাদেশি আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সঙ্গে একটি সাইডলাইন মিটিংয়ে জানান, শিগগিরই বাংলাদেশিদের জন্য ওমানের ওয়ার্ক ভিসা পুনরায় চালু করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে এই ভিসা উন্মুক্ত হবে।

তিনি বলেন, ২০২৩ সাল থেকে বিদ্যমান অনিয়মিত ও আনডকুমেন্টেড প্রবাসী কর্মীদের নিয়মিত করার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে অদক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মীদের জন্য সাময়িকভাবে নতুন ওয়ার্ক ভিসা স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে এখন এই স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ওমান সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন, যেখানে অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের জরিমানা ছাড়াই বৈধকরণ করা হচ্ছে। তিনি দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী যেমন প্রকৌশলী, চিকিৎসক, নার্সদের জন্যও ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানোর জন্য শ্রম মন্ত্রীর সহযোগিতা চান।

আরও পড়ুন

এ ছাড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, আইনি সংস্কার এবং কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও প্রাক-বর্হিগমন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাগতিক দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও আইন-কানুন সম্পর্কে অবহিত করার মতো বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে শ্রম মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তিনি মাস্কাটে চলতি বছরের প্রথমার্ধে যৌথ কারিগরি কমিটির (জেটিসি) পরবর্তী অধিবেশনের আহ্বান জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ও শ্রম সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইতোমধ্যে চূড়ান্তকৃত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের জন্য শ্রম মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য এই পদক্ষেপ নতুন কর্মসংস্থান ও সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশের প্রাতিষ্ঠানিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সততা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করার জন্য চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্টস পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 
জবাবদিহিতা নিশ্চিতে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল অবস্থায় এলে দেশে তেলের দাম কমানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বর্তমানে কিছুটা কমলেও এই পতন কতটা টেকসই, তা এখনই বলা কঠিন। কারণ, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অস্থিতিশীল। তবে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার অবশ্যই বিষয়টি বিবেচনা করবে।  মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরে এক সাংবাদিক জানতে চান, তেলের দাম যখন ব্যারেলপ্রতি ১০২ ডলারের কাছাকাছি ছিল, তখন দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। বর্তমানে তা কমে এসেছে। এ অবস্থায় দেশের বাজারে তেলের দাম কত দ্রুত সমন্বয় করা হবে? জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম সরকার যে দরে সমন্বয় করেছিল, তার তুলনায় কিছুটা কমেছে। তবে দাম কমার পেছনের কারণটিও বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, যেদিন আমরা তেলের মূল্য বাড়ালাম, তখন নিউজ কি হয়েছিল? তেলের মূল্য কমছে। ওইদিনই তেলের মূল্য একটু কমেছিল। মজার ব্যাপার, তার তিন-চার দিন পর আবার তেলের মূল্য বেড়েছে। আবার ১০৬-১০৭ এ চলে গিয়েছে।  তেলের বর্তমান দর কমার কারণ হিসেবে ইউরোপের দেশগুলোর কৌশলগত মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপকে তাদের কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো বড় পরিমাণ তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা একটা ডেটা পেলাম, কিন্তু ডেটার কারণটা যদি খুঁজি আপনারা খুঁজলেই দেখবেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো তাদের স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ থেকে একটা বড় রিজার্ভ বাজারে ছেড়েছেন। তেলের দাম বর্তমান পর্যায়ে দীর্ঘ সময় স্থিতিশীল থাকবে কি না, তা নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিও এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীল হয়নি। সেখানে সামরিক উত্তেজনা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বর্তমান বাজারদরকে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল দাম হিসেবে ধরে নেওয়া কঠিন। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমমূল্যে স্থিতিশীল হলে সরকার দেশের বাজারে দাম সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করবে। জাহেদ উর রহমান বলেন, তেলের মূল্য মোটামুটি একটা স্টেবল অবস্থায় এবং যদি কমমূল্যে স্টেবল হয়, তখন অবশ্যই, অবশ্যই সরকার বিবেচনা করবে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ে এবং বিনিয়োগ কমে যেতে পারে। এতে কর্মসংস্থানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, এই যে মূল্যস্ফীতি হচ্ছে, এই যে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে ইনভেস্টমেন্ট কম হচ্ছে, এর প্রধান সাফারার তো জনগণ এবং জনগণ মানে সরকার। তিনি বলেন, একটি দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কমে গেলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি কমে যায়। এতে মানুষ চাকরি হারাতে পারে, নতুন চাকরির সুযোগ কমে এবং বিদ্যমান কর্মীদের বেতনও বাড়ে না। ফলে বিষয়টি সরকারের জন্যও ইতিবাচক নয়। তিনি আরও বলেন, সরকার সেনসিটিভ আছে, মূল্যটা যদি পরিস্থিতি হয় আমরা তো উল্টোটাও বিবেচনা করব। সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি তিস্তা মহাপরিকল্পনা, সেন্টমার্টিনের পর্যটন ও পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশ নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে সরকারের সহযোগিতার বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহী এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। তবে প্রকল্পের অর্থায়ন চীন করবে, বাংলাদেশ করবে নাকি অন্য কোনো দেশ করবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনার প্রাথমিক ধারণায় নদীশাসন, ভাঙন রোধ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের বিষয়টি ছিল। নতুন পরিকল্পনায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহারের বিষয়টিও যুক্ত করার সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। চীনের সহযোগিতা প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, তিস্তা প্রকল্পের কারিগরি বিষয়গুলোতে চীনের সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার মতো একটি অবস্থান হয়েছে। তবে প্রকল্প শেষ পর্যন্ত কাকে দিয়ে এবং কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সেন্টমার্টিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্বীপটির পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় পর্যটকদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। দ্বীপটির ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানো এবং এর ইকোসিস্টেম ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এ ধরনের ব্যবস্থা জরুরি। এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সাংবাদিক পেটানোর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসকে
জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার: জাহেদ উর রহমান
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিল্প উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে চায় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (৫ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘কমনওয়েলথ বিজনেসউইমেনস নেটওয়ার্ক’-এর নির্বাহী পরিচালক আরিফ জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান। আগামী নভেম্বরে অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলন (সিএইচওজিএম)। সম্মেলনে নতুন বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগের স্থান হিসেবে তুলে ধরার কৌশল নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রতিমন্ত্রী ও কমনওয়েলথ প্রতিনিধির মধ্যকার এ আলোচনায় বাংলাদেশকে নীতিগত ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার দেশ হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে একটি শক্তিশালী ‘উৎপাদন হাব’ হিসেবে দেশকে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়। বৈঠকে কৃষি ও গ্রামীণ উদ্যোগ জোরদার করা, ব্লু-ইকোনমিতে টেকসই সম্ভাবনার বিকাশ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ‘সার্কুলার ইকোনমি’ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও তারা মতবিনিময় করেন। এছাড়া মূল সম্মেলনের পাশাপাশি ‘কমনওয়েলথ উইমেনস ফোরাম’ নিয়েও কথা হয়। এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা এবং তাদের সম্ভাবনার বিকাশ ঘটানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে কমনওয়েলথের এই ফোরামগুলোকে কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সামনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা তুলে ধরা ও যোগাযোগ আরো জোরালো করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম উৎপাদন কেন্দ্র হতে চায়: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী
মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
জাটকা সংরক্ষণ ও মা ইলিশ রক্ষায় আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্য রাত থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে (২২ দিন) জেলেদের জনপ্রতি ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হবে। 
মেঘনায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
আরও পড়ুন
বিশ্ব বাজারে আবারও কমল তেলের দাম
বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান
ওমান উপসাগরে ডুবে গেল ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার
হরমুজ ইস্যুতে এবার ওমানকে বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের