ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোটের আগে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদারসহ ব্যাপক টহল শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে যাতে করে একটি শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

ভোটের আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী সময়সহ গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

দেশে মোট ৩০০টি আসনে (তবে, একটি আসনের একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে) প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটারের জন্য স্থাপিত প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র ও আনুমানিক ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার সহিংসতা ও নাশকতার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে এবং সব বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও বিঘ্নমুক্ত রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে নিরাপত্তা বাহিনী যেকোনো স্থানে, এমনকি ভোটকেন্দ্রেও প্রবেশ করতে পারবে। সীমান্তে নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক কনটেন্ট পর্যবেক্ষণও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জন্য কোনো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত থাকবেন। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা সারা দেশের রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা, যোগাযোগ কাঠামো এবং জরুরি সাড়া প্রদানের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন।

রাজধানীর নিউ মার্কেট ও মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন করে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়ন করেন এবং দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের সতর্ক, নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকার নির্দেশনাও দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোতায়েনকৃত বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ সেনা সদস্য, ৫ হাজার নৌবাহিনী সদস্য, ৩ হাজার ৭৩০ বিমানবাহিনী সদস্য, ৩৭ হাজার ৪৫৩ বিজিবি সদস্য, ৩ হাজার ৫০০ কোস্টগার্ড সদস্য, ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য, ৯ হাজার ৩৪৯ র‌্যাব সদস্য, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য এবং ৪৫ হাজার ৮২০ চৌকিদার ও দফাদার।

ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। মহানগর এলাকা, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দুর্গম অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহরুল আলম বলেছেন, পুলিশকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে যাতে জনগণের আস্থা ফিরে আসে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। জনআস্থা পুনরুদ্ধারে সদস্যদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সাইবার গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এস এম সাজ্জাত আলী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে ত্রুটিমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কৌশলগত ও স্পর্শকাতর এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে বিশেষ টহল শুরু করেছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানান, ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকছে এবং ৬১টি সীমান্ত উপজেলায় বিজিবি একক দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য বিজিবি পেশাদার, সুশৃঙ্খল ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জানান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, কে-৯ ইউনিট ও কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি, সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডও ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপকূলীয় ও নদীবেষ্টিত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে। ভোলা, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ দুর্গম ও নদীবেষ্টিত এলাকার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০ প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছে কোস্ট গার্ড।

এদিকে, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য সারাদেশে ৪২, হাজার ৭৬৬ ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে। সব বাহিনীকে নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। জরুরি সেবা ৯৯৯-এর অধীনে বিশেষ দল সার্বক্ষণিক সহায়তা দেবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে যৌথবাহিনী নির্বাচনকালীন এলাকা-ভিত্তিক অভিযান, চেকপোস্ট ও মোবাইল টহল পরিচালনা করবে। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের স্বাধীনভাবে, নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কর্মীদের স্বাচ্ছন্দ্যে লাগেজ পরিবহনের জন্য ট্রলি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শনকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
৭ মাসে বিদেশে গেছে ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর: স্পিকার
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পদত্যাগপত্র পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের টানেলে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন স্পিকার হাফিজ। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের ২৩ নম্বর সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি আমার অফিসে এসে লিখিতভাবে চিঠি দিয়ে গেছেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী পত্রটি পাওয়ার পরই তার পদ শূন্য হয়ে গেছে। আমরা এটি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেব। আজ থেকেই এই পদত্যাগ কার্যকর হবে। পদত্যাগের কারণ উল্লেখ করা হয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, সংসদের বিধান হলো, এমপির যখন পদত্যাগ করেন তখন কোনো কারণ উল্লেখ করেন না। আরটিভি/এসআর
মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর: স্পিকার
দেশের বাইরে সিদ্দিকী নাজমুল, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই নেতা জুলাই ছাত্র আন্দোলন ও গণ–অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। বৃহষ্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দুদক সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন, অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদক সূত্র জানায়, এসব অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাজমুল আলমের বিদেশ গমন রহিত করতে কমিশনে সুপারিশ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তবে সে সময় কমিশন না থাকায় প্রায় সাড়ে সাত মাস পর তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। সূত্র আরও জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন নাজমুল আলম। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আরটিভি/এসআর
দেশের বাইরে সিদ্দিকী নাজমুল, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চায় দুদক
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
টেলিভিশন সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও জনআস্থা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  সেই সঙ্গে দেশ গঠনে ও জনস্বার্থ রক্ষায় যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখারও আহ্বান জানান তিনি।  রাষ্ট্রপতি দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তাঁদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।  বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ আহ্বান জানান তিনি।  সাক্ষাৎকালে দেশের ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে দুঃসময়ে পাশে থাকার স্মৃতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।  তিনি বলেন, আপনাদের সাহচর্য, সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন হয়েছে, আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সবসময় আছি। রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে গণতন্ত্রচর্চা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা গেলে আমরাও উন্নত দেশগুলোর মতো উপরে উঠতে পারতাম। দীর্ঘ সংগ্রাম ও রক্তপাতের পর নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতি ক্ষুদ্র ও রাজনৈতিক স্বার্থ পরিহার করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতি বলেন, শুধু টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, এর গুণগত মান বজায় রাখতে হবে। তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করে গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে তিনি নীতিনির্ধারকদের বড় ক্যানভাসে, দীর্ঘমেয়াদে ও দূরদৃষ্টি দিয়ে সমস্যাগুলোকে দেখার ও সমাধানের আহ্বান জানান।  রাষ্ট্রপতি ডিজিটালাইজেশন ও স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে টেকসই হতে পারে,  সে ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বিজেসির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন জানান, বিজেসি ট্রাস্টি সংগঠনের মতো সাংবাদিকদের মূলত কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। এটি সম্প্রচার সাংবাদিকদের পেশাগত গুণগতমান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ প্রদান করে, স্বাস্থ্যসহায়তা, বিমাসহ ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।  তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি বিএনপির মহাসচিব থাকাকালে বিজেসির নানা কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতিকে বিজেসির পাশে থাকার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বাধীনতা ও সক্ষমতায় রাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন।  রাষ্ট্রপতি বিজেসির কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি তাদের আয়বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি বিজেসির উত্তরাত্তর সাফল্যও কামনা করেন।   সাক্ষাৎকালে বিজেসি প্রতিনিধি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টি তালাত মামুন, নির্বাহী জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু, সাইফুল শাহীন, নায়লা পারভীন পিয়া, সদস্য মাহমুদ হাসান, আজিজুর রহমান কিরন, শরিফুল ইসলাম খান ও বেলায়েত হোসেন। আরটিভি/এসআর
সাংবাদিকদের জনআস্থা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
গুপ্ত দলটি সবসময় দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি সর্বশক্তি নিয়োগ করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং আইন সবার জন্য সমান থাকবে বলে জানান তিনি। 
গুপ্ত দলটি সবসময় জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
জ্বালানি নিরাপত্তায় সরকারের নতুন উদ্যোগ, মহাপরিকল্পনা
হঠাৎ নিরাপত্তা শঙ্কায় এনবিআর, কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে নতুন নির্দেশ
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের
‘নিজের সন্তানকেই নিরাপত্তা দিতে পারিনি, অন্যকে কীভাবে দেব’