ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ভোটের আগে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে নিরাপত্তা জোরদারসহ ব্যাপক টহল শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অন্তর্বর্তী সরকার বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে যাতে করে একটি শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

ভোটের আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী সময়সহ গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

দেশে মোট ৩০০টি আসনে (তবে, একটি আসনের একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ওই আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে) প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটারের জন্য স্থাপিত প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্র ও আনুমানিক ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, সরকার সহিংসতা ও নাশকতার বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে এবং সব বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল ও বিঘ্নমুক্ত রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নিত করার যেকোনো চেষ্টার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে নিরাপত্তা বাহিনী যেকোনো স্থানে, এমনকি ভোটকেন্দ্রেও প্রবেশ করতে পারবে। সীমান্তে নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক কনটেন্ট পর্যবেক্ষণও জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জন্য কোনো অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত থাকবেন। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গ্রহণযোগ্য পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

পুলিশ সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা সারা দেশের রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা, যোগাযোগ কাঠামো এবং জরুরি সাড়া প্রদানের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন।

রাজধানীর নিউ মার্কেট ও মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন করে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়ন করেন এবং দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তাদের সতর্ক, নিরপেক্ষ ও পেশাদার থাকার নির্দেশনাও দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মোতায়েনকৃত বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ১ লাখ সেনা সদস্য, ৫ হাজার নৌবাহিনী সদস্য, ৩ হাজার ৭৩০ বিমানবাহিনী সদস্য, ৩৭ হাজার ৪৫৩ বিজিবি সদস্য, ৩ হাজার ৫০০ কোস্টগার্ড সদস্য, ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ পুলিশ সদস্য, ৯ হাজার ৩৪৯ র‌্যাব সদস্য, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য এবং ৪৫ হাজার ৮২০ চৌকিদার ও দফাদার।

ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। মহানগর এলাকা, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও দুর্গম অঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ভোটকেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহরুল আলম বলেছেন, পুলিশকে পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শন করতে হবে যাতে জনগণের আস্থা ফিরে আসে।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। জনআস্থা পুনরুদ্ধারে সদস্যদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সাইবার গোয়েন্দা কার্যক্রম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এস এম সাজ্জাত আলী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক আনুগত্যের ঊর্ধ্বে উঠে ত্রুটিমুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করায় অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কৌশলগত ও স্পর্শকাতর এলাকায়, বিশেষ করে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে বিশেষ টহল শুরু করেছে। বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী জানান, ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন থাকছে এবং ৬১টি সীমান্ত উপজেলায় বিজিবি একক দায়িত্ব পালন করবে।

তিনি বলেন, ভোটাররা যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য বিজিবি পেশাদার, সুশৃঙ্খল ও রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। তিনি জানান, হেলিকপ্টার, ড্রোন, কে-৯ ইউনিট ও কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি, সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকি, চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডও ১৮ জানুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপকূলীয় ও নদীবেষ্টিত এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে। ভোলা, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ দুর্গম ও নদীবেষ্টিত এলাকার ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোটকেন্দ্রে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০ প্লাটুন দায়িত্ব পালন করছে কোস্ট গার্ড।

এদিকে, আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৬০ হাজার সদস্য সারাদেশে ৪২, হাজার ৭৬৬ ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে। সব বাহিনীকে নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হয়েছে। জরুরি সেবা ৯৯৯-এর অধীনে বিশেষ দল সার্বক্ষণিক সহায়তা দেবে।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে যৌথবাহিনী নির্বাচনকালীন এলাকা-ভিত্তিক অভিযান, চেকপোস্ট ও মোবাইল টহল পরিচালনা করবে। ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের স্বাধীনভাবে, নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগে সহায়তা করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

আরটিভি/এমআই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।  শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।  হুমায়ুনি কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ এবং জাপানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বহুমুখী উপযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর এই জাপান সফর অনুষ্ঠিত হয়।   তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে একদিকে যেমন বাংলাদেশের জন্য জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা চলমান থাকা এবং বৃদ্ধি পাবার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছে, অন্যদিকে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন ক্ষেত্র প্রশস্ত হয়েছে।   হুমায়ুন কবির বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সবার আগে বাংলাদেশকে ভিত্তি করে এবং ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জকে সামনে রেখে যোগাযোগ, পরিবেশ, কৃষি, মানবসম্পদ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, টেকসই অর্থনীতি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থীতিশীলতা এবং রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে জাপানের নিরবচ্ছিন্ন সহায়তার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রত্যাবর্তন করেছেন। একই সঙ্গে এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের সংযোগ হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে। হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরে ঘোষিত ৬ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের খাত এবং অন‍্যান‍্য বিষয় খতিয়ে দেখতে দ্রুতই ইকোনমিক মিশন পাঠাবে জাপান। জাপানের সাথে 'বিগ-বি' নিয়ে আলোচনায় তৃতীয় কোনো দেশ নিয়ে কথা হয়নি। অন‍্য কোনো রাষ্ট্রকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলে তাদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ তা করবে জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাটি ও মানুষের স্বার্থকে অসম্মান করে কোনো দেশের সাথে কোনো চুক্তি করবে না বিএনপি সরকার। আরটিভি/ এসআর
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগ
নারীদের সার্বক্ষণিক নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) শিগগিরই বিভিন্ন রুটে নারীদের জন্য বিশেষায়িত ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) পিংক বাস চালু করতে যাচ্ছে। এসব বাস পরিচালনার জন্য দক্ষ নারী চালক তৈরির লক্ষ্যে বিআরটিসি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারী মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ প্রদান করবে বলে জানিয়েছেন বিআরটিসির মহাব্যবস্থাপক (আইসিডব্লিউএস ও প্রশিক্ষণ) প্রকৌশলী ফাতেমা বেগম। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত নারী চালকদের এক থেকে চার মাস মেয়াদি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ভারী যানবাহন চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ফাতেমা বেগম বলেন, ‘সরকার নারীদের জন্য নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায়। এ লক্ষ্যেই বিআরটিসি ইতোমধ্যে নারীদের জন্য নারী চালক পরিচালিত পিংক বাস সার্ভিস চালু করেছে। এ সেবার পরিধি আরও বাড়াতে আমরা নারীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ইভি পিংক বাস সার্ভিস চালু করতে যাচ্ছি।’ তিনি বলেন, পিংক বাস সার্ভিস চালুর পর ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ সেবা কোনো মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে না; বরং মহানগরীসহ সারাদেশে নারীদের জন্য নিরাপদ যাতায়াতের পরিবেশ নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।  তিনি আরও বলেন, বর্তমানে রক্ষণশীল পরিবারের সদস্যরাও তাদের পরিবারের নারীদের প্রশিক্ষণ গ্রহণে উৎসাহিত করছেন, যাতে তারা দক্ষ চালক হিসেবে দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে বিআরটিসি বিশেষ করে তরুণদের দক্ষ চালক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এর মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশে ও বিদেশে সম্মানজনক পদমর্যাদা ও বেতনে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন বলে তিনি জানান। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ) নামে দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় বিআরটিসি নতুনদের বিনামূল্যে হালকা মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। এ দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৬৮ হাজার মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব প্রকল্পের আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী হালকা মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং তাদের অনেকেই দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, পুরুষদের তুলনায় নারী চালকরা তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাপ্রধান সমাজে গণপরিবহনে নারী চালক ও সহকারী থাকলে নারী যাত্রীরা বেশি নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকার পিংক বাস সার্ভিস চালু করেছে এবং ভবিষ্যতে এর পরিধি আরও বাড়ানো হবে।’ নারী চালকদের জন্য নতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পর্কে বিআরটিসির গাজীপুর প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মুহাম্মদ মশিউজ্জামান মুহাম্মদ মাশিউজ্জামান বাসস’কে বলেন, হালকা মোটরযানের লাইসেন্সধারী নারী চালকদের ভারী মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বিআরটিসি নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।  প্রশিক্ষণ শেষে তারা ইভি পিংক বাস পরিচালনার সুযোগ পাবেন। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে রোড পারফরম্যান্স টেস্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের করপোরেশনের বিদ্যমান প্রশাসনিক ও আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজন সাপেক্ষে দৈনিক মজুরিভিত্তিক চালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। তবে চূড়ান্ত নিয়োগের আগে কোনো ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হবে না। ভবিষ্যতে বিআরটিসির স্থায়ী চালক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এসব প্রার্থী অগ্রাধিকার পাবেন। বিআরটিসি প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশের ২১ থেকে ৩২ বছর বয়সী এবং কমপক্ষে পাঁচ ফুট উচ্চতার নারী প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে। তবে অভিজ্ঞ চালকদের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত শিথিলযোগ্য। আবেদনকারীদের কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। এ শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তারা ভারী মোটরযান চালনার প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত কর্মদিবসে সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টার মধ্যে গাজীপুরের বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সরাসরি উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষায় (গাড়ি চালনা) অংশগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। আবেদনকারীদের জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল সনদ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের মূল কপি সঙ্গে আনতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আগামী ১৫ নভেম্বর বিকেলে বিআরটিসির ওয়েবসাইট ও ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হবে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের জন্য মহিলা হোস্টেলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।  প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রশিক্ষণ আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হবে।  সূত্র: বাসস আরটিভি/এসকে
পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরিতে বিআরটিসির নতুন উদ্যোগ
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
জাপান থেকে দেশে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। অভ্যন্তরীণভাবে গঠিত এ তদন্ত কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন
বাংলাদেশ থেকে বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে যা বলছে জাপান
বাংলাদেশ থেকে জাপান বছরে ১ লাখ কর্মী নেবে বলে একটি খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে । তবে, এই তথ্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিয়েছে জাপান সরকার।
বাংলাদেশ থেকে বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে যা বলছে জাপান
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব / অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছেড়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী
জাপানের নারিতা বিমানবন্দরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭। এ অবস্থায় চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন প্রধানমন্ত্রী।
অন্য বিমানে ফেরার সুযোগ থাকলেও সফরসঙ্গীদের ছেড়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
বাসে বদলে যাচ্ছে নিরাপত্তা, চালু হচ্ছে সংঘর্ষ প্রতিরোধ প্রযুক্তি
পরিবারভিত্তিক তথ্যভাণ্ডার গড়ছে সরকার
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি কাটিয়ে সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
পিএইচপির ত্রুটিতে বিশ্বজুড়ে সাইবার আতঙ্ক, এআইয়ের সাহায্যে হামলা ঠেকাবে জাপান