ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, জানা গেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফাইল ছবি

বহুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে এককভাবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে নির্বাচনের আগে থেকেই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসভবনের অনুসন্ধান শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানও নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বর্তমান সরকার। এ অবস্থায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে।

জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস যমুনা ছেড়ে গেলে সেটিকেই সংস্কার করে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করা হবে।

এটি সংস্কার করতে এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে এককভাবে সরকার গঠন করতে যেখানে অন্তত ১৫১টি আসন প্রয়োজন, সেখানে বিএনপি দুই শতাধিক আসনে জয়ী হয়ে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনের সমর্থন পেয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দলটি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে যাচ্ছে।

নির্বাচনে সর্বোচ্চ আসনপ্রাপ্ত বিএনপির সংসদ নেতা হবেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন- এটি অনেকটাই নিশ্চিত।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের বাসভবন নির্ধারণে কাজ শুরু করেছিল গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। এজন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিল, কমিটি নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের আবাসনের বিষয়ে সুপারিশও জমা দেয়। মূলত, গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু, কমিটির সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্ধারণের জন্য একটি কমিটি গঠন করে দেয়। তারা শেরেবাংলা নগরে দুটি স্থান প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে প্রস্তুত করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। একটি হচ্ছে- শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবন এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন, আরেকটি হচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকা। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চেয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনকে বেশি উপযোগী বলে মনে করে কমিটি। সেই অনুযায়ী পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছিল। পরে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকেও বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে তা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেয়।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সেক্রেটারিয়েট বিল্ডিংয়ের ৩৪তম তলায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই নেতা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।  এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে গঠনমূলক মতবিনিময় হয়। দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।  বৈঠকে উভয় পক্ষ অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নিয়মিত যোগাযোগ ও সংলাপ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে। আরটিভি/এসআর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার দীর্ঘদিনের প্রতিনিধিত্বের ঘাটতি দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এটি কেবল কোনো শর্তাধীন বিষয় নয়, বরং এটি সরাসরি ন্যায়বিচার এবং খোদ জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকাকে ন্যায্য স্থান দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের 
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সততা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, শুধু শিক্ষিত হয়ে চাকরি বা একটি ভালো পদে অধিষ্ঠিত হলেই হবে না; দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ‘নবীন বরণ-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আপনারা মেধাবীদের মধ্যে সেরা মেধাবী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মই হয়েছিল প্রতিভাবানদের জন্য। বিশ্বের যে প্রান্তেই যান, আপনারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।’ এ সময় স্পিকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমিও আপনাদের মতো ১৯৮৯-৯০ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের একজন ছাত্র ছিলাম। ছাত্রজীবনের স্মৃতি কখনও মুছে যায় না। আজ এই মিলনায়তনে এসে মনে হচ্ছে, যেন আবার সেই দিনগুলোতে ফিরে গেছি।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা তুলে ধরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও জাতীয় মুক্তির ইতিহাসের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। তিনি আরও বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্দোলনে এ বিশ্ববিদ্যালয় পথ প্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। দেশ যখনই কোনো সংকট, দুর্যোগ বা জাতীয় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, কঠিন সময়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতির জন্য আশা, প্রেরণা ও সম্ভাবনার প্রতীক। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাস, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘মেধা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু মেধার সঠিক বিকাশ ঘটে অধ্যবসায়, সততা, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে।’ তিনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মুক্তচিন্তা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চার আহ্বান জানান। দেশের প্রতি দায়িত্ববান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কায়সার কামাল বলেন, ‘শুধু বিসিএস দিয়ে একটি সুন্দর চেয়ারে বসলে হবে না, দেশের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে। নিজেকে স্বনামধন্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আর কখনও রাজপথে গিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে চাই না। আমরা মেধাভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করতে হবে, যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে।’ অনুষ্ঠানে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক, নবীন ও প্রবীণ শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে চার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব
জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে লিগ্যাল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান।  জাতিসংঘের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খলিলুর রহমানের কার্যালয়ে বিভিন্ন নির্বাহী পদে মোট ৪০ জন দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের মধ্যে জাইমা রহমানসহ ছয়জন বাংলাদেশি। বাকিরা হলেন— আব্দুল আলিম, মোয়াজ্জেম হোসেন, মাফিজুল ইসলাম, জাকির আহমেদ ও মো. রফিকুল আলম মোল্লা। জাইমা রহমান কার্যালয়ের লিগ্যাল অফিসার হিসেবে আইনি বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন। আব্দুল আলিম ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি দীর্ঘদিন কূটনৈতিক পেশায় রয়েছেন এবং এর আগে বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের মিশনে কাজ করেছেন। মোয়াজ্জেম হোসেন উপদেষ্টা ও প্রশাসনিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। মাফিজুল ইসলাম তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলগত পূর্বাভাসবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।  জাকির আহমেদ টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা এবং মো. রফিকুল আলম মোল্লা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দেশগুলোবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। উল্লেখ্য, জাইমা রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের একমাত্র মেয়ে। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নাতনি। জাইমা লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন। পরে যুক্তরাজ্যে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন। খলিলুর রহমান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ২ জুন ২০২৬ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের সভাপতি সরাসরি জাতিসংঘের কর্মী নন এবং সংস্থাটি থেকে নিয়মিত বেতন পান না। সভাপতির বেতন-ভাতা, আবাসন বা বাড়িভাড়াসহ বিভিন্ন খরচ সাধারণত সংশ্লিষ্ট দেশ বা সরকার বহন করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেট ও ট্রাস্ট ফান্ড থেকেও ব্যয় নির্বাহ করা হয়। খলিলুর রহমানের ৮১তম অধিবেশনের কার্যালয়ের কার্যক্রমে সহায়তার জন্য সদস্যদেশগুলোর স্বেচ্ছা অনুদানে একটি ট্রাস্ট ফান্ডও রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওই তহবিলে ১০টি দেশ মোট ১২ লাখ ৮৮ হাজার ২৩৭ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘ সভাপতির দপ্তরে দায়িত্ব পেলেন জাইমা রহমান
আরও পড়ুন
ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী 
বিএনপির মনোনয়ন পাননি বেবি নাজনিন
বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের ফরম নিলেন ফারাজানা সিঁথি
চ্যাটজিপিটির কারিগর স্যাম অল্টম্যানের বাসভবনে হামলা