ঢাকা মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদা নিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে জামায়াতের প্রতিক্রিয়া

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
ফাইল ছবি

সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে নবনির্বাচিত সরকারের সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে জায়গা করে নেওয়া দলটির দাবি, সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দিয়েছেন নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রী।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতির মাধ্যমে এ প্রতিক্রিয়া জানান দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সমঝোতার নামে চাঁদাবাজিকে কার্যত বৈধতা দিয়েছেন। আমি তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ও অনৈতিক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।’

জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটি ফৌজদারি অপরাধ। এটি সমাজ, অর্থনীতি ও আইনের শাসনের জন্য মারাত্মক হুমকি। একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর বক্তব্যে যদি এমন কোনো বার্তা যায় যে অবৈধ অর্থ আদায় বা অনৈতিক সমঝোতা গ্রহণযোগ্য, তবে তা রাষ্ট্রের জন্য কলঙ্ক। রাষ্ট্রের এমন বৈধতা দান অপরাধীকে চাঁদাবাজির মতো আরও অনেক অপরাধ করতে উৎসাহিত করবে। এতে রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। জনগণ ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থেকে বঞ্চিত হবে।’

অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘সরকারের দায়িত্ব হলো চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। কোনো অবস্থাতেই অপরাধকে সমঝোতার নামে আড়াল করার কোনো সুযোগ নেই। মাননীয় মন্ত্রীর এই বক্তব্য রাষ্ট্রের নৈতিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’

আরও পড়ুন



জামায়াতের এ নেতা আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান আপসহীন। আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, দুর্নীতির ছিটেফোঁটাও দেশবাসী বরদাশত করবে না। আমরা সরকারের নিকট দাবি জানাই সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার করে দেশবাসীর নিকট স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য পরিহার করতে হবে। একই সাথে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

বিবৃতিতে জামায়াতের পক্ষ থেকে তিনি আরও বলেন, ‘চাঁদাবাজি বন্ধ করে জনগণের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব এই দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে বাধ্য করা হবে।’

একইসঙ্গে দেশবাসীকে ন্যায় ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার দাবিতে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে নবনিযুক্ত সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। কতটুকু ব্যবহার হয় সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু, তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করেন।

রবিউল আলম আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে (টাকা তোলে)। সেখানে আবার প্রাধান্য পায় যখন যার প্রভাব থাকে। যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের একটা আধিপত্য থাকে। কিন্তু, এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ, তারা সমঝোতা ভিত্তিতে এটা করছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
ঢাকায় মনোরেল ব্যবস্থা চালুর পথে প্রথম বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। মূলত মেট্রোরেলের যাত্রীদের যাতায়াতের শেষ ধাপের সংযোগ উন্নত করতে ফিডার সার্ভিস হিসেবে এটি চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসালটেশনকে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ)। এই সমীক্ষায় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ডিটিসিএ ও বুয়েটের মধ্যে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির পর ঢাকা মহানগর অঞ্চলে প্রস্তাবিত পাঁচটি করিডরের পাশাপাশি সম্ভাব্য অন্যান্য রুটও সমীক্ষায় যাচাই করা হবে। এর মধ্যে দুটি করিডরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনা (আরএসটিপি) অনুযায়ী, প্রায় ৭৯ দশমিক ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচটি মনোরেল করিডর প্রস্তাব করা হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে উপযুক্ত একটি করিডর বাছাই করার কথা রয়েছে। আর পুরো সমীক্ষা শেষ করতে ছয় মাস সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত করিডরগুলো হলো—পূর্বাচল ও জলসিঁড়ি হয়ে বিমানবন্দর-বসুন্ধরা (২৫ দশমিক ২ কিলোমিটার), মধ্য বাড্ডা-ভুলতা (১৪ দশমিক ৬ কিলোমিটার), রামপুরা-ডেমরা (১০ দশমিক ৩ কিলোমিটার), মোহাম্মদপুর-পোস্তগোলা (১১ দশমিক ৭ কিলোমিটার) ও উত্তরা সেন্টার হয়ে বিমানবন্দর-সাভার (১৭ দশমিক ৬ কিলোমিটার)। সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত এই সমীক্ষায় রুটের বিন্যাস, সম্ভাব্য স্টেশন ও ডিপোর অবস্থান, যাত্রী চাহিদা, কারিগরি ও কাঠামোগত উপযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা এবং পরিবেশগত ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করা হবে। বিদ্যমান ও পরিকল্পনাধীন মেট্রোরেল এবং অন্যান্য গণপরিবহন নেটওয়ার্কের সঙ্গে মনোরেলের সমন্বয়ের বিষয়টিও এতে খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে মেট্রোরেলের যাত্রীদের যাতায়াতের শেষ ধাপের সংযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। মনোরেল সাধারণত উড়ালপথে চলাচল করে। ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ যেসব এলাকায় সড়কের জায়গা সীমিত এবং ভারী অবকাঠামোর কারণে মেট্রোরেল নির্মাণে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেখানে মনোরেল গণপরিবহনের সংযোগ হিসেবে কাজ করতে পারবে কি না, তা যাচাই করার পরিকল্পনা করছে ডিটিসিএ। নির্মাণ ব্যয়, যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা, পরিচালন ব্যয় এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্ভাব্যতা নির্ভর করবে সমীক্ষার ফলাফলের ওপর। ডিটিসিএর অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে অন্তত একটি মনোরেল রুট চালু করা।’ তিনি জানান, প্রাথমিক বিবেচনায় পাঁচটি রুট রাখা হয়েছিল। বুয়েটের পরামর্শে এখন ১৪টি রুট যাচাই করা হচ্ছে। সম্ভাব্য সুবিধা ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে সেখান থেকে বাস্তবায়নযোগ্য একটি রুট বেছে নেওয়া হবে। ঢাকায় মনোরেল সেবা চালুর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। আরটিভি/ এসকেডি
সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার ও সমতা নিশ্চিত করতে হবে: আইরিন খান
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন খান বলেছেন, নতুন প্রযুক্তিকে ঘৃণা ও সহিংসতায় উসকানি ছড়াতে ব্যবহারের পরিবর্তে টেকসই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশে মানবাধিকার ও সমতা নিশ্চিত করতে হবে: আইরিন খান
এবারের দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি
চলতি বছর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টানা পাঁচদিনের ছুটি পেতে যাচ্ছেন।
এবারের দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি
সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই পরিচয়ে বাংলাদেশি এবং এ দেশের সমান নাগরিক।’
সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি: ডিএনসিসি প্রশাসক
বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে: তথ্য উপদেষ্টা
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির ‘বয়ান’ তৈরির চেষ্টা চলছে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। চাঁদাবাজির সঙ্গে বিএনপির নাম জড়ানোর প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা আসলে রয়েছে। এটা রাজনীতি। আমি এটা বলছি না এই সরকারের সময়ে, এই সরকারের সঙ্গে কানেক্টেড বা এই সরকারের দলের নাম নিয়ে কেউ এটা করছে না। তিনি বলেন, আমরা ন্যারেটিভের কথা বলছি, এই চেষ্টা ইন্টেরিমের সময় থেকেই আসলে রয়েছে। এই চেষ্টা চলছে এবং এটা রাজনীতি। এই রাজনীতি করার চেষ্টা তারা করতেই পারেন। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের প্রসঙ্গ তুলে জাহেদ উর রহমান বলেন, হামলার শিকার হওয়ায় সালমানের প্রতি সরকারের সহানুভূতি রয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই চাঁদাবাজি ও বিএনপির সংশ্লিষ্টতার যে অভিযোগ সামনে এসেছিল, পরবর্তী সময়ে সেই বক্তব্যের কিছু অংশ পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বলেন, সালমান মুক্তাদির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার প্রতিষ্ঠানে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তবে জনপ্রিয় ও ব্যাপক অনুসারী থাকা কোনো ব্যক্তি অভিযোগ করলে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব অনেক বেশি হয়। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তী সময়ে সালমান সরাসরি তার কাছে চাঁদা চাওয়ার বিষয়ে দেওয়া বক্তব্য সংশোধন করেছেন। ফলে প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে যেসব রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া ও প্রচার হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমিরসহ বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।  জাহেদ উর রহমান বলেন, সালমানের প্রাথমিক বক্তব্যের ভিত্তিতে জামায়াতের আমির সরকার ও সরকারি দলকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। পরে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেই পোস্ট প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে কেউ প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেন। কিন্তু পরে সেই তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ বলে প্রতীয়মান হলে নিজের অবস্থান সংশোধন করাও দায়িত্বশীল আচরণের অংশ। এনসিপির কয়েকজন নেতার বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তথ্য উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, ঘটনার পর বিএনপি, দলটির নেতৃত্ব এবং সরকারকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন তথ্য সামনে এলেও সেসব বক্তব্যের অনেকগুলো সংশোধন করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার ক্ষমতায় থাকলে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে যৌক্তিক সমালোচনার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। এ জন্য অপতথ্যের প্রয়োজন নেই। তবে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাকে সরকার হালকাভাবে দেখছে না বলে জানান তিনি। তার বক্তব্য, কোনো নাগরিকের প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর বা তার ওপর হামলা হলে তা ঠেকানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এমন ঘটনা ঘটলে সরকার বিব্রত ও দুঃখিত হবে। হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদেরও তদন্তের আওতায় আনার কথা জানান তথ্য উপদেষ্টা।  তিনি বলেন, তদন্তে ক্ষমতাসীন দলের কোনো ব্যক্তি, পুলিশ সদস্য বা অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। দলীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, সরাসরি ভাঙচুরে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করাই তদন্তের শেষ নয়। তদন্তে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
বিএনপির সঙ্গে চাঁদাবাজির এক ধরনের ট্যাগিংয়ের চেষ্টা চলছে: তথ্য উপদেষ্টা
আরও পড়ুন
নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার
সাপকে বিশ্বাস করা যায়, কিন্তু জামায়াতকে নয়: ফজলুর রহমান
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় জামায়াত আমিরের ক্ষোভ
মিরপুরে রাড্ডা টিকা কেন্দ্রে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল