ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সব স্তরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

রোববার (৮ মার্চ) ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে নারী-পুরুষ সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে। সম্মান ও মর্যাদা এবং নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করবে।

৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের সকল নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, বিশ্বে জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিশেষ করে, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে ঘরে বাইরে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সম্ভব নয়। বাংলাদেশে জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি নারী। নারীদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে ‘নারী বিষয়ক দফতর’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় ‘মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ যা পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে ১৯৯৪ সালে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তরিত হয়েছিল।

আরও পড়ুন

তারেক রহমান বলেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত। একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা।

সরকার নারীর নিরাপত্তা বিধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যমান সমাজে সমতা হোক অঙ্গীকার, মর্যাদা হোক বাস্তবতা, আর ক্ষমতায়ন হোক উন্নয়নের ভিত্তি।

প্রধানমন্ত্রী ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন। সূত্র: বাসস

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়োজনে টিকেট দিব, তবু দেশে আসেন: শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ছাত্র-জনতার গণ অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। প্রয়োজনে তাকে দেশে আসার টিকেট দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।  শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল সমাবেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।  তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষ হত্যা করে পালিয়েছেন, এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুংকার দিচ্ছেন। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের সেই হুংকার বুঝে গেছে। কাজেই আপনাদেরকে এখন দেশে আসতেই হবে। গোপনে নয়, এখনই চলে আসেন, প্রয়োজনে আমরা টিকেট দিয়ে দেব। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে যারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার হরণ, দুর্নীতি, লুটপাট এবং গুম-খুন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ নারী-শিশুর রক্তে ঝড়িয়েছে তাদের বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে। পলাতকদের হ্যান্ডকাফ পরিয়ে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রাকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তাদের যেকোনো ষড়যন্ত্র ও বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে হবে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার আহ্বান জানান তিনি। নান্দাইলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের চিত্র তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী জানান, এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ইতিমধ্যে ১৮৬টি রাস্তা ইটের সোলিং করা হয়েছে এবং আরও ১০৪টি রাস্তা ইটের সোলিংয়ের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সাড়ে এগারো কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন রাস্তা সংস্কারের অনুদান আনা হয়েছে, যা ময়মনসিংহের অন্য কোনো উপজেলায় আসেনি।  গৃহহীনদের পুনর্বাসনে ৩৬টি ঘর প্রদান করা হয়েছে এবং চলতি বছরে আরও ১০৪টি ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জাহাঙ্গীরপুর ও চরবেতাগৈর সেতু নির্মাণসহ ২৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামীতে জনগণের মতামতের ও জরিপের ভিত্তিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হবে। আপনারা উন্নয়নের পক্ষে এবং গণতন্ত্রের পক্ষে যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ী করবেন। সমাবেশে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আসা নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কর্মী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। উন্নয়নের মাঠে, রাজপথে এবং সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব। নান্দাইলের স্থানীয় চন্ডিপাশা স্কুল মাঠে আয়োজিত এই সমাবেশ বিশাল জনসমদ্রে রূপ নেয়। সমাবেশে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী ‍ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। আরটিভি/এসআর  
প্রয়োজনে টিকেট দিব, তবু দেশে আসেন: শেখ হাসিনাকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় মিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।  আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক দর্শন, পররাষ্ট্রনীতি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রাম, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ নিয়ে আলোকপাত করেন হাইকমিশনের মিনিস্টার (প্রেস) সাইদুর রহমান।   নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার প্রীতি রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী পড়ে শোনান কমার্স কাউন্সিলর ইফতেখারউদ্দিন শামীম, সহকারী ডিফেন্স এডভাইজার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রুমন পারভেজ।  মিশনের এইচওসি মাহমুদুল হকের পরিচালনায় মিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।  ‎ আরটিভি/এসআর  
দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা ও দেশীয় সংস্কৃতি চর্চায় সম্পৃক্ত করতে হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
শনিবার (৯ নভেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ইশরাক হোসেনের
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নত ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।  তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান তাদের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেয়। শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগরে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ইশরাক হোসেন বলেন, ৭ নভেম্বরের মতো একটি বিপ্লবের অপেক্ষায় তারা দীর্ঘদিন ছিলেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত ফল দেখা গেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। আন্দোলনের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর ভূমিকা তাদের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের দুই-তিন বছর আগে থেকেই তাদের প্রজন্ম বিভিন্ন বক্তব্যে আরেকটি সিপাহি-জনতার বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছিল। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশপন্থি সব শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে আবার গণতন্ত্রের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য সফল আন্দোলন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সব জনগণ এই স্লোগানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করতে পারে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা ৫০ বছর পরও তাদের প্রজন্মের কাছে প্রাসঙ্গিক। তিনি যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, বর্তমান প্রজন্ম এমনকি পরবর্তী প্রজন্মও সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। জিয়াউর রহমান তার সময়ে এই দূরদর্শী ভাবনা তুলে ধরতে পেরেছিলেন, যা তাদের জন্য অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে থাকবে। ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে ধারণ করে আগামী দিনে তারা এগিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে উন্নত ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সদস্য হিসেবে তারা গর্ববোধ করেন। নিজেদের বৃহত্তম প্রো-বাংলাদেশি রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ সময় ইশরাক জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। আরটিভি/এসআর  
বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ইশরাক হোসেনের
আরও পড়ুন
দেশের ভেতর-বাইরের সব ষড়যন্ত্রকারীকে একে একে জবাব দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী
৭ কিলোমিটার হেঁটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে প্রধানমন্ত্রী
দিল্লি না, পিন্ডি না, সবার আগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
নয়াপল্টনের সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী