ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র কঠোর নির্দেশনা, হতে পারে জেল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া কিংবা লাইসেন্সে উল্লেখিত শ্রেণি বা ক্যাটাগরির বাইরে ভিন্ন ধরনের মোটরযান চালনার বিরুদ্ধে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। এ ধরনের আইন লঙ্ঘন করলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের মুখে পড়তে হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিআরটিএ সদর কার্যালয় থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ধারা ৪(১) অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স ছাড়া, কিংবা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ব্যবহার করে পাবলিক প্লেসে মোটরযান চালাতে বা চালানোর অনুমতি দিতে পারবেন না।

একই আইনের ধারা ৪(২) অনুযায়ী, যে শ্রেণি বা ক্যাটাগরির মোটরযানের জন্য লাইসেন্স নেয়া হয়েছে, তার বাইরে অন্য কোনো শ্রেণির যান চালানোও নিষিদ্ধ। এছাড়া ধারা ৫(১) অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তি গণপরিবহন চালাতে বা চালানোর অনুমতি দিতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসব বিধান লঙ্ঘন করলে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর ধারা ৬৬ অনুযায়ী অনধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড, বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

এছাড়া আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া বা ভুল ক্যাটাগরির যান চালালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে। এমনকি শারীরিক বা মানসিকভাবে অক্ষম ব্যক্তির ক্ষেত্রেও লাইসেন্স বাতিলের বিধান রয়েছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক চালক লাইসেন্স ছাড়া কিংবা লাইসেন্সের নির্ধারিত শ্রেণির বাইরে যান চালাচ্ছেন। পাশাপাশি বেপরোয়া গতি, বিশৃঙ্খল চালনা এবং অপ্রকৃতিস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানোর কারণে সড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এতে প্রাণহানি ও স্থায়ী পঙ্গুত্বের মতো ঘটনা ঘটছে।

এ অবস্থায় সকল চালককে বৈধ লাইসেন্স ছাড়া এবং নির্ধারিত ক্যাটাগরির বাইরে কোনো যান না চালানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবহন মালিকদেরও চালকদের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। গুঞ্জন রয়েছে, নকভির মেয়াদ না বাড়লে আগামী বছরের এপ্রিলেই এসিসি প্রধানের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার। কিন্তু সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব। এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এবার সেই পালা বাংলাদেশের। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েও দিয়েছেন। এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়মানুযায়ী মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ ধরা হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা শেষ হবে ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। অবশ্য এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও আছে।  গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। তবে সে ক্ষেত্রে সব সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট নিজেদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আরটিভি/এসআর
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
৪ জেলায় নতুন ডিসি
দেশের ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৪ জেলায় নতুন ডিসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
আগামী জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং তা ৬ জুন পর্যন্ত চলবে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান জনগণের সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে আমাদের প্রতি- আগামী যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করার প্রয়োজন, আমরা করব।  তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে বা নির্বাচনের কোনো কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে বিএনপি সরকার থাকবে না। এটা আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে এবং যারা প্রার্থী, তাদের আমরা এই নিশ্চয়তা দিতে চাই। আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
জনকল্যাণে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো ও জৈব প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এর গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আরও পড়ুন
ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলায় বাসভাড়া কত, তালিকা প্রকাশ
মন্ত্রণালয়ে বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব
মোটরসাইকেলসহ গাড়ির মালিক-চালকদের বড় সুখবর দিল বিআরটিএ
এবার ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা