ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

করোনা ভ্যাকসিন কেনায় খরচ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
ছবি: সংগৃহীত

করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের সুরক্ষায় ভ্যাকসিন কেনা বাবদ ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের দশম দিনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক ভ্যাকসিনসহ করোনা সরঞ্জাম আমদানি ও কেনাকাটার জন্য ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ২৯৭ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এই বরাদ্দ থেকে এখন পর্যন্ত ভ্যাকসিন কেনায় ব্যয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন

ভ্যাকসিন কার্যক্রমের অন্যান্য খাতের ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য সিরিঞ্জ ক্রয় বাবদ ৩০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার পরিবহন খরচ বাবদ ১৯ কোটি ৫৭ লাখ ৩ হাজার টাকা ৩৫৪ এবং সিরিঞ্জ শিপিং ও চার্জ হিসেবে ৯৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯৮০ টাকা ব্যয় হয়েছে।

ভ্যাকসিন আমদানিতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কিনা—সংসদ সদস্যের এমন প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য বা অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে সরকার সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ সংক্রান্ত কোনো অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী আরও জানান, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সক্ষম হয়েছে।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে হেনস্তার প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া দলটি এখনো কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। উল্টো বিদেশের মাটিতে ড. ইউনূস ও সরকারের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তি ও অভিনেত্রীকে হেনস্তা এবং দেশে সহিংসতা উসকে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। বিমানবন্দরে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা জানান, নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে তার নিরাপত্তা বিধানে স্থানীয় বাংলাদেশ দূতাবাসের কোনো ধরনের ঘাটতি ছিল কিনা— তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।  তিনি বলেন, অভিনেত্রী বাঁধনকে যারা হেনস্তা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল প্রসেস শুরু হয়েছে। ড. ইউনূসের ক্ষেত্রেও এটা হবে।  প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, বিদেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বলতে চাই, তারা যদি পুনরায় এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে এটা আন-চ্যালেঞ্জ যাবে না। প্রশ্নই আসে না। ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কেউ কেউ ক্ষমা চাইলে রিকনসিলেশন হতে পারে কি-না, তা একেবারেই কাল্পনিক একটি প্রশ্ন। কারণ গণহত্যার মতো ভয়াবহ অপরাধের পরও গত দুই বছরে তাদের নানা অপকর্ম, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অডিও বার্তা দিয়ে দেশজুড়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টার আমলনামা সরকারের কাছে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের সাথে আলোচনা বা সমঝোতার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।’ ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, সরকার প্রতিশ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এর মধ্যে তিনি নিজে থেকেই দেশে চলে আসলে সরকারের কোনো আপত্তি নেই, বরং দেশে ফিরে তিনি যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন, তার জন্য আদালত কর্তৃক ঘোষিত দণ্ড ও ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন। ব্রিফিংয়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পাশাপাশি অপসাংবাদিকতা রোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইন সংস্কার ও আধুনিকায়নের চলমান অগ্রগতির চিত্রও তুলে ধরেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ড. মো. আলম মোস্তফা ও তথ্য অধিদফতরের সিনিয়র উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোছা. মোবাস্বেরা কাদেরী উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: ডা. জাহেদ
এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
সাধারণ শিক্ষায় বারবার অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। একই সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এসএসসিতে অকৃতকার্যদের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার বা প্রশাসন বিন্দুমাত্র হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অবাধ-সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর ভোট করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। আগামী জুনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও জানান মীর শাহে আলম। প্রসঙ্গত, আগামী বছরে পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইসি। রোজার আগে প্রথম ধাপে ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং রোজার পরে তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে হবে ভোট।  আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে না: মীর শাহে আলম
আমরা প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: নুরুল হক
প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তাদের জন্য বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা ১১টি খাত নির্ধারণ করেছি। আপাতত এসব খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রবাসীদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।  এ লক্ষ্যে আমরা প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশসহ বিভিন্ন জায়গায় এই কার্ডের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চলছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বেসরকারি সংস্থা রামরুর ত্রিশ বছর উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত সম্মেলনে প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। জোরপূর্বক ও স্বেচ্ছামূলক অভিবাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতি নিয়ে কাজের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী সম্মেলন ও সাংস্কৃতিক আয়োজন ‘সোনার মানুষ সম্মিলন ২০২৬’ করেছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু)। অনুষ্ঠানে নুরুল হক বলেন, প্রবাসীরা আমাদের সোনার মানুষ। তাদের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং তাদের মর্যাদা রক্ষায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। বিশেষ করে, প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি যখন ২০০৮ সালের ছাত্র আন্দোলন থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তখন বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সঙ্গে সরাসরি গুগল মিট ও জুমের মাধ্যমে কথা বলেছি। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে দেখেছি, প্রবাসীদের প্রধানত তিনটি সাধারণ সমস্যা রয়েছে। প্রবাসীদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমত, দেশে পাসপোর্ট তৈরি করতেও অনেক সময় দালালের সহায়তা নিতে হয়। পাসপোর্ট সেবায় দালালচক্র ও দুর্নীতি বন্ধ করা অত্যন্ত জরুরি। দ্বিতীয়ত, অনেক প্রবাসী বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে গিয়ে প্রতিশ্রুত কাজ পান না। ঋণ করে বিদেশে যাওয়ার পর প্রত্যাশিত কাজ না পেয়ে তাদের অনেক কষ্টে টিকে থাকতে হয়। তৃতীয়ত, বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে সেবা পেতে তাদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এর পাশাপাশি বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনাসহ আরও বিভিন্ন সমস্যার কথাও তারা জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি তাদের জন্য বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা ১১টি খাত নির্ধারণ করেছি। আপাতত এসব খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রবাসীদের সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আমরা প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে।  ‘জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশসহ বিভিন্ন জায়গায় এই কার্ডের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চলছে। প্রবাসী কার্ডটি আর্থিক লেনদেনের পাশাপাশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে তাদের মৌলিক তথ্য সংরক্ষণ থেকে শুরু করে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাস এবং দেশে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা পাওয়ার বিষয়টি সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।’ অনেক প্রবাসী দেশে ফিরে জমিজমা-সংক্রান্ত সমস্যায় পড়েন। এসব সমস্যার সমাধানে দ্রুত সেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, বিশেষ করে সাত দিনের মধ্যে, প্রয়োজনীয় সেবা বা প্রতিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের উৎসাহিত করার জন্য প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে তিন শতাংশ প্রণোদনার ব্যবস্থা রয়েছে। ইন্টেরিম সরকারের কথা উল্লেখ করে নুরুল হক বলেন, আগের সরকারের আমলে ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংককে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ব্যাংকটিকে সাধারণ ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রবাসী কার্ডের সঙ্গে এই ব্যাংকের সংযোগ থাকবে বলেও পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে প্রবাসীদের তিন লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এই ঋণসুবিধার পরিধি বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রবাসীরা দেশে ফিরে ব্যবসা করতে চাইলে, কোনো উদ্যোগ নিতে চাইলে কিংবা বাড়ি নির্মাণের জন্য ঋণ নিতে চাইলে তাদের সহযোগিতা করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঋণপ্রাপ্তি আরও সহজ ও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই, প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠান। একই সঙ্গে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনিয়ম ও অবৈধ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে সরকার কাজ করছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তরুনদের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশের উন্নয়নে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। প্রধানমন্ত্রীও বিভিন্ন সময়ে উন্নয়নে এসব প্রতিষ্ঠানের অবদানের কথা বলেছেন। অভিবাসন খাতেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা রয়েছে। আমি আশা করি, গত তিন দশকে এই খাতে তাদের অভিজ্ঞতা ও অর্জন আগামী দিনেও বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং অভিবাসন ব্যবস্থার উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তরুণেরা যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন, সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের উন্নয়ন এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত তিন দশকে আরএমএমআরইউ ১০০টির বেশি গবেষণা পরিচালনা, ১৩টি জাতীয় নীতি ও কৌশল প্রণয়নে অবদান এবং বাংলাদেশের ২১ জেলায় অভিবাসীদের অধিকারভিত্তিক সেবা প্রদান করেছে। এসব কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা, অভিবাসনসংক্রান্ত নতুন জ্ঞান বিনিময় এবং আগামী দিনের নীতিগত অগ্রাধিকার নির্ধারণ সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য।  সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অনুষ্ঠান সঞ্চালক রামরুর উপনির্বাহী পরিচালক মোতাসিম বিল্লাহ এবং পরিচালক (প্রোগ্রাম) মারিনা সুলতানা। এরপর রামরুর অভিবাসন শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া এতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, সাংস্কৃতিক কর্মী, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম বিষয়ক উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি, গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
আমরা প্রবাসী কার্ড চালুর উদ্যোগ নিয়েছি: নুরুল হক
রূপপুরে প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হচ্ছে রোসাটমের ওআইএসএস প্রযুক্তি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটে স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রূপপুরে প্রথমবারের মতো বাস্তবায়িত হচ্ছে রোসাটমের ওআইএসএস প্রযুক্তি
আরও পড়ুন
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাপকভাবে হামের টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের সঙ্গে খেলা করছে আদানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
‘বিগত নির্বাচনে ডিসি- ইউএনও-ওসিকে ঘুষ দেওয়া হতো, এবার দেওয়া হয়নি’
বিদেশি এজেন্ট দিয়ে দেশ অস্থির করার অপচেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী