ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের সঙ্গে খেলা করছে আদানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩১ পিএম
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।  ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আদানি গ্রুপ বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের সঙ্গে ‘খেলা করছে’ এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে সংকট তৈরির চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১২টায় মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। আইন-শৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সভাটির আয়োজন হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতের আদানি বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের সঙ্গে খেলা করছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে সংকট তৈরির চেষ্টা করছে। একদিন ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিলেও পরদিন তা কমিয়ে ৫০ মেগাওয়াট দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো গ্যাস কূপ খনন করে যায় নাই অতীতের সরকার। আমাদের যা রিজার্ভ ছিল, তা এখনো চলে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা নতুনভাবে কিছু গ্যাস কূপ খনন করতে শুরু করেছি, খুব ত্বরিত গতিতে। গ্যাস নাই, তারা (বিগত সরকার) গ্যাস দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে লুটপাট করেছে, সেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ডিজেলচালিত, কয়লাচালিত ৯টা বিদুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। অতি উচ্চমূল্যে বিশাল আকারে একটা এলপিজির স্টক কেনা হয়েছে, বিদুৎকেন্দ্রগুলো সচল করার জন্য। আশা করি, এক সপ্তাহের মধ্যে ৯-১০টা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করে ফেলব।

আরও পড়ুন

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, আগে কন্ট্রাকটাররা টুটু করে ঘুরতো, মন্ত্রীর রুমে, পিওনদেরকে টাকা দিয়ে রুমে যেতো একটা সাইন করে নার্সের ট্রান্সফার, ডাক্তারের ট্রান্সফার, ৩ লাখ, ৫ লাখ ডাইরেক্টর হলে, দুই কোটি এরকম ঘুষ খেয়েছে। টোটাল সিনারি ওয়াজ ফুল অফ করাপশন, এগুলো থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে; আমরা বেরিয়ে আসছি, ইনশাল্লাহ। কাজেই এই কাজটা কিন্তু একার না, সবার।

মাদক ও জুয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের সমাজ থেকে যেটা এখন বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে নেশা, আমাদের জিরো টলারেন্স ঘোষণা করা হয়েছে। মাদক, ইয়াবা, টিয়াবা কী কী আছে? সবাই মিলে নির্মূল করতে হবে। জুয়া, অনলাইন জুয়া বন্ধ করতে হবে। একদিকে তাদের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। অন্যদিকে যারা যে পর্যায়ে আছে, পিতা-মাতাকে কাউন্সেলিং করতে হবে। অফিসার যারা আছেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে মায়েদের বোঝাবেন তাদের সন্তানরা সন্ধ্যা বাতির পর যেন বাইরে না থাকে। আগের মতো কাজ করলে চলবে না।

মাদকসেবীদের বিষয়ে পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, কোনো মাদক সেবনকারী যদি কারো ঘরে বসে খায়, সেই ঘরের মালিক, যদি কারো বাড়ির পাশে টঙে বসে খায় তাকে সবদিক থেকে সবাইকে গ্রেপ্তার করতে হবে। গ্রেপ্তার করবেন, তারা জামিন নেবে, আবারও গ্রেপ্তার করবেন। আমাদের দেশে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণকারী যারা করে এই সমস্ত কিছু হয় নেশার জন্য। এদেরকে সবদিক থেকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

ধর্ষণ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ধর্ষণের ব্যাপারে আপনাদের সজাগ, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে। আমাদের মেয়ে, আমাদের মা, তাদের প্রতি এই সম্মান রেখে এ ধরনের কাজ হলে একজন না জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে এবং আপনারা পেরেছেন। রামিসা হত্যায় আমাদের সরকার সাত দিনের ভিতরে তার চূড়ান্ত বিচার করতে সক্ষম হয়েছে। এটা আমাদের গ্রেট সাকসেস। অতএব আমাদের পুলিশ পারে এবং এটাও পারবে।

এরপর দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতি গত ১৭ বছরে কঠিনভাবে বাসা বেধেছে। বিগত সময়ে নির্বাচন আসলে ইউএনও সাহেব পেতেন ১ কোটি, থানার পরিধি বেধে ওসি সাহেব পেতেন মিনিমাম ৫০ লাখ, ১ কোটি পেইতেন ডিসি সাহেব। মহা অরণ্য ছিল ঘুষের, দুর্নীতির। তবে এবার একটা ইলেকশন হয়েছে, ১০ টাকা কেউ পেয়েছেন? আমি কিন্তু কাউকে দেইনি, আর কেউ চায়ও‌ নাই। কাজ করেছে আগের থেকে বেশি। কী কাজ— ন্যায় কাজ। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছে।

এছাড়া, স্বাস্থ্য খাতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আমার, সে মন্ত্রণালয় ১৭ বছর জনগণের স্বাস্থ্য সেবার জন্য ফ্যাসিস্টরা কোনো কাজ করে নাই। ঔষধ মানুষকে দেয় নাই, নতুন কোনো নিয়োগ দেয়নি। দেশে ১৮ কোটি মানুষ, প্রতি ১১ হাজার মানুষের জন্য একজন ডাক্তার। ডাক্তার নাই, নার্স নাই, দুর্নীতিতে ভরপুর। ফরিদপুর এবং বরিশালে দুটি এমআরআই মেশিন পড়ে আছে। মানুষের ট্রিটমেন্ট দেওয়ার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি মেশিন তবে পড়ে আছে। ১৮ কোটি টাকা করে কিনেছে এই মেশিন। সাত কোটি টাকা করে চুরি করা হয়েছে মেশিনগুলো থেকে, মেশিনগুলো যেভাবে কিনেছে ঠিক সেভাবেই প্যাকেটিং করা রয়েছে। এরকম অনেক মেশিনের জন্য জনবল নেই, টেকনিশিয়ান নেই, কিনে ফেলে রেখেছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকার শুধু ইকুইপমেন্ট কিনেছে, চুরি করেছে কয়েক লক্ষ টাকার যন্ত্রপাতি। এখন সেগুলো অকেজো হয়ে গিয়েছে, এখন ভাঙ্গারিদের কাছে বিক্রি করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। একটা হাসপাতালেও সিট বৃদ্ধি করেনি, কোনো হাসপাতালে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেনি। এরকম একটা স্বাস্থ্যসেবার ভিতরে আমি পড়েছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে আপনাদের সহযোগিতায় ছয় মাসে জেলা উপজেলা পর্যায়ে ডাক্তারদের অ্যাটেনডেন্স বৃদ্ধি করতে সার্থক হয়েছি শতভাগ। এখন যত জায়গায় যাই, ডাক্তার পাই, নার্স পাই। রোগীদের সাথে আলাপ করলে তারা বলছে, আপনারা দায়িত্ব নেবার পর এখন সেবার মান বৃদ্ধি হয়েছে।

এসময় তিনি আরও বলেন, দেশটাকে টিকাতে হলে আমাদের দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে, নেশাকে বন্ধ করতে হবে, জুয়াকে না বলতে হবে আমাদের বাচ্চাদের বাঁচাতে হলে। দেশটাকে বাঁচাতে হলে চিকিৎসার মান উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের তদারকি করতে হবে। তদারকি ঘরে বসে হয় না আপনার জনগণের কাছে যেতে হবে। সিভিল সার্জন চেয়ারে বসে থাকার জন্য না, ওসি সাহেব চেয়ারে বসে থাকার জন্য না, ডিসি মহোদয় শুধু বসে থাকার জন্য না। কয়টা সাইন ফাইল করেন এটার জন্য বসে থাকা যাবে না। আমাদের পাগলের মত সমাজে নামতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, মানিকগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ইঞ্জিনিয়ার মইনুল ইসলাম খান শান্ত এবং মানিকগঞ্জ জেলায় কর্মরত প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বড় সহায়তা চায় বাংলাদেশ
ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে বড় সহায়তা চায় বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সাইডলাইন বৈঠক
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেড়েছে জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংও। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ সময়ে বন্দরে এসেছে ৮১৫টি জাহাজ। কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতা বাড়াতে নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখা এখনও অন্যতম চ্যালেঞ্জ। চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। আরটিভি/এসআর  
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইউএনজিএ’র ৮১তম অধিবেশনে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে যোগ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক জানান, তারেক রহমান মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ এ অধিবেশনে যোগ দেন।  সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনের আসনগুলো বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজানো থাকায় বি আদ্যাক্ষরের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল প্রথম সারিতে আসন পায়। অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। মিলনায়তনে প্রবেশের পর প্রধানমন্ত্রী ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি ড. খলিলুর রহমানকে অভিবাদন জানান। এরপর তিনি আসন গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত ২ জুন অনুষ্ঠিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ৯৯টি ভোট পেয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে প্রবেশ করে নিজ আসনে বসার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম উপস্থিত ছিলেন। এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে, যা হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিশ্ব সংস্থায় তাঁর প্রথম ভাষণ। ভাষণটি তিনি বাংলায় দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ অধিবেশনের পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া, তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভাষণ দেবেন, যেখানে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরবেন। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘে উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ ভবিষ্যৎ তহবিল বা প্রভিডেন্ট ফান্ডে (জিপিএফ) ১১-১৩ শতাংশ হারে মুনাফা দেবে সরকার। তহবিলে জমা অর্থের পরিমাণ অনুযায়ী তিন স্তরে এ মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরেও একই হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ বিভাগ। এতে বলা হয়, প্রভিডেন্ট ফান্ডের প্রারম্ভিক স্থিতি বা চলতি অর্থবছরে জমা দেওয়া চাঁদার পরিমাণ ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ টাকার বেশি থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে ১২ শতাংশ এবং ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার হবে ১১ শতাংশ। জিপিএফের আদলে পরিচালিত প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলের আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের বিধি অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারণ করতে পারবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সর্বনিম্ন ৫-২৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ প্রদেয় ভবিষ্যৎ তহবিলে জমা রাখতে পারেন। অন্যদিকে, সিপিএফভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা মূল বেতনের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদা দিতে পারেন।  জিপিএফ ও সিপিএফ উভয় ক্ষেত্রেই কর্মীর জমার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত অংশ অর্থ দেয়। সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মূল বেতনের ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ অর্থ এ তহবিলে দেয়। জমা করা অর্থের ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা পান অংশগ্রহণকারীরা। আরটিভি/এসআর  
প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর
আরও পড়ুন
অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল চালকের
আজ যেসব এলাকায় টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না
জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’
পানির ৩৩ ফুট গভীরেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে সফল চীনা সোলার প্যানেল