ঢাকা রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘অ্যাপের মাধ্যমে কিনতে হবে জ্বালানি’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

জ্বালানি তেল কেনার জন্য একটি অ্যাপ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সমসাময়িক নানা ইস্যুতে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

জ্বালানি খাত নিয়ে বৈশ্বিক চ‍্যালেঞ্জ মোকাবিলা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিভিন্ন দেশে জ্বালানির মূল্য বাড়ালেও বাংলাদেশ সরকার এখনো বাড়ায়নি। তবে আগামী মাসে জ্বালানি মূল্য সমন্বয় করা হবে কি-না, সেটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা সংকট আছে। তবে এতটা সংকট নেই, যার কারণে লম্বা লাইন হচ্ছে। মূলত তেলের অবৈধ মজুত হচ্ছে এবং পাচারের চেষ্টা চলছে। এজন্য কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে।

তবে জ্বালানি তেল কেনার জন্য একটি অ্যাপ তৈরি হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যাপের মাধ্যমেই কিনতে হবে। এর ফলে কে কতটা তেল কিনবেন, কখন কতটা কিনলেন, সেই তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।

বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকলেও শহরে অনিয়ন্ত্রিতভাবে অটোরিকশা চলতে পারে না জানিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বিপদজনক এ যানবাহনটির ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, অপরদিকে চালকরাও প্রশিক্ষিত নয়। অনেক দুর্ঘটনা ঘটছে অটোরিকশার কারণে। বিপদজনক এ যানবাহনের বিকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার।

আরও পড়ুন

স্বল্পোন্নত দেশের (স্বল্পোন্নত দেশ) তালিকা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশ এখনো প্রস্তুত নয় জানিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এলডিসি থেকে উত্তরণে সরকারের পরিকল্পনা নেই।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কোনো দুর্নীতি হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করার পরেই এ কার্যক্রম গতিশীল করা হবে।

হামের টিকা সংকট বর্তমান সরকারের নয় জানিয়ে তিনি বলেন, আগের সরকারের গাফিলতির কারণেই এ সংকট তৈরি হয়েছে। হামে শিশুরা মৃত্যুবরণ করছে। এটি দুঃখজনক। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে সরকার। হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সরকার ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ এলাকায় টিকা কার্যক্রম শুরু করেছে এবং ৩ মে থেকে সারা দেশেই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে।

আরটিভি/ এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
আসন্ন পর্যটন মৌসুমে সুন্দরবনে নতুন করে পর্যটকদের আগমন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে আন্তর্জাতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরতে আরও উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা।
সুন্দরবন ঘিরে তৈরি হচ্ছে নতুন পর্যটন সম্ভাবনা
বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী 
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী 
জাতিসংঘ সফর শেষে দুবাই থেকে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেওয়া এবং ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন।
জাতিসংঘ সফর শেষে দুবাই থেকে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন।  প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটসের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন। এতে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। ২৪ সেপ্টেম্বর দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক মানবতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের উদ্যোগের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। সংঘাত নিরসনে সংলাপ, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে জনগণের ক্ষমতায়ন এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ লক্ষ্যে সরকারের ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন’ বা থ্রি-আর কৌশলের কথাও তুলে ধরেন। রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী এ সংকটের একমাত্র সমাধান। স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন। সফরকালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ এবং জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্ক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের বিষয়ে আলোচনা করেন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে এবং মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহাম্মদ লতিফের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা জোরদার এবং অংশীদারিত্বের নতুন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হয়। হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিলস-এমের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে দেওয়া স্বাগত প্রাতরাশে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী অংশ নেন। পরে তাঁরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণকারী নেতাদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত সংবর্ধনায় যোগ দেন। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশন, রকফেলার ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি ও রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে মানবিক চ্যালেঞ্জ, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বিষয়ে বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা হয়। এ সময় গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক সুজম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য, শিশুসেবা, টিকাদান, সাশ্রয়ী মূল্যের টিকা, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন। আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সম্মিলিত বৈশ্বিক পদক্ষেপ, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ দ্রুত ও ব্যাপকভাবে কমানো এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য পূর্বানুমেয় জলবায়ু অর্থায়নের আহ্বান জানান তিনি। ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব, দক্ষ জনশক্তি, শিক্ষা ও প্রযুক্তি এবং বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মাধ্যমে দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণ ও নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের হুমকি নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ দ্রুত ও ব্যাপকভাবে কমানো, পূর্বানুমেয় ও সহজলভ্য অভিযোজন অর্থায়ন, জলবায়ু-সহনশীল প্রযুক্তির বিস্তৃত ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশ-সুইডেন-ইউএনএফপিএ আয়োজিত ধাত্রীবিদ্যা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘সুস্থ বাংলাদেশ’ গড়ার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে কেন্দ্রীয় ভিত্তি হিসেবে রাখার কথা জানান তিনি। তিনি জানান, সরকার আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে ৮০ হাজার নারী এবং ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ বা ধাত্রী থাকবেন। পাশাপাশি একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। জলবায়ু সহনশীলতা ও বহুপক্ষীয় কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকারও প্রশংসা করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। প্রধানমন্ত্রী থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও বৈঠক করেন। পরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন তিনি। নিউইয়র্ক সফরের শেষ দিনে আজ প্রধানমন্ত্রী ম্যানহাটনে জেপিমরগানের সদর দপ্তরে প্রতিষ্ঠানটির আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন। পরে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। পাঁচ দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি একাধিক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আরটিভি/এসআর
জাতিসংঘ সফর শেষে নিউইয়র্ক ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী
আরও পড়ুন
এমপির মোবাইল নাম্বার হ্যাক, অতঃপর...
যবিপ্রবির ‘জাস্ট ডিরেক্টরি’ অ্যাপে ইন্টারনেট ছাড়াও মিলবে সেবা
ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে ‘ভূমি দৃষ্টি অ্যাপ’ উদ্বোধন
নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্ট লটারির শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর, আবেদন করবেন যেভাবে