ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পদক পাচ্ছেন ১০৭ পুলিশ সদস্য, তালিকা প্রকাশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ০৮:৪২ এএম
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১০ মে শুরু হবে পুলিশ সপ্তাহ। চার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ লাইনস মাঠে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হবে। এবার পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ১০৭ জন সদস্যকে। পুলিশ ছাড়াও র‌্যাবে দায়িত্ব পালন করার একাধিক সেনা ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা পদক পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মনোনীতদের পদক পরিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

পুলিশ সপ্তাহ শুরুর আগে আমাগী ২ মে (শনিবার) পদকের জন্য মনোনীতদের রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি কনফিডেন্সিয়াল) মো. কামরুল আহসান চিঠিটি সই করেছেন।

আরও পড়ুন

যারা পাচ্ছেন পুরস্কার—
পিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. মোস্তফা কামাল, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার, পুলিশ টেলিকমের অতিরিক্ত আইজিপি মো. রেজাউল করিম, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, সিটিএসবির ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম, সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (সদর দপ্তর) তাপতুন নাসরীন, পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট) মো. আশিক সাঈদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি (অপারেশনস-পূর্ব) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির ও মু. মাহবুবুর রশীদ, সিআইডির ডিআইজি মোহাম্মদ শামসুল হক, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এস্টেট, ডেভেলপমেন্ট ও আইসিটি) মোহাম্মদ ওসমান গণি, র‍্যাব সদর দপ্তরের এডিজি (অপস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ, ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান, র‍্যাব-১২-এর অ্যাডিশনাল ডিআইজি আতিকুর রহমান মিয়া, র‍্যাব-২-এর অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক হাওলাদার, র‍্যাব সদর দপ্তরের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহা. জয়নুল আবেদীন এবং উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন, নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক, পিবিআই ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার, গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার রওনক জাহান, পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শচীন চাকমা, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান।

ঢাকা মহানগর পুলিশসহ বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে আছেন—ডিবি (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম-উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার (সদ্য বাগেরহাটের পুলিশ সুপার পদে নিয়োগ পেয়েছেন), ডিবি (লালবাগ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার (বর্তমানে মিরপুর বিভাগের ডিসি), প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান, মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান, ডিবি (উত্তরা) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মির্জা তারেক আহমেদ বেগ, র‍্যাব-৯ সিলেটের মেজর আসিফ আল-রাজেক, দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পিআইও) আবদুল করিম, বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম, কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মুকিত সরকার, যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি সাইবার উত্তর) মোহাম্মদ আমিনুল হক বাব্বী, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) মো. আসাদুজ্জামান, পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এলআইসি) মো. আতিকুজ্জামান, কেরাণীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ধানমন্ডি জোন) জিসানুল হক, ১৩ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনিতা রানী সূত্রধর, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ, গাজীপুর মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার চৌধুরী মো. তানভীর, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (উত্তরা জোন) সাদ্দাম হোসাইন, র‍্যাব সদর দপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমান।

ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোন) মো. আসলাম সাগর, চাঁদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হসনাইন সানীব, খুলনা মহানগর পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (ট্রাফিক) মাহমুদ আলম, চট্টগ্রামের হাটহাজারী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাক আহম্মদ চৌধুরী, সিলেটের জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামসুল হাবিব, ডিএমপির গোয়েন্দা (গুলশান) বিভাগের পরিদর্শক মো. জেহাদ হোসেন, এটিইউর পরিদর্শক মোহাম্মদ সাহিদুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের পরিদর্শক (পিআইও) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন, স্পেশাল ব্রাঞ্চের পরিদর্শক কামরুল হাসান তালুকদার, পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. সাইদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বোয়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. জাহেদুল কবির, ডিএমপির মতিঝিল ট্রাফিক জোনের পরিদর্শক মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন, কামরাঙ্গীরচর থানার ওসি গোলাম ফারুক, কক্সবাজারের রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের চকবাজার থানার ওসি মো. বাবুল আজাদ, সিআইডি চট্টগ্রামের পরিদর্শক নাছির উদ্দিন রাসেল, বরিশাল মহানগর পুলিশের কোতয়ালী থানার পরিদর্শক মো. রোবেল আফ্রাদ, রাজবাড়ীর ডিবির পরিদর্শক মফিজুল ইসলাম।

আরও রয়েছেন—খুলনার রূপসা থানার এসআই মো. আশরাফুল আলম, পিবিআই ঢাকার এসআই মো. মনজুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ ডিবির এসআই মো. আবুল কালাম আজাদ, চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার এসআই রূপন নাথ, কুমিল্লা ডিবির এসআই অর্ণব বড়ুয়া, পুলিশ টেলিকম রাজারবাগের টেকনিশিয়ান (এসআই) মো. মাজেদুল হক, চাঁদপুর ডিবির এসআই মাজহারুল হক, ডিএমপির গোয়েন্দা (লালবাগ) বিভাগের এসআই কৃষ্ণ কুমার দাস, গুলশান থানার এএসআই মো. সুমন ইসলাম, পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখার এসআই মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, র‍্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের এসআই মো. ইব্রাহীম মিয়া, পাবনা ডিবির এসআই অসিত কুমার বসাক, ডিএমপির বোম ডিসপোজাল টিমের এসআই গোলাম মুর্তজা, টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই এস এম মেহেদী হাসান, ময়মনসিংহ ডিবির এসআই মো. তোয়াবুল ইসলাম খান, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের ডিবি উত্তর বিভাগের এসআই ফজলে রাব্বী কায়সার, পিবিআইয়ের সার্জেন্ট মো. নাজিদ ইমতিয়াজ, ফতুল্লা থানার এসআই মো. রফিক, পিবিআই যশোরের এসআই রতন মিয়া, পিবিআই খুলনার এসআই রেজোয়ান, পিবিআই নারায়ণগঞ্জের এসআই মো. রিয়াজ উদ্দিন রনি, টেকনাফ এপিবিএনের এসআই আজিজুল হাকিম, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার এসআই মোহা. সিফাত রেজা, ডিএমপির গোয়েন্দা (ওয়ারী) বিভাগের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ তানভীর তুষার, ট্রাফিক গুলশান বিভাগের সার্জেন্ট মো. কামাল উদ্দিন, সুনামগঞ্জ ডিবির এএসআই সুদীপ চন্দ্র বিশ্বাস, সিটিএসবির এএসআই তুহিনা নাসরিন, ঝিনাইদহের সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এএসআই মো. ইকলাচুর রহমান।

কনস্টেবল পদমর্যাদায় রয়েছেন—ডিএমপির রমনা বিভাগের কনস্টেবল মো. রিমন হোসেন, যাত্রাবাড়ী থানার কনস্টেবল মো. শাহ আলম, পুলিশ সদর দপ্তরের এলআইসি শাখার কনস্টেবল বাদশা ফাহাদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সের কনস্টেবল দিলোয়ার মিয়া, ডিবি সাইবার দক্ষিণ বিভাগের কনস্টেবল মো. শিহাব উদ্দিন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ চট্টগ্রামের কনস্টেবল আরিফুল আহম্মদ ও মেরাজুল ইসলাম।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে নিশ্চিত করেছেন  প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, মানবিকতার তাগিদেই বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে এই সংকটের ভার একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। সংকটের উৎপত্তি যেহেতু মিয়ানমারে, এর টেকসই সমাধানও মিয়ানমারেই নিহিত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সংকটের স্থায়ী সমাধান, বিচার ও জবাবদিহি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আলোচনা হয়। তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছেন। ২০১৭ সালে সহিংসতার পর সংকট আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে বাংলাদেশ ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত থাকায় নতুন করে মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ৬ হাজার লার্নিং সেন্টারের মাধ্যমে শিশুদের মিয়ানমারের পাঠ্যক্রমভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে তারা রাখাইন রাজ্যে পুনঃএকীভূত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি এই পরিস্থিতির কারণে কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা মানবপাচার, মাদকপাচার, অবৈধ অভিবাসন ও অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তারেক রহমান বলেন, মানবিক সহায়তার প্রয়োজন বাড়লেও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন কমছে। ২০২৫ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় ৯৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি সহায়তা চাওয়া হলেও ২০২৬ সালের জন্য সেই আবেদন কমে প্রায় ৭১০ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। তার মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তার বিকল্প হতে পারে না। অনির্দিষ্টকাল ধরে শুধু বাংলাদেশকেই এ দায়িত্ব বহন করতে বলা যায় না। তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি এখনো গভীরভাবে উদ্বেগজনক। রোহিঙ্গারা জোরপূর্বক নিয়োগ, নির্বিচারে আটক, চলাচলে বিধিনিষেধ, জোরপূর্বক শ্রমসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মুখে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও আরাকান আর্মি- উভয়ের বিরুদ্ধেই গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগের তথ্য রয়েছে বলেও জানান তিনি। রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ, পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা নিশ্চিত, বিচার ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং মানবপাচার, মাদকপাচার ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ চায় না রোহিঙ্গারা চিরকাল বাস্তুচ্যুত অবস্থায় থাকুক। নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হলে তাদের নিজভূমিতে প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও দৃঢ়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। আরটিভি/এআর 
মানবিকতার তাগিদেই সীমান্ত খুলে দিয়েছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী 
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার হয়ে আসছে। সংকটের মূল কারণ ও তার সমাধানে জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন বৈঠকে পাঁচটি প্রস্তাব রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে রোহিঙ্গা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এ প্রস্তাবনা তুলেন তিনি। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতি থেকে কার্যকর পদক্ষেপে যাওয়ার সময় এসেছে। দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতির ব্যয় প্রতিদিনই বাড়ছে-শুধু রোহিঙ্গাদের জন্য নয়, কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্যও। বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ এখন বিপুল। দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও হতাশা নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ও নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি করছে। এর মধ্যে রয়েছে মানবপাচার, অবৈধভাবে অভিবাসী পাচার, মাদকপাচার এবং অন্যান্য আন্তঃদেশীয় অপরাধ। কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় করে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে পাড়ি দিচ্ছেন। একটি দেশে অমীমাংসিত থেকে যাওয়া সংকট পুরো অঞ্চলের জন্য নিরাপত্তাজনিত চ্যালেঞ্জে পরিণত হতে পারে। এসময় রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা থেকে এই বাস্তুচ্যুতির অবসান ঘটাতে পাঁচটি ক্ষেত্রে কিছু জরুরি পদক্ষেপের প্রস্তাব রাখেন প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান।  তার প্রস্তাবনাগুলো হলো:— প্রথমত, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক অংশীজনদের রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করতে হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও অন্যান্য রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করতে হবে এবং তাদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে হবে, যা প্রত্যাবাসনের অনুকূল। দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের বেসামরিক জনগণের ওপর সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিজভূমিতে তাদের মৌলিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে তারা ফিরে যাওয়ার বিষয়ে আস্থা ফিরে পান। তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত ও পূর্বানুমেয় মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। একইভাবে, আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করতে হবে। তাদের উদার আতিথেয়তার কারণে তাদের উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়। চতুর্থত, টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে জবাবদিহি নিশ্চিতের প্রচেষ্টায় গাম্বিয়ার নেতৃত্বের জন্য আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে আমরা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও স্বীকার করি, যেখানে ব্যক্তিগত অপরাধের দায় নির্ধারণের পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিচার ও তদন্তব্যবস্থাও কাজ করছে। আন্তর্জাতিক বিচারিক ও তদন্তব্যবস্থাগুলোকে অব্যাহত সহায়তা দিতে হবে। গুরুতর অপরাধের জন্য দায়ীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পঞ্চমত, এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়া মাদকভিত্তিক অর্থনীতি, মানবপাচার, ডিজিটাল প্রতারণা, অবৈধ অস্ত্র এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে হবে। আরটিভি/এসআর  
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) প্রতিযোগী হিসেবে না দেখে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান। 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রতিযোগী নয়, বরং হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বখ্যাত দানশীল সংস্থা বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর বৈঠক
আরও পড়ুন
পুলিশ পদক পাচ্ছেন ৯২ সদস্য
মব মোকাবিলায় আইন সংশোধন বা নতুন আইন হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পুলিশ সপ্তাহের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী