ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ভারতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ৫০ বাংলাদেশি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে ৫০ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ দেশে ফিরেছেন।

রোববার (৫ জুলাই) রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের বেনাপোলে হস্তান্তর করা হয়।

ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ৪৪ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী রয়েছেন। তারা যশোর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, মাদারীপুর, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরা, নড়াইল, ঝিনাইদহ ও চাঁদপুর জেলার বাসিন্দা। তারা কাজের উদ্দেশ্যে দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে আটক হন এবং বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করেন।

জানা গেছে, তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক এসব বাংলাদেশি নাগরিককে সালেম জেলার আট্টুর মহকুমা কমপ্লেক্সের একটি বিশেষ শিবিরে রাখা হয়েছিল। নাগরিকত্ব যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের প্রত্যাবাসনের নির্দেশ জারি করা হয়। গত ৩ জুলাই কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তিনটি বিশেষ পুলিশ ভ্যানে করে তাদের তিরুচিরাপল্লি রেলস্টেশনে নেয়া হয়। সেখান থেকে হাওড়াগামী ট্রেনে পশ্চিমবঙ্গে আনা হয়। পরে পেট্রাপোল সীমান্তে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের পর দুই দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

ফেরত আসা ফিরোজ মাহমুদ বলেন, আমরা ভালো কাজের প্রলোভনে পড়ে দালালের মাধ্যমে সীমান্তের অবৈধ পথ দিয়ে ভারতের তামিলনাড়ু গিয়েছিলাম। সেখানে বাসা-বাড়িতে, গার্মেন্টসে এবং ইটভাটায় কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশ আমাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সেখানকার আদালত আমাদের দুই থেকে তিন বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠায়।

তিনি আরও বলেন, কারাভোগ শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা আমাদের দায়িত্ব নিয়ে জেলখানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে তাদের শেল্টার হোমে রাখে। পরে উভয় দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় এবং ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে আমাদের দেশে ফেরানো হয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৫০ বাংলাদেশি নারী-পুরুষকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা তাদের গ্রহণ করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করবে।

যশোর জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের ভলান্টিয়ার শফিকুল ইসলাম বলেন, ফেরত আসাদের বেনাপোল পোর্ট থানা থেকে গ্রহণ করে তাদের যশোরস্থ শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যর শপথগ্রহণ
বিএনপির নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমিন ও এলিজা জামান শপথ নিয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। শপথ নেওয়ার পর প্রচলিত রীতি অনুযায়ী দুই সংসদ সদস্য শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। মির্জা ফয়সল আমিন বিএনপির মনোনয়নে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে এবং এলিজা জামান সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, অন্যান্য হুইপ, সংসদ সদস্য ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যর শপথগ্রহণ
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ।  মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ পদায়নের তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌছিফ আহমেদ। এসআরবির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আর হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদকে করা হয়েছে এসআরবির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি)। পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মো. সায়েদুর রহমানকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি এবং শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসীম উদ্দিনকে রাজারবাগে পুলিশ টেলিকম সংস্থার অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদায়ন করা হয়েছে। এদিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার (ডিআইজি) পদে থাকা মো. ইসরাইল হাওলাদার অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর তাকে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি করা হয়েছে। রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মীর আশরাফ আলীকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি পদে পদায়ন করা হয়েছে। আরটিভি/এসআর  
এসআরবির নতুন মহাপরিচালক ফারুক আহমেদ
পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বদলি
পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে বিভিন্ন ইউনিটে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনারসহ আরও দুই ডিআইজিকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  প্রজ্ঞাপনের অনুযায়ী, এসআরবির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ অধিদপ্তরে পদায়ন করা হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদকে এসআরবির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) করা হয়েছে। আর পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি মো. সাইয়েদুর রহমানকে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসিম উদ্দিনকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পুলিশ টেলিকম সংস্থা, রাজারবাগে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদারকে অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দিয়ে শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাইদকে জিএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মীর আশরাফ আলীকে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। আরটিভি/এসআর  
পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বদলি
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ওয়াই-আকৃতির দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিয়ে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির এ কথা জানান। তিনি জানান, বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দু’টির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বৈঠকে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে ওয়াই-আকৃতির সংযোগ ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এছাড়া বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ব্যারেজের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়ও উঠে আসে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব। বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মহা. এনামূল হক, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. ভিখারুদ্দৌলা চৌধুরী, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন এবং পদ্মা ব্যারেজের প্রকল্প পরিচালক মাহমুদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পুলিশের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরের প্রতি সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
সাইবার স্পেস নিরাপত্তা, ডিজিটাল জালিয়াতি ও স্ক্যাম প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরের প্রতি সহায়তার অনুরোধ জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।  সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় চমৎকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে চট্টগ্রামের বে টার্মিনাল প্রকল্প, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বৈঠকে সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনার সিঙ্গাপুর পোর্ট অথরিটির (পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল) মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনালে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ ও পরিচালনার অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বে টার্মিনাল বাস্তবায়নে পিএসএ’র প্রস্তুত থাকার কথা ব্যক্ত করে মন্ত্রী জানান, এটি চালু হলে বাংলাদেশের শিপিং খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে, যা তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের শ্রমিকদের সামগ্রিক কল্যাণেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্ত্রী এ বিষয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন। হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সংক্রান্ত আলোচনা চূড়ান্ত ধাপে রয়েছে। মন্ত্রী দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে এটি দ্রুত বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাইবার স্পেস নিরাপত্তা, ডিজিটাল জালিয়াতি ও স্ক্যাম প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির অনুরোধ জানান। বাংলাদেশ পুলিশে ‘অতিরিক্ত আইজিপি’র নেতৃত্বে নতুন ‘পুলিশ সাইবার ইউনিট’ গঠনের প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি সিঙ্গাপুরের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। সিঙ্গাপুর প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও যৌথ সাইবার তদন্ত সহায়তার ইতিবাচক প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। হাইকমিশনার সিঙ্গাপুর কো-অপারেশন প্রোগ্রাম (এসসিপি)-এর আওতায় বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা ও তরুণ সংসদ সদস্যদের সিঙ্গাপুরে অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর ও বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সুযোগ প্রদানের প্রস্তাব করলে মন্ত্রী এটিকে স্বাগত জানান। বৈঠকে উভয়পক্ষ দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও জোরদার করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিঙ্গাপুরের হাইকমিশনারকে স্বাগত জানান। হাইকমিশনার মন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে সিঙ্গাপুর সফরের আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাৎকালে সিঙ্গাপুর হাইকমিশনের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ফিলিপ ওং, পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের আঞ্চলিক প্রধান ওং জি পিং, এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি বেঞ্জামিন চু, সিঙ্গাপুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডেস্ক অফিসার মৃথিনী ত্যাগরাজন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর  
পুলিশের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরের প্রতি সহায়তার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর