ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সব জেলায় রেলসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৬ পিএম
ফাইল ছবি

দেশের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক রেলসেবা পৌঁছে দিতে বড় পরিসরে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে রেলসেবাবঞ্চিত ১০টি জেলাকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এটি বাস্তবায়িত হলে বর্তমানে রেল যোগাযোগ থাকা ৪৯ জেলার সঙ্গে নতুন আরও ১০টি জেলা যুক্ত হবে। এতে দেশের ৫৯টি জেলা সরাসরি রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে এবং পর্যায়ক্রমে ৬৪ জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার সরকারি লক্ষ্য পূরণের পথে বড় অগ্রগতি হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে মেহেরপুর, শেরপুর, মাগুরা, সাতক্ষীরা, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও লক্ষ্মীপুরকে নতুন রেল সংযোগের জন্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পরও এসব জেলায় সরাসরি রেল যোগাযোগ গড়ে ওঠেনি। নতুন উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম, দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার কোটি মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, পাশাপাশি কৃষি, শিল্প, পর্যটন, মৎস্য, আমদানি-রপ্তানি ও আঞ্চলিক বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌ-পরিবহন এবং রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশের রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণ, চলমান প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের সব ৬৪টি জেলাকে পর্যায়ক্রমে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা।

রেলমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্পগুলোতে শুধু রেললাইন নির্মাণ নয়, একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ, মালবাহী ওয়াগন, আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা এবং জনবল নিয়োগের ব্যবস্থাও রাখা হবে। ফলে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হওয়ার পরপরই ট্রেন চালু করা সম্ভব হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ হাজার ৩৬০ কিলোমিটার, যার মধ্যে ব্রডগেজ, মিটারগেজ ও ডুয়েলগেজ রেললাইন রয়েছে। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪৯টিতে রেল যোগাযোগ থাকলেও ১৫টি জেলা এখনো রেলসেবার বাইরে রয়েছে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে রেলবঞ্চিত জেলার সংখ্যা কমে পাঁচটিতে নেমে আসবে। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য দেশের প্রতিটি জেলাকে জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সড়কপথের তুলনায় রেলপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের খরচ কম, জ্বালানি সাশ্রয় বেশি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তুলনামূলক কম। একই সঙ্গে কম কার্বন নিঃসরণের কারণে রেল পরিবহন পরিবেশবান্ধব। তাই জাতীয় অর্থনীতি, আঞ্চলিক সংযোগ এবং টেকসই পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ সময়োপযোগী উদ্যোগ বলে মনে করেন তারা।

বিশেষ করে বরিশাল বিভাগ দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের বাইরে রয়েছে। বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে রেল সংযোগ স্থাপিত হলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগে নতুন গতি আসবে। একইভাবে মেহেরপুর, মাগুরা ও সাতক্ষীরায় রেললাইন নির্মিত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি ও শিল্প তথা অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। লক্ষ্মীপুর ও শেরপুরেও রেল সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আঞ্চলিক যোগাযোগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিদিন ৪শ’র বেশি যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন চলাচল করে। বছরে প্রায় ৯ থেকে ১০ কোটি যাত্রী রেলপথে ভ্রমণ করেন এবং ৮০ থেকে ৯০ লাখ টন পণ্য পরিবহন করা হয়। নতুন রেললাইন নির্মাণের ফলে এই সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামো আধুনিকায়নের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। আখাউড়া-সিলেট ও সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ প্রকল্প, ধীরাশ্রমে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি), টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-সিলেট রুটে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ এবং ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন নির্মাণের মতো প্রকল্পগুলোও এই পরিকল্পনার অংশ। ঢাকা-কুমিল্লা কর্ড লাইন বাস্তবায়িত হলে দুই শহরের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ থেকে ৮২ কিলোমিটার কমে আসবে।

এ ছাড়া রাজধানীকেন্দ্রিক কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা-মানিকগঞ্জ রেল সংযোগ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে কর্মজীবী মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে নতুন সুবিধা তৈরি হবে।

পরিবহন বিশেষজ্ঞদের মতে, রেল নেটওয়ার্কের এই সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আঞ্চলিক বৈষম্য ও পরিবহন খরচ কমবে এবং কৃষি, শিল্প, পর্যটন ও বাণিজ্য খাত নতুন গতি পাবে। একই সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতে রেলপথের অবদানও আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ‘সরকার শুধু নতুন রেললাইন নির্মাণে নয়, সেই রেলপথে কার্যকর ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। অতীতে অনেক ক্ষেত্রে রেললাইন নির্মিত হলেও পর্যাপ্ত লোকোমোটিভ ও কোচের অভাবে যাত্রীদের প্রত্যাশিত সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি। এবার নতুন রেলপথ নির্মাণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় লোকোমোটিভ ও ক্যারেজ সংগ্রহের সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রেল যোগাযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্য শুধু নতুন জেলা যুক্ত করা নয়; বরং এমন একটি আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য রেলব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে রেললাইন চালুর সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় ট্রেন, কোচ ও লোকোমোটিভও পরিচালনায় থাকবে। এতে যাত্রীসেবার মান বাড়বে এবং রেলভ্রমণ আরও আরামদায়ক ও সময়োপযোগী হবে।’

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, ‘রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার মধ্যে কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণ, গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোর আধুনিকায়ন, রেল লেভেল ক্রসিং উন্নয়ন, নতুন আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ এবং দীর্ঘমেয়াদে রেল নেটওয়ার্ককে ব্রডগেজে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের রেল যোগাযোগে একটি নতুন যুগের সূচনা হবে।’

সূত্র: বাসস

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। গুঞ্জন রয়েছে, নকভির মেয়াদ না বাড়লে আগামী বছরের এপ্রিলেই এসিসি প্রধানের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার। কিন্তু সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব। এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এবার সেই পালা বাংলাদেশের। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েও দিয়েছেন। এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়মানুযায়ী মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ ধরা হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা শেষ হবে ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। অবশ্য এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও আছে।  গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। তবে সে ক্ষেত্রে সব সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট নিজেদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আরটিভি/এসআর
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
৪ জেলায় নতুন ডিসি
দেশের ৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
৪ জেলায় নতুন ডিসি
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
আগামী জানুয়ারি মাস থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হয়ে ৬ জুনের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক আইনশৃঙ্খলা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে এবং তা ৬ জুন পর্যন্ত চলবে। এ জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান জনগণের সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে আমাদের প্রতি- আগামী যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আসছে, এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এবং সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করার প্রয়োজন, আমরা করব।  তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে কলঙ্কিত করে বা নির্বাচনের কোনো কলঙ্কিত অধ্যায় নিয়ে বিএনপি সরকার থাকবে না। এটা আপনাদের মাধ্যমে জনগণকে এবং যারা প্রার্থী, তাদের আমরা এই নিশ্চয়তা দিতে চাই। আরটিভি/এসআর
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরুর সময় জানালেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
জনকল্যাণে আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানো ও জৈব প্রযুক্তি এবং সেমিকন্ডাক্টর খাতে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।
এআইয়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীলতাকে হ্রাস করে: রাষ্ট্রপতি
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও এর গঠনপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও প্রস্তাব পাওয়া গেছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী