ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

জুলাই জাদুঘরের ক্ষতি করলে ভয়াবহ শাস্তির বিধান

বাসস

প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

কোনো ব্যক্তি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কোনো স্থাবর নিদর্শনের ক্ষতিসাধন করলে অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার ও নষ্ট করলে অনধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রণীত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন ২০২৬’-এ এমন বিধান রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশ্যে ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল আইনটি প্রণীত হয়।

এই আইনের আলোকে প্রতিষ্ঠিত চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখার জন্য গড়ে তোলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর গত ৫ আগস্ট উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরদিন থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করা হয় ঐতিহাসিক এই জাদুঘর।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইনের ৪ ধারায় বলা হয়, জাদুঘরের প্রধান কার্যালয় থাকবে ঢাকার গণভবনে। আর ২০০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে যেসব গোপন কারাগারে মানবতা বিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো জাদুঘর হিসাবে ঘোষণা, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার অধিকার জাদুঘরের থাকবে। এক্ষেত্রে কোনো গোপন কারাগার যদি কোনো সংস্থার অধীন থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত সংস্থা তা যে অবস্থায় রয়েছে সেই অবস্থাতেই জাদুঘরের নিকট হস্তান্তর করতে বাধ্য থাকবে এবং মানবতাবিরোধী কারাগারসমূহ জাদুঘরের শাখা জাদুঘর হিসাবে পরিগণিত ও পরিচালিত হবে।

আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে, এই জাদুঘরের কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে- জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ও পলায়ন সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্মৃতিচিহ্ন, পূর্ববঙ্গের ইতিহাস, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট নিদর্শন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিরোধী কার্যক্রম ও ফ্যাসিবাদের উত্থান সংক্রান্ত স্মৃতিচিহ্ন, প্রামাণ্য দলিল, সংশ্লিষ্ট বস্তু ও নিদর্শন অনুসন্ধান, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শন।

আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়েছে, জাদুঘর, পর্ষদের সুপারিশ ও সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বা অন্য কোনো জাদুঘর বা কোনো ব্যক্তির সাথে জুলাই অভ্যুত্থানের নিদর্শন স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে বিনিময় করতে এবং উপহার প্রদান বা গ্রহণ করতে পারবে। তবে এরূপ স্থায়ী বা অস্থায়ী বিনিময়, উপহার প্রদান বা গ্রহণ করতে হলে চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

আইনের ১৬ ধারায় বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট কোনো নিদর্শন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট রয়েছে মর্মে বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকলে মহাপরিচালক বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মচারী উক্ত স্থান পরিদর্শন করতে পারবে এবং এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধান অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

জাদুঘরে প্রবেশাধিকার বিষয়ে আইনের ১৭ ধারায় বলা হয়েছে, পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত প্রবেশ মূল্যের বিনিময়ে জনগণের জাদুঘরে প্রবেশাধিকার থাকবে।

আরও পড়ুন

আইনের ২২ ধারায় স্থাবর নিদর্শন ধ্বংস বা বিনষ্ট করলে দণ্ডের বিষয়ে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো স্থাবর নিদর্শন বা উহার অংশবিশেষ ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে তা হবে অপরাধ এবং সে জন্য তিনি অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের কোনো অস্থাবর নিদর্শন চুরি, পাচার, ধ্বংস, বিনষ্ট, পরিবর্তন বা ক্ষতিসাধন করলে তা অপরাধ হবে এবং সেজন্য তিনি অনধিক পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অন্যদিকে ২৪ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি জাদুঘরের সংগৃহীত বা নিবন্ধিত কোনো নিদর্শনের উপর খোদাইকরণ, লিখন, লিপি উৎকীর্ণ বা স্বাক্ষর করলে তা হবে অপরাধ এবং সেজন্য তিনি অনধিক এক বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

এদিকে আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, জাদুঘরের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী উল্লিখিত ধারায় অপরাধসমূহের দায়ে অভিযুক্ত হলে প্রচলিত দণ্ডের পাশাপাশি শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে। এক্ষেত্রে আদালতে মামলা চলমান থাকলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই আন্দোলন: এমপি দিপু
নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু বলেছেন, তিন বছর পর পর মজুরি বোর্ড হয়। এবারও সময়মতো মজুরি বোর্ড হয়েছে। মজুরি বোর্ড যে সিদ্ধান্ত দেয় আমাদের গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা সেটা মেনে নেয়। তাহলে সমস্যা হওয়ার কথা না। আসলে এটা গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য এই সমস্যা সৃষ্টি করা হয়েছে। 
গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই আন্দোলন: এমপি দিপু
‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ৫২টি নতুন কূপ খনন করবে সরকার’
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, বিগত ২০ বছরে নতুন কূপ খনন না করার কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সরকার ৫২টি নতুন কূপ খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোলা, নোয়াখালী ও তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র থেকে নতুন গ্যাস প্রাপ্তির সুখবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের করণীয় নিয়ে কথা বলেন। দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষিকে প্রযুক্তির্ভর ও টেকসই ব্যবহারে রূপান্তরের প্রত্যয়ে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই মেলায় স্মার্ট কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় প্রিসিশন এগ্রিকালচারকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষকদের মেধার মূল্যায়ন ও গবেষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং সমাজের সম্মান বাড়ানোর ব্যাপারে কাজ করছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় এবারের মেলায় ১২টি দেশের প্রায় ২৫০টি কৃষি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে ৫৩টি স্টলে বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী প্রদর্শন করা হচ্ছে, যা দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের কৃষিতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং আরডিএ-র মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আন্ডারগ্রাউন্ড পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করে ৪০% পানি সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া সারের সঠিক ব্যবহার, অতিরিক্ত সার প্রয়োগ রোধ এবং জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী উত্তরাঞ্চলে উদ্বৃত্ত আলু থেকে স্টার্চ পাউডার তৈরির কারখানা স্থাপনের ওপর জোর দেন।  তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব। পাশাপাশি বগুড়া বিমানবন্দরকে কার্গো সুবিধাযুক্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করে উত্তরাঞ্চলের আলু ও সবজি বিদেশে রপ্তানিতে সরকারের  পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান । এ সময় প্রতিমন্ত্রী দেশের কৃষি খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন, কৃষির আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি আরডিএর মহাপরিচালক আব্দুল মজিদ প্রমানিক বলেন,  কৃষির বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিকাশ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্প্রসারণের সময় এসেছে। তিনি কৃষি গবেষণা, শিক্ষা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও শিল্প খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। সভাপতির বক্তব্যে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, গবেষণালব্ধ জ্ঞানের মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কৃষি খাতের টেকসই উন্নয়নে এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ার্স এন্ড এক্সিবিশনস-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মেলায় ১২টি দেশের প্রায় ২৫০টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণের মাধ্যমে মোট ৫৩টি স্টলে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কৃষিপণ্য সংরক্ষণ এবং কৃষিজাতীয় বিভিন্ন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় ৫২টি নতুন কূপ খনন করবে সরকার’
পদোন্নতি পেলেন ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক
পুলিশের পরিদর্শক (নিরস্ত্র) থেকে এসএসপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ৬৭ জন কর্মকর্তা।
পদোন্নতি পেলেন ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক। বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কৌশলগত সম্পর্ক সময়ের পরিক্রমায় বিকশিত হয়েছে। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ‘৩০তম মার্কিন ট্রেড শো অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম ট্রেড শো যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে। তিন দশক ধরে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের পথচলা বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে সহজতর করেছে। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি ও ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা, ম্যানুফ্যাকচারিং, শিক্ষা এবং কৃষিব্যবসা খাতে উদ্ভাবনী ধারণাকে তুলে ধরেছে। স্পিকার এসময় জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান। পরবর্তীতে স্পিকার ‘৩০তম ইউএস ট্রেড শো- ২০২৬’ এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, অ্যামেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যানসহ নির্বাহী সদস্যবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। আরটিভি/টিআর
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য: স্পিকার
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। 
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় সাংবাদিকদের পাহারাদারের ভূমিকা জরুরি: ডা. সারওয়ার আলী
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দর্শনার্থীদের জন্য হুইলচেয়ার সেবা চালু করল জুলাই জাদুঘর
জাতীয় তথ্যচিত্রে মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি ৯০ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস অন্তর্ভুক্তে গুরুত্বারোপ