ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

শাস্তির আওতায় আসছে যাত্রী-পথচারীরাও, আসছে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

চালক ও মালিকের পাশাপাশি সড়ক আইন ভাঙলে এবার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন যাত্রী ও পথচারীরাও। প্রস্তাবিত ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন, ২০২৬’-এ সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন করে যাত্রী, পথচারী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায় নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে চালককে দ্রুত গাড়ি চালাতে উৎসাহ দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণভাবে গাড়িতে ওঠা, গাড়ির জানালা দিয়ে হাত বা মাথা বের করা এবং নির্ধারিত আসনের বাইরে বসার মতো অপরাধে যাত্রীকে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হচ্ছে।

ফুটপাত ব্যবহার না করে চলাচল করলেও পথচারীকে একই অঙ্কের জরিমানা করা হতে পারে। পথচারীদের ফুটপাত, নির্ধারিত পারাপার স্থান ও নিরাপদ সড়কদ্বীপ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

তবে দেশের অনেক সড়কে ফুটপাত দখল, অনুপস্থিতি কিংবা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। যদিও খসড়ায় নিরাপদ ফুটপাত, পর্যাপ্ত ক্রসিং ও সড়কদ্বীপ তৈরির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওপর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

নতুন আইনে মোটরসাইকেলে ছয় বছরের কম বয়সী শিশুকে সহযাত্রী হিসেবে নেওয়া নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর বেশি বয়সী শিশুকে কীভাবে বহন করা যাবে, তা বিধির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

লাইসেন্স ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ককে মোটরসাইকেল চালানোর সুযোগ দিলে মালিক বা অভিভাবককেও দায়ী করার প্রস্তাব রয়েছে। একই সঙ্গে চালক ও সহযাত্রী দুজনের জন্যই মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ১৩৫ সেন্টিমিটারের কম উচ্চতার অথবা ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুকে মোটরযানের সামনের আসনে বসানো যাবে না। শিশুদের বয়স, উচ্চতা ও ওজন অনুযায়ী বিশেষ নিরাপত্তা আসন বা ‘চাইল্ড রিস্ট্রেইন্ট সিস্টেম’ ব্যবহারের বিধানও প্রস্তাব করা হয়েছে।

গতি নিয়ন্ত্রণেও কঠোর হওয়ার কথা বলা হয়েছে নতুন আইনে। জাতীয় পর্যায়ে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার এবং শহর এলাকায় ৪০ কিলোমিটার নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। এ জন্য স্পিড ক্যামেরা ও স্বয়ংক্রিয় স্পিড ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা চালুর কথাও বলা হয়েছে।

পথচারী পারাপারের স্থান, মোড় ও রেলক্রসিংয়ের ৫০ মিটারের মধ্যে ওভারটেকিং নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি কুয়াশা, বৃষ্টি বা ধুলায় দৃষ্টিসীমা কমে গেলে এবং জনবহুল এলাকায়ও ওভারটেকিং করা যাবে না।

ক্লান্ত বা ঝিমুনি অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং একান্ত প্রয়োজন ছাড়া এক হাতে স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব রয়েছে। এসব বিধান প্রথমবার ভাঙলে সর্বোচ্চ এক মাস কারাদণ্ড বা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি চালকের এক পয়েন্ট কাটার বিধানও রাখা হয়েছে।

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো শনাক্তে চালকের নিঃশ্বাস, রক্ত বা অন্য নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত নমুনা সংগ্রহের ব্যবস্থাও থাকবে। নমুনা দিতে অস্বীকার করলে সর্বোচ্চ তিন মাস কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

নিরাপদ যানবাহন নিশ্চিত করতে এয়ারব্যাগ, সিটবেল্ট, স্পিড গভর্নর, ইলেকট্রনিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল, অ্যান্টিলক ব্রেকিং সিস্টেম, আধুনিক স্পিড লিমিটার, জিপিএস ট্র্যাকার, ড্যাশ ক্যামেরা ও ড্রাইভিং মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহারের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি অটোনোমাস ইমার্জেন্সি ব্রেকিং ও বুদ্ধিমান গতি অভিযোজন ব্যবস্থার কথাও বলা হয়েছে। নতুন গাড়ির নিরাপত্তা যাচাইয়ে ‘নিউ কার অ্যাসেসমেন্ট প্রোগ্রাম’ এবং সড়কের নিরাপত্তা মান নির্ধারণে ‘স্টার রেটিং’ চালুর প্রস্তাব রয়েছে।

পরিকল্পনা থেকে নির্মাণ পর্যন্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান বা বিশেষজ্ঞ দিয়ে সড়ক নিরাপত্তা অডিট বাধ্যতামূলক করার কথাও বলা হয়েছে।

যানবাহনের ফিটনেস, চালকের যোগ্যতা, রুট পারমিট, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল পরিবহন এবং চালক-কর্মীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষার ক্ষেত্রে মালিককে দায়ী করার প্রস্তাব রয়েছে। চালক, কন্ডাক্টর ও পরিবহনকর্মীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার বিধানও রাখা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে প্রথমবার সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার এবং পরবর্তী প্রতিবার ১০ হাজার টাকা জরিমানার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সড়কের নকশা, নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনায় বিধান লঙ্ঘন করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একক বা যৌথভাবে দায়ী হতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা ন্যূনতম এক লাখ টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন, ২০২৬’ বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে রয়েছে। মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর মতামত ও পর্যালোচনার জন্য এটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। যাচাই-বাছাই শেষে আইনটি সংসদে উপস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

তবে নতুন আইনটি ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইন বাতিল করছে না। বরং ওই আইন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন-২০১৭ এবং মহাসড়ক আইন-২০২১সহ সংশ্লিষ্ট আইনের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে।

আইনটির মূল লক্ষ্য চালক, যাত্রী ও পথচারীর আচরণের পাশাপাশি নিরাপদ যানবাহন, সড়ক অবকাঠামো, গতি নিয়ন্ত্রণ, দুর্ঘটনা তদন্ত এবং দুর্ঘটনার পর চিকিৎসা ও সেবাকে একই কাঠামোর মধ্যে আনা।

আরও পড়ুন

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু নতুন আইন প্রণয়ন করলেই সড়ক নিরাপদ হবে না। নিরাপদ ফুটপাত, আধুনিক যানবাহন, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে নতুন এই আইন বাস্তবে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারবে না।


আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব জানান । স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে রোববার (১ নভেম্বর) মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। সোমবার সেই বোর্ডের প্রথম সভা হতে পারে অথবা সম্ভাব্য খুব স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তারা বসবেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে এবং সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই যথা-শিগগির সম্ভব তাদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করে সেটি ঘোষণা হতে পারে। আশা করি, তারা সব পক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ন্যূনতম মজুরি ঠিক করতে পারবেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ হয় এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়ন হয়। শ্রমিকদের বিষয়গুলো যেন অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে দেখা হয়। সুতরাং, বাস্তবতার নিরিখে মজুরি নির্ধারিত হবে। এখানে অসন্তোষের কিছু নেই। গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা শিল্প মালিকদের সহযোগিতা চেয়েছি এবং তারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে তারা বলেছেন কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে, যারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে। তাদের তালিকা তারা আমাদের প্রদান করবেন। এ ছাড়াও কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে, সে সব সংগঠন এবং নামের তালিকাও আমরা তাদের সরবরাহ করতে বলেছি। তবে আমরা বিশ্বাস করি, কোনো শ্রমিক এবং কোনো শ্রমিক সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। আন্দোলনের নামে সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমনের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছে, তারা চিহ্নিত হয়েছে। তবে দুঃখজনকভাবে কিছু শিল্প-মিল মালিক জড়িত আছে এবং শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে কিছু লোকজন অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে, যা কোনোভাবেই শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করবে না। আমরা অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলে দিতে চাই যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, আইন-শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত এবং অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে। আরটিভি/এসকে
সচিবালয়ে গার্মেন্টস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার ‘আগাম বার্তা’ পাবেন কৃষকরা
কৃষক কার্ডধারীদের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে আবহাওয়ার আগাম পূর্বাভাস। এর ফলে বৃষ্টি, তাপমাত্রার পরিবর্তন কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক হতে পারবেন কৃষকরা। 
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার ‘আগাম বার্তা’ পাবেন কৃষকরা
পোশাক শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের জন্য বোর্ড গঠনের আলোচনার মধ্যে পোশাক শিল্পে এমন অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা যারা করছে তাদের পেছনে যারা ইন্ধন দিচ্ছেন তারা চিহ্নিত হয়েছে বলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, এখানে দুঃখজনক হলেও কিছু শিল্প মালিকরা জড়িত আছেন এবং কিছু শ্রমিক সংগঠনের ব্যানারে যারা শ্রমিকদের কল্যাণ চায় কিনা সেটা প্রশ্নবিদ্ধ সে সমস্ত লোকজন এই অস্থিরতা ও সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। রাস্তায় আন্দোলনের নামে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে যেটা কোনভাবেই শ্রমিকদের কোন কাজে আসবে না। সোমবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে পোশাক শিল্প মালিকদের দুইটি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা বলেন তিনি। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেসব শিল্প মালিকদের রাজনৈতিক পরিচয় ছিল, যারা নিষিদ্ধ সংগঠনের হয়তো কোন কোন সময় কেউ এমপি বা কেউ মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ছিল সেসমস্ত শিল্প মালিকরা তারা এ সমস্ত অস্থিরতার পেছনে কাজ করছে বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে এবং সেটার প্রমাণও আছে। একইসঙ্গে, যারা শ্রমিক আন্দোলনের নামে স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির কাজে লিপ্ত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি। শিল্প মালিকদের বরাত দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তারা বলেছেন, কিছু শিল্প মালিক আছে এবং শিল্প কারখানা আছে যারা উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে শিল্প কারখানা বন্ধ করেছে তাদের তালিকা তারা আমাদেরকে প্রদান করবে। আর কিছু কিছু শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এখানে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য পাঁয়তারা করছে সে সমস্ত সংগঠন এবং নামের তালিকাও দিতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, কোন শ্রমিক এবং শ্রমিকদের সংগঠন শ্রমিকের স্বার্থবিরোধী কোন কাজে জড়িত থাকতে পারে না বলে সরকার বিশ্বাস করে। যদি ভুলক্রমে এ সমস্ত কাজে কেউ ইন্ধন দিয়ে থাকে বা জড়িত থাকে তাহলে আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাবো, তারা যেন সে সমস্ত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে। কারণ আমরা কঠোরভাবে সেটা দমনের চেষ্টা করবো যারা যেভাবেই হোক অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে, ঘৃণ্য পলিটিকেল কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য সীমান্তের ওপার থেকে ইশারায় যা কিছু তারা করা চেষ্টা করছে যেভাবেই হোক তা আমরা প্রতিহত করব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা কোন শিল্প কারখানা বন্ধ হোক সেটা চাই না, একমূহুর্তের জন্যও হোক চাই না। কোন অস্থিরতা সৃষ্টি হোক সেটা চাই না। আরটিভি/এসকে
পোশাক শিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পদ্মা ব্যারাজে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বছরে মিলবে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা
শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট, বর্ষায় বন্যা-জলাবদ্ধতা, নদীভাঙন এবং ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংকট। এসব সংকট মোকাবিলায় বড় সম্ভাবনা সরকারের পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। 
পদ্মা ব্যারাজে বদলে যাবে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, বছরে মিলবে বড় অর্থনৈতিক সুবিধা
মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে
মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট প্রদর্শনের নিয়মে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে মোটরসাইকেলের সামনের অংশে রেজিস্ট্রেশন নম্বর এক লাইনে লেখার অনুমতি দিতে পারবে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম, লিখতে হবে যেভাবে
আরও পড়ুন
১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, আটকেপড়া যাত্রী ২০ হাজার ছাড়াল
সৌদিতে হামলার প্রভাবে আতঙ্কে ওমরাহ যাত্রীরা
জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির
বিমানে বিশৃঙ্খলা ও গালিগালাজ, যাত্রীকে টেপ দিয়ে বেঁধে রাখলেন সহযাত্রীরা